১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ২ কার্তিক ১৪৩৩
১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ২ কার্তিক ১৪৩৩

পূজোর সময়ে বাঙালিদের পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ আপের

দেবজিৎ মুখার্জি: দুর্গাপূজোর সময়ে বাঙালিদের পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ আম আদমি পার্টির। দলীয় নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “দিল্লির বাঙালি এবং সিআর পার্কের উপর বেনজিরভাবে হেনস্তা চালাচ্ছে দিল্লির পুলিশ আধিকারিকরা। যেখানে দিল্লিতে সারাদিন সারারাত দোকান খোলা থাকে, মাঝরাত পেরিয়েও রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠান চলে। গতবছর পর্যন্তও রাত ১২টা অবধি দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে মাইক বাজানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার রাত দশটার পরে সব বন্ধ করা হচ্ছে। আমি জানতে চাই, বাঙালিদের সঙ্গে এমন বৈমাতৃসুলভ আচরণ কেন?”

তাঁর আরও অভিযোগ, “বি ব্লকের পুজো প্যান্ডেলে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছে দিল্লি পুলিশের কনস্টেবলরা। নানা জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেটে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। দিল্লির সবচেয়ে শিক্ষিত এবং ভদ্র সমাজের মধ্যে অন্যতম সিআর পার্কের বাঙালিরা। তাহলে এমন ব্যবহার কেন তাঁদের প্রতি?” চোরবাগানের উদাহরণ টেনে সৌরভের বার্তা, “পুজোমণ্ডপ রাত ১২টার পরিবর্তে ১০টায় বন্ধ করে দিলে একসঙ্গে অজস্র মানুষের ভিড় হবে। সেখান থেকে পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।”

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে দিল্লি পুলিশ। এক্স হ্যান্ডেলে তাদের বক্তব্য, “আদালতের নির্দেশানুসারে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতেই কাজ করা হচ্ছে। যারা নিয়ম অমান্য করে জোরে মাইক বাজাছিল, সেটাই আটকানো হয়েছে।” যদিও এই পোস্টের পর সৌরভের কটাক্ষ, “কোনও ভিত্তি নেই দিল্লি পুলিশের কথায়।” যদিও নেটিজেনদের একাংশের মতে, মণ্ডপে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সমস্যা তৈরি করছে তারা। আরেকাংশের বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য রয়েছে বাহিনী।

সর্বাধিক পাঠিত

পূজোর সময়ে বাঙালিদের পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ আপের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পূজোর সময়ে বাঙালিদের পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ আপের

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি: দুর্গাপূজোর সময়ে বাঙালিদের পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ আম আদমি পার্টির। দলীয় নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “দিল্লির বাঙালি এবং সিআর পার্কের উপর বেনজিরভাবে হেনস্তা চালাচ্ছে দিল্লির পুলিশ আধিকারিকরা। যেখানে দিল্লিতে সারাদিন সারারাত দোকান খোলা থাকে, মাঝরাত পেরিয়েও রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠান চলে। গতবছর পর্যন্তও রাত ১২টা অবধি দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে মাইক বাজানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার রাত দশটার পরে সব বন্ধ করা হচ্ছে। আমি জানতে চাই, বাঙালিদের সঙ্গে এমন বৈমাতৃসুলভ আচরণ কেন?”

তাঁর আরও অভিযোগ, “বি ব্লকের পুজো প্যান্ডেলে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছে দিল্লি পুলিশের কনস্টেবলরা। নানা জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেটে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। দিল্লির সবচেয়ে শিক্ষিত এবং ভদ্র সমাজের মধ্যে অন্যতম সিআর পার্কের বাঙালিরা। তাহলে এমন ব্যবহার কেন তাঁদের প্রতি?” চোরবাগানের উদাহরণ টেনে সৌরভের বার্তা, “পুজোমণ্ডপ রাত ১২টার পরিবর্তে ১০টায় বন্ধ করে দিলে একসঙ্গে অজস্র মানুষের ভিড় হবে। সেখান থেকে পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।”

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে দিল্লি পুলিশ। এক্স হ্যান্ডেলে তাদের বক্তব্য, “আদালতের নির্দেশানুসারে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতেই কাজ করা হচ্ছে। যারা নিয়ম অমান্য করে জোরে মাইক বাজাছিল, সেটাই আটকানো হয়েছে।” যদিও এই পোস্টের পর সৌরভের কটাক্ষ, “কোনও ভিত্তি নেই দিল্লি পুলিশের কথায়।” যদিও নেটিজেনদের একাংশের মতে, মণ্ডপে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সমস্যা তৈরি করছে তারা। আরেকাংশের বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য রয়েছে বাহিনী।