২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

জল নেওয়া নিয়েও এবার জাত-পাত। জল নিতে এলে লাঠি দিয়ে মার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : দক্ষিণ ভারতে জলের অভাব কতটা ভয়ঙ্কর পর্যায় পৌঁছে গিয়েছে সে নিয়ে রোজই সামনে আসছে নানান খবর। তবে জলসঙ্কটের ভয়াবহতার দিক দিয়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই উত্তরপ্রদেশও। সে রাজ্যের বুন্দেলখণ্ড জেলার চিত্রকূট এলাকায় জলের অভাবের সঙ্গে জাতিভেদ প্রথাও জুড়ে গিয়ে, কিছু মানুষের জন্য বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও গরমকালে এলাকার প্রায় সমস্ত কল ও হ্যান্ড পাম্প জলশূন্য। বাইরে থেকে ট্যাঙ্কার ভাড়া করে এনে জল নেওয়া হচ্ছে। সেই সমস্ত ট্যাঙ্কার দলিত বস্তির ভিতর দিয়ে চলে গেলেও সেখানে দাঁড়ায় না। ফলে, জল আনতে বস্তির বাইরের কলেই যেতে হয় তাঁদের। আর এটাই একেবারে পছন্দ নয় ‘উচ্চ জাত’-এর মানুষদের। কল থেকে জল নেওয়া তো দূরের কথা, ট্যাঙ্কারের কাছেও যাওয়া বারণ দলিতদের। এমনকী সেইসব টিউবওয়েল এবং কলের সামনে নাকি সবসময় লাঠি হাতে মজুত থাকেন দু’জন করে ‘পাহারাদার’! দলিতরা জল নিতে এলে লাঠি দিয়ে মারাই তাদের কাজ! বাদ পড়েন না মহিলা ও শিশুরাও।

প্রসঙ্গত, ওই দলিত বস্তির মধ্যে রয়েছে একটি মাত্র জলের কল, সেটিও খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে কয়েক বছর ধরেই। গ্রামের প্রধানকে বস্তিবাসীরা সেটি সারিয়ে দিতে বললেও, তিনি তাতে ‘না’ বলে দিয়েছেন!

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জল নেওয়া নিয়েও এবার জাত-পাত। জল নিতে এলে লাঠি দিয়ে মার

আপডেট : ২ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : দক্ষিণ ভারতে জলের অভাব কতটা ভয়ঙ্কর পর্যায় পৌঁছে গিয়েছে সে নিয়ে রোজই সামনে আসছে নানান খবর। তবে জলসঙ্কটের ভয়াবহতার দিক দিয়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই উত্তরপ্রদেশও। সে রাজ্যের বুন্দেলখণ্ড জেলার চিত্রকূট এলাকায় জলের অভাবের সঙ্গে জাতিভেদ প্রথাও জুড়ে গিয়ে, কিছু মানুষের জন্য বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও গরমকালে এলাকার প্রায় সমস্ত কল ও হ্যান্ড পাম্প জলশূন্য। বাইরে থেকে ট্যাঙ্কার ভাড়া করে এনে জল নেওয়া হচ্ছে। সেই সমস্ত ট্যাঙ্কার দলিত বস্তির ভিতর দিয়ে চলে গেলেও সেখানে দাঁড়ায় না। ফলে, জল আনতে বস্তির বাইরের কলেই যেতে হয় তাঁদের। আর এটাই একেবারে পছন্দ নয় ‘উচ্চ জাত’-এর মানুষদের। কল থেকে জল নেওয়া তো দূরের কথা, ট্যাঙ্কারের কাছেও যাওয়া বারণ দলিতদের। এমনকী সেইসব টিউবওয়েল এবং কলের সামনে নাকি সবসময় লাঠি হাতে মজুত থাকেন দু’জন করে ‘পাহারাদার’! দলিতরা জল নিতে এলে লাঠি দিয়ে মারাই তাদের কাজ! বাদ পড়েন না মহিলা ও শিশুরাও।

প্রসঙ্গত, ওই দলিত বস্তির মধ্যে রয়েছে একটি মাত্র জলের কল, সেটিও খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে কয়েক বছর ধরেই। গ্রামের প্রধানকে বস্তিবাসীরা সেটি সারিয়ে দিতে বললেও, তিনি তাতে ‘না’ বলে দিয়েছেন!