২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

মুখ খুললেন শিখ ধর্মগুরুরা। “কাশ্মীরি মেয়েদের সম্মানরক্ষা আমাদের কর্তব্য”

নতুন গতি নিউজ ডেস্কঃ সারা দেশজুড়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে কাশ্মীরি তরুণীদের নিয়ে শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন অসম্মানজনক, খারাপ কথাবার্তা বা আলোচনা। প্রসঙ্গত শিখ সম্প্রদায়ের শীর্ষতম ধর্মীয় দল অকাল তখ্ত জাঠেদারের ধর্মগুরুরা বলেছেন, কাশ্মীরি মহিলারা সমাজেরই অংশ। তাঁরা একইসঙ্গে মা, বোন, স্ত্রী এবং কন্যা। তাই তাঁদের সম্মানরক্ষা করা শিখদের কর্তব্য। দেশের বহু রাজনৈতিক নেতার নারী বিদ্বেষমূলক, নারী লোলুপ মন্তব্যের প্রসঙ্গেই তাঁদের এই সুন্দর বার্তা।

জম্মু কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা খারিজ হওয়া প্রসঙ্গে কাশ্মীরের পাশে দাঁড়িয়েছে পাঞ্জাব। যেভাবে কাশ্মীরিদের রীতিমতো দাবিয়ে রেখে এবং তাদের সঙ্গে বাকি দেশের সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে তাঁদের মতামত ছাড়াই এই ধারা বাতিল করা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়াকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের সেনানী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। তাঁদের মতে, ১৯৮৪ সালে অপারেশন ব্লু-স্টারের সময় পাঞ্জাবের সঙ্গে এই একই কাজ করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই সময় শিখ মহিলাদেরও একই রকম আক্রমণের সামনে পড়তে হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অকাল তখ্তের জাঠেদার জিয়ানি হরপ্রীত সিং।

হরপ্রীত সিং-এর বক্তব্য, ঈশ্বর প্রত্যেককে সমান অধিকার দিয়েছেন। লিঙ্গ, ধর্ম এবং জাতির অজুহাতে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা অন্যায়। ৩৭০ ধারা খারিজ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সোশ্যাল সাইটে কাশ্মীরি মহিলাদের প্রসঙ্গে যে ধরনের মন্তব্য এবং নির্দেশ দিচ্ছেন, সেগুলো শুধু মানহানিকরই নয়, ক্ষমার অযোগ্য বলেও দাবি হরপ্রীতের। কারও নাম না করে তিনি জানিয়েছেন, যেভাবে কাশ্মীরি মহিলাদের ছবি সোশ্যাল সাইটে দিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা হচ্ছে, তাতে আহত হচ্ছে ভারতের ভাবমূর্তি।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুখ খুললেন শিখ ধর্মগুরুরা। “কাশ্মীরি মেয়েদের সম্মানরক্ষা আমাদের কর্তব্য”

আপডেট : ১১ অগাস্ট ২০১৯, রবিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্কঃ সারা দেশজুড়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে কাশ্মীরি তরুণীদের নিয়ে শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন অসম্মানজনক, খারাপ কথাবার্তা বা আলোচনা। প্রসঙ্গত শিখ সম্প্রদায়ের শীর্ষতম ধর্মীয় দল অকাল তখ্ত জাঠেদারের ধর্মগুরুরা বলেছেন, কাশ্মীরি মহিলারা সমাজেরই অংশ। তাঁরা একইসঙ্গে মা, বোন, স্ত্রী এবং কন্যা। তাই তাঁদের সম্মানরক্ষা করা শিখদের কর্তব্য। দেশের বহু রাজনৈতিক নেতার নারী বিদ্বেষমূলক, নারী লোলুপ মন্তব্যের প্রসঙ্গেই তাঁদের এই সুন্দর বার্তা।

জম্মু কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা খারিজ হওয়া প্রসঙ্গে কাশ্মীরের পাশে দাঁড়িয়েছে পাঞ্জাব। যেভাবে কাশ্মীরিদের রীতিমতো দাবিয়ে রেখে এবং তাদের সঙ্গে বাকি দেশের সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে তাঁদের মতামত ছাড়াই এই ধারা বাতিল করা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়াকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের সেনানী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। তাঁদের মতে, ১৯৮৪ সালে অপারেশন ব্লু-স্টারের সময় পাঞ্জাবের সঙ্গে এই একই কাজ করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই সময় শিখ মহিলাদেরও একই রকম আক্রমণের সামনে পড়তে হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অকাল তখ্তের জাঠেদার জিয়ানি হরপ্রীত সিং।

হরপ্রীত সিং-এর বক্তব্য, ঈশ্বর প্রত্যেককে সমান অধিকার দিয়েছেন। লিঙ্গ, ধর্ম এবং জাতির অজুহাতে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা অন্যায়। ৩৭০ ধারা খারিজ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সোশ্যাল সাইটে কাশ্মীরি মহিলাদের প্রসঙ্গে যে ধরনের মন্তব্য এবং নির্দেশ দিচ্ছেন, সেগুলো শুধু মানহানিকরই নয়, ক্ষমার অযোগ্য বলেও দাবি হরপ্রীতের। কারও নাম না করে তিনি জানিয়েছেন, যেভাবে কাশ্মীরি মহিলাদের ছবি সোশ্যাল সাইটে দিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা হচ্ছে, তাতে আহত হচ্ছে ভারতের ভাবমূর্তি।