০২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
০২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

মমতামুক্ত বাংলার মতো রাহুলমুক্ত দিল্লির ডাক নীতিনের

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রবিবার, ১ নভেম্বর, ভোটচুরি ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সভা করে বিরোধী ইন্ডি জোট। সোমবার পাল্টা দিতে পথে নেমেছে গেরুয়া শিবিরও। দেশের বিভিন্ন শহরে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হাটাও’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে তাদের তরফ থেকে। কলকাতা থেকেও এক বড় র‍্যালি করে তারা, যার নেতৃত্বে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হয়ে মিছিল শেষ হয় ধর্মতলায়।

ধর্মতলায় সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী সহ বিরোধীদের একহাত নেন নীতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, “গণতন্ত্র বাঁচানোই মূল লক্ষ্য বিজেপির। আমাদের কাছে দেশ সবার আগে, ব্যক্তি পরে। বিরোধীদের কাছে সবার আগে ব্যক্তিস্বার্থ।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মমতামুক্ত বাংলা থেকে তোলাবাজি শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি বন্ধ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।” পাশাপাশি, তিনি দিল্লিকেও রাহুলমুক্ত করার ডাক দেন।

এদিকে সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সোমবার ‘অনুপ্রবেশকারী ভাগাও’ স্লোগান তুলে কলকাতার রাজপথে নেমেছে বিজেপি। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সমাবেশ হয়েছে। এখন দুর্নীতি, পরিবারবাদ ও তোষণের রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতেই বিরোধীরা একত্রিত। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে রয়েছে জনতার সমর্থন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।” পাশাপাশি, আরশোলা, ছারপোকা, জামাতি, দিমাগি নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাংদেরও উৎখাতের ডাক দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর হুঙ্কার, “গত ভোটের মতো কলকাতা, হাওড়া পুরনির্বাচনেও বিজেপি বিরোদীদের সাফ করে দেবে।”

 

চোরবাগানে দুর্ঘটনাকে ‘ছোট ঘটনা’ বলে বিতর্কে জড়ালেন রথীন্দ্র বসু

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মমতামুক্ত বাংলার মতো রাহুলমুক্ত দিল্লির ডাক নীতিনের

আপডেট : ২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রবিবার, ১ নভেম্বর, ভোটচুরি ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সভা করে বিরোধী ইন্ডি জোট। সোমবার পাল্টা দিতে পথে নেমেছে গেরুয়া শিবিরও। দেশের বিভিন্ন শহরে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হাটাও’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে তাদের তরফ থেকে। কলকাতা থেকেও এক বড় র‍্যালি করে তারা, যার নেতৃত্বে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হয়ে মিছিল শেষ হয় ধর্মতলায়।

ধর্মতলায় সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী সহ বিরোধীদের একহাত নেন নীতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, “গণতন্ত্র বাঁচানোই মূল লক্ষ্য বিজেপির। আমাদের কাছে দেশ সবার আগে, ব্যক্তি পরে। বিরোধীদের কাছে সবার আগে ব্যক্তিস্বার্থ।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মমতামুক্ত বাংলা থেকে তোলাবাজি শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি বন্ধ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।” পাশাপাশি, তিনি দিল্লিকেও রাহুলমুক্ত করার ডাক দেন।

এদিকে সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সোমবার ‘অনুপ্রবেশকারী ভাগাও’ স্লোগান তুলে কলকাতার রাজপথে নেমেছে বিজেপি। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সমাবেশ হয়েছে। এখন দুর্নীতি, পরিবারবাদ ও তোষণের রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতেই বিরোধীরা একত্রিত। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে রয়েছে জনতার সমর্থন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।” পাশাপাশি, আরশোলা, ছারপোকা, জামাতি, দিমাগি নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাংদেরও উৎখাতের ডাক দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর হুঙ্কার, “গত ভোটের মতো কলকাতা, হাওড়া পুরনির্বাচনেও বিজেপি বিরোদীদের সাফ করে দেবে।”