২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

নিজের খরচে মনীষীদের মূর্তি সাজান কোচবিহারের ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 61
কোচবিহার: ‘নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’—প্রবাদটির যেন বাস্তব রূপ কোচবিহারের শংকর রায়। পেশায় গাড়িচালক। তবে গত ১২ বছর ধরে নিজের উদ্যোগে, নিজের খরচে কোচবিহারের বিভিন্ন প্রান্তে মনীষীদের মূর্তি পরিষ্কার করে রং-তুলির ছোঁয়ায় নতুন করে সাজিয়ে চলেছেন তিনি। এইভাবেই নীরবে দেশের মহান ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধা জানানোই তাঁর লক্ষ্য।
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬তম জন্মবার্ষিকী। তার আগে কোচবিহারের দুটি পৃথক জায়গায় থাকা বিদ্যাসাগরের মূর্তি নিজের হাতে পরিষ্কার ও রং করে ফুটিয়ে তুলেছেন শংকর। মূর্তির পাশাপাশি আশপাশের গাছপালা ও এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতেও দেখা যায় তাঁকে।
শুধু মূর্তি পরিষ্কার বা রং করাই নয়, প্রতি বছর বিদ্যাসাগরের জন্মদিনে নিজের উদ্যোগে ছোট ছোট শিশুদের হাতে বই তুলে দেন শংকর। জন্মদিন ও প্রয়াণ দিবস উপলক্ষেও মূর্তিতে রং করেন তিনি। প্রায় প্রতি মাসেই মূর্তি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। এই কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন তাঁর ছোট ভাই চিরঞ্জিত মৈত্র।
শংকরের কথায়, “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আমাদের দেশের গর্ব, বাংলার গর্ব। এই মহান মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। তাই রং-তুলির মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে যেতে চাই।”
কোচবিহারের এই ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’-এর নীরব উদ্যোগে মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক অন্যরকম নজির তৈরি হয়েছে।

রাজধানীতে ‘জ্ঞানেশ হটাও’ মিছিলের ডাক

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিজের খরচে মনীষীদের মূর্তি সাজান কোচবিহারের ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
কোচবিহার: ‘নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’—প্রবাদটির যেন বাস্তব রূপ কোচবিহারের শংকর রায়। পেশায় গাড়িচালক। তবে গত ১২ বছর ধরে নিজের উদ্যোগে, নিজের খরচে কোচবিহারের বিভিন্ন প্রান্তে মনীষীদের মূর্তি পরিষ্কার করে রং-তুলির ছোঁয়ায় নতুন করে সাজিয়ে চলেছেন তিনি। এইভাবেই নীরবে দেশের মহান ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধা জানানোই তাঁর লক্ষ্য।
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬তম জন্মবার্ষিকী। তার আগে কোচবিহারের দুটি পৃথক জায়গায় থাকা বিদ্যাসাগরের মূর্তি নিজের হাতে পরিষ্কার ও রং করে ফুটিয়ে তুলেছেন শংকর। মূর্তির পাশাপাশি আশপাশের গাছপালা ও এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতেও দেখা যায় তাঁকে।
শুধু মূর্তি পরিষ্কার বা রং করাই নয়, প্রতি বছর বিদ্যাসাগরের জন্মদিনে নিজের উদ্যোগে ছোট ছোট শিশুদের হাতে বই তুলে দেন শংকর। জন্মদিন ও প্রয়াণ দিবস উপলক্ষেও মূর্তিতে রং করেন তিনি। প্রায় প্রতি মাসেই মূর্তি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। এই কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন তাঁর ছোট ভাই চিরঞ্জিত মৈত্র।
শংকরের কথায়, “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আমাদের দেশের গর্ব, বাংলার গর্ব। এই মহান মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। তাই রং-তুলির মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে যেতে চাই।”
কোচবিহারের এই ‘বাইক অক্সিজেন ম্যান’-এর নীরব উদ্যোগে মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক অন্যরকম নজির তৈরি হয়েছে।