২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

আর‌ও বেশি সুযোগ সুবিধা পাবেন কাশ্মীরের জনগণ: মোদী

জাকির হোসেন সেখ, ৯ আগষ্ট, নতুন গতি: জম্মু–কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর গতকাল ৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার রাত আটটার সময় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে উপরোক্ত কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‌’ওখানের ভাই–বোনেরা অনেক পরিষেবা এবং প্রকল্প থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সেটা এবার দূর হবে। মুক্তি পাবে বৈষম্য। একটা নতুন যুগের সূচনা হল। এখন সব জনগণের দায়িত্ব এবং অধিকার সমান হয়ে গেল।’‌’

উল্লেখ্য, এই ধারা বিলোপ করার পর নিজের দেশে এবং প্রচন্ডভাবে বহির্বিশ্বে চাপের মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দ্বিতীয় সরকার। বৃহস্পতিবার তাই রাত ৮টা নাগাদ জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করতেই প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষন বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এটাকে নতুন প্রজন্মকে কাছে টানার কৌশল বলেই মনে করছেন। হঠাৎ করে ৩৭০ ধারা বাতিল করা হল কেন ? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘‌এক রাষ্ট্র, এক পরিবারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জম্মু–কাশ্মীরের সরকারি কর্মচারীদের এবং পুলিশ কর্মীদের সবরকম পরিষেবা ও সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। জরুরী ভিত্তিতেই এই সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। বর্তমান অবস্থা ভাল হবেই উপত্যকার মানুষজনের। সবার ভবিষ্যৎ গঠিত হবে।’‌’
সাথে সাথে পাকিস্তানকেও কড়া বার্তা দিতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর দাবি, ‘‘‌এই ধারা চালু থাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী বেড়েছে। সন্ত্রাস বেড়েছে। ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই ধারাকে সামনে রেখে নোংরা খেলা খেলছিল পাকিস্তান। তিন দশক ধরে জম্মুকাশ্মীরের মানুষকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান। অনেকেই ভেবেছিলেন এই পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হবে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তা করে দেখাল। এবার কাশ্মীরে দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং নাশকতা কমবে।’‌’

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আর‌ও বেশি সুযোগ সুবিধা পাবেন কাশ্মীরের জনগণ: মোদী

আপডেট : ৯ অগাস্ট ২০১৯, শুক্রবার

জাকির হোসেন সেখ, ৯ আগষ্ট, নতুন গতি: জম্মু–কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর গতকাল ৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার রাত আটটার সময় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে উপরোক্ত কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‌’ওখানের ভাই–বোনেরা অনেক পরিষেবা এবং প্রকল্প থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সেটা এবার দূর হবে। মুক্তি পাবে বৈষম্য। একটা নতুন যুগের সূচনা হল। এখন সব জনগণের দায়িত্ব এবং অধিকার সমান হয়ে গেল।’‌’

উল্লেখ্য, এই ধারা বিলোপ করার পর নিজের দেশে এবং প্রচন্ডভাবে বহির্বিশ্বে চাপের মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দ্বিতীয় সরকার। বৃহস্পতিবার তাই রাত ৮টা নাগাদ জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করতেই প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষন বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এটাকে নতুন প্রজন্মকে কাছে টানার কৌশল বলেই মনে করছেন। হঠাৎ করে ৩৭০ ধারা বাতিল করা হল কেন ? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘‌এক রাষ্ট্র, এক পরিবারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জম্মু–কাশ্মীরের সরকারি কর্মচারীদের এবং পুলিশ কর্মীদের সবরকম পরিষেবা ও সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। জরুরী ভিত্তিতেই এই সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। বর্তমান অবস্থা ভাল হবেই উপত্যকার মানুষজনের। সবার ভবিষ্যৎ গঠিত হবে।’‌’
সাথে সাথে পাকিস্তানকেও কড়া বার্তা দিতে ছাড়েননি তিনি। তাঁর দাবি, ‘‘‌এই ধারা চালু থাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী বেড়েছে। সন্ত্রাস বেড়েছে। ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই ধারাকে সামনে রেখে নোংরা খেলা খেলছিল পাকিস্তান। তিন দশক ধরে জম্মুকাশ্মীরের মানুষকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান। অনেকেই ভেবেছিলেন এই পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হবে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তা করে দেখাল। এবার কাশ্মীরে দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং নাশকতা কমবে।’‌’