২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

জমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মোবাইলের এক ক্লিকেই

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ এখন পশ্চিমবঙ্গবাসী চাইলেই জমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মোবাইলের এক ক্লিকেই পেয়ে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের ভূমি ও ভূমি-রাজস্বমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘জমির তথ্য’ নামে বিশেষ অ্যাপ চালু করেছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর। অ্যানড্রয়েড ফোনে গুগল প্লে-স্টোরে গিয়ে ‘Jomir Tothya’ টাইপ করলেই সংশ্লিষ্ট অ্যাপটি পাওয়া যাবে। সেখানে মূলত ছয় ধরনের তথ্য পাবেন ব্যবহারকারীরা। সেগুলি হল, জমির খতিয়ান, দাগ, আরএসএলআর রিপোর্ট, ফি সংক্রান্ত বিস্তারিত বিবরণ, অফিসারের বিবরণ এবং মামলা সংক্রান্ত তথ্য। প্রতিটির ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীকে সুনির্দিষ্ট জমির অবস্থান বোঝাতে জেলা, ব্লক, মৌজার উল্লেখ করতে হবে। তারপরই সংশ্লিষ্ট জমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মোবাইলের পর্দায় ভেসে উঠবে।

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পরই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের জমি নীতি তৈরীর লক্ষ্যে পরিকল্পনা শুরু করেন। সেই মতো রাজ্যের ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরীর কাজ শুরু হয়। উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে গোটা রাজ্যের জমির চরিত্র, অবস্থান সহ একাধিক বিষয়ে সুসংহত বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। কয়েক বছর লাগাতার পরিশ্রমের পরে তৈরী হয় রাজ্যের জমি নীতি।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো সহজে সেই তথ্য যোগান দিতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ তৈরীর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো জমির তথ্য তৈরী করা হয়েছে। খুব কম সময়ের মধ্যেই এই অ্যাপ জনপ্রিয়ও হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিবিধ আইনি জটিলতায় অসংখ্য মানুষ ভোগেন। অনেকে নিজের দাগ, খতিয়ান সহ একাধিক বিষয়ে জানেন না। নয়া অ্যাপ বাজারে চলে আসার ফলে সেই সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মোবাইলের এক ক্লিকেই

আপডেট : ২৪ অগাস্ট ২০১৯, শনিবার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ এখন পশ্চিমবঙ্গবাসী চাইলেই জমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মোবাইলের এক ক্লিকেই পেয়ে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের ভূমি ও ভূমি-রাজস্বমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘জমির তথ্য’ নামে বিশেষ অ্যাপ চালু করেছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর। অ্যানড্রয়েড ফোনে গুগল প্লে-স্টোরে গিয়ে ‘Jomir Tothya’ টাইপ করলেই সংশ্লিষ্ট অ্যাপটি পাওয়া যাবে। সেখানে মূলত ছয় ধরনের তথ্য পাবেন ব্যবহারকারীরা। সেগুলি হল, জমির খতিয়ান, দাগ, আরএসএলআর রিপোর্ট, ফি সংক্রান্ত বিস্তারিত বিবরণ, অফিসারের বিবরণ এবং মামলা সংক্রান্ত তথ্য। প্রতিটির ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীকে সুনির্দিষ্ট জমির অবস্থান বোঝাতে জেলা, ব্লক, মৌজার উল্লেখ করতে হবে। তারপরই সংশ্লিষ্ট জমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মোবাইলের পর্দায় ভেসে উঠবে।

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পরই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের জমি নীতি তৈরীর লক্ষ্যে পরিকল্পনা শুরু করেন। সেই মতো রাজ্যের ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরীর কাজ শুরু হয়। উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে গোটা রাজ্যের জমির চরিত্র, অবস্থান সহ একাধিক বিষয়ে সুসংহত বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। কয়েক বছর লাগাতার পরিশ্রমের পরে তৈরী হয় রাজ্যের জমি নীতি।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো সহজে সেই তথ্য যোগান দিতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ তৈরীর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো জমির তথ্য তৈরী করা হয়েছে। খুব কম সময়ের মধ্যেই এই অ্যাপ জনপ্রিয়ও হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিবিধ আইনি জটিলতায় অসংখ্য মানুষ ভোগেন। অনেকে নিজের দাগ, খতিয়ান সহ একাধিক বিষয়ে জানেন না। নয়া অ্যাপ বাজারে চলে আসার ফলে সেই সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।