২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

বাঘের ডেরায় ভক্তির ঢল, ১৬ কিমি পদযাত্রায় লক্ষাধিক পুণ্যার্থী

হাসান লস্কর, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবনের নদী-খাল আর জঙ্গলে ঘেরা জনপদে দেখা গেল ভক্তি ও বিশ্বাসের অপূর্ব মিলনচিত্র। কৈখালীর রামকৃষ্ণ আশ্রম ঘাট থেকে পবিত্র জল সংগ্রহ করে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কুলতলীর জালাবেড়িয়ার রামেশ্বর মন্দিরে পৌঁছলেন লক্ষাধিক পুণ্যার্থী। সেখানে শিবলিঙ্গে জল অর্পণের মধ্য দিয়ে পালিত হল জলাভিষেক যাত্রার ১৯তম বর্ষ।
ভোর থেকেই কৈখালী ঘাটে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করে। গেরুয়া পতাকা, কাঁধে বাঁক, জলভর্তি কলস এবং ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশ নেন এই পদযাত্রায়। বৃষ্টি, কাদা ও দীর্ঘ পথের ক্লান্তি উপেক্ষা করেই এগিয়ে চলেন ভক্তরা।
পথে পুণ্যার্থীদের জন্য পানীয় জল, শরবত ও খাবারের ব্যবস্থা করেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। ভিড় সামলাতে পুলিশ ও প্রশাসনের পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কর্মীরাও তৎপর ছিলেন। নদীর ঘাটগুলিতেও ছিল বাড়তি নিরাপত্তা।
সুসজ্জিত শিবের মূর্তি ও ধর্মীয় শোভাযাত্রা ছিল বিশেষ আকর্ষণ। জালাবেড়িয়ায় পৌঁছে রামেশ্বর মন্দিরে জল অর্পণের মাধ্যমে শেষ হয় দীর্ঘ পদযাত্রা। ১৯ বছরের এই আয়োজন এবারও পরিণত হয় ভক্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের মিলনমেলায়।

৩৫ বছর পর বিধায়কের পা পড়ল কাঁকসার জামদহে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঘের ডেরায় ভক্তির ঢল, ১৬ কিমি পদযাত্রায় লক্ষাধিক পুণ্যার্থী

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার
হাসান লস্কর, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবনের নদী-খাল আর জঙ্গলে ঘেরা জনপদে দেখা গেল ভক্তি ও বিশ্বাসের অপূর্ব মিলনচিত্র। কৈখালীর রামকৃষ্ণ আশ্রম ঘাট থেকে পবিত্র জল সংগ্রহ করে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কুলতলীর জালাবেড়িয়ার রামেশ্বর মন্দিরে পৌঁছলেন লক্ষাধিক পুণ্যার্থী। সেখানে শিবলিঙ্গে জল অর্পণের মধ্য দিয়ে পালিত হল জলাভিষেক যাত্রার ১৯তম বর্ষ।
ভোর থেকেই কৈখালী ঘাটে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করে। গেরুয়া পতাকা, কাঁধে বাঁক, জলভর্তি কলস এবং ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশ নেন এই পদযাত্রায়। বৃষ্টি, কাদা ও দীর্ঘ পথের ক্লান্তি উপেক্ষা করেই এগিয়ে চলেন ভক্তরা।
পথে পুণ্যার্থীদের জন্য পানীয় জল, শরবত ও খাবারের ব্যবস্থা করেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। ভিড় সামলাতে পুলিশ ও প্রশাসনের পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কর্মীরাও তৎপর ছিলেন। নদীর ঘাটগুলিতেও ছিল বাড়তি নিরাপত্তা।
সুসজ্জিত শিবের মূর্তি ও ধর্মীয় শোভাযাত্রা ছিল বিশেষ আকর্ষণ। জালাবেড়িয়ায় পৌঁছে রামেশ্বর মন্দিরে জল অর্পণের মাধ্যমে শেষ হয় দীর্ঘ পদযাত্রা। ১৯ বছরের এই আয়োজন এবারও পরিণত হয় ভক্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের মিলনমেলায়।