০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারকে কি এবার সি বি আই গ্রেফতার করবে?

আনজুম মুনির, হুগলি: তৃণমূলের নেতারা এখন মহা সংকটে। একদিকে ঘর থেকে বের হলেই ডিম থেরাপি, অন্যদিকে পুলিশের ভয়। এমনই এক গভীর সন্ত্রস্ত চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। রাজ্যে পালাবদলের পর দুর্নীতি, তোলাবাজির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন। তখন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারকে বাড়ি বয়ে এসে সতর্ক করে গেলেন অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে এসে তিনি জানান, অসিতের বিরুদ্ধে অভিযোগের ফাইল গিয়েছে দিল্লিতে। অসিতকে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন ওই ব্যক্তি। তবে নিজের নাম ও পরিচয় জানাননি। শুধু জানান, তিনি সিবিআই অফিসে কাজ করেন। ওই ব্যক্তি কে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর দলের জেলা সভাপতির দায়িত্ব অসিতের কাঁধে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রাক্তন বিধায়ক। এই অবস্থায় শনিবার (২৭ জুন) অসিতের বাড়ি আসেন ওই ব্যক্তি। প্রাক্তন বিধায়ককে সাবধান করে যান। এরপর এদিন সকালে ফের ওই ব্যক্তি প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আসেন। অসিত তাঁর নাম ও ফোন নম্বর জানতেই চাওয়ার পরই দ্রুত চলে যান।

প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “গত ২৭ জুন আমার বাড়িতে আসে ওই ব্যক্তি। বলে, আপনার ফাইল দিল্লি যাচ্ছে, আপনি সিবিআইয়ের ডিরেক্টর ও ডেপুটি ডিরেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমি আপনাকে দিল্লি নিয়ে যাব। আমি তখন বলি, আমি এখন যেতে পারব না। তখন বলল, তাহলে আপনি পালিয়ে যান। ওই ব্যক্তির নাম ও ফোন নম্বর চাই। তখন বলে, আমি নাম ও নম্বর দেব না। আপনি চিন্তা করুন। আমি আবার পরে আসব। বলে আজ সকালে আবার আসে। বলে, আপনি দিল্লিতে যোগাযোগ করেছেন। আমি বলি, না। ওই ব্যক্তি কী করে, আমি জানতে চাই। তখন বলে, আমি সিবিআই অফিসে কাজ করি। কিন্তু, নাম ও ফোন নম্বর দিতে চায়নি। তড়িঘড়ি পালিয়ে যায়।”

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারকে কি এবার সি বি আই গ্রেফতার করবে?

আপডেট : ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার

আনজুম মুনির, হুগলি: তৃণমূলের নেতারা এখন মহা সংকটে। একদিকে ঘর থেকে বের হলেই ডিম থেরাপি, অন্যদিকে পুলিশের ভয়। এমনই এক গভীর সন্ত্রস্ত চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। রাজ্যে পালাবদলের পর দুর্নীতি, তোলাবাজির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন। তখন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারকে বাড়ি বয়ে এসে সতর্ক করে গেলেন অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে এসে তিনি জানান, অসিতের বিরুদ্ধে অভিযোগের ফাইল গিয়েছে দিল্লিতে। অসিতকে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন ওই ব্যক্তি। তবে নিজের নাম ও পরিচয় জানাননি। শুধু জানান, তিনি সিবিআই অফিসে কাজ করেন। ওই ব্যক্তি কে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর দলের জেলা সভাপতির দায়িত্ব অসিতের কাঁধে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রাক্তন বিধায়ক। এই অবস্থায় শনিবার (২৭ জুন) অসিতের বাড়ি আসেন ওই ব্যক্তি। প্রাক্তন বিধায়ককে সাবধান করে যান। এরপর এদিন সকালে ফের ওই ব্যক্তি প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আসেন। অসিত তাঁর নাম ও ফোন নম্বর জানতেই চাওয়ার পরই দ্রুত চলে যান।

প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “গত ২৭ জুন আমার বাড়িতে আসে ওই ব্যক্তি। বলে, আপনার ফাইল দিল্লি যাচ্ছে, আপনি সিবিআইয়ের ডিরেক্টর ও ডেপুটি ডিরেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমি আপনাকে দিল্লি নিয়ে যাব। আমি তখন বলি, আমি এখন যেতে পারব না। তখন বলল, তাহলে আপনি পালিয়ে যান। ওই ব্যক্তির নাম ও ফোন নম্বর চাই। তখন বলে, আমি নাম ও নম্বর দেব না। আপনি চিন্তা করুন। আমি আবার পরে আসব। বলে আজ সকালে আবার আসে। বলে, আপনি দিল্লিতে যোগাযোগ করেছেন। আমি বলি, না। ওই ব্যক্তি কী করে, আমি জানতে চাই। তখন বলে, আমি সিবিআই অফিসে কাজ করি। কিন্তু, নাম ও ফোন নম্বর দিতে চায়নি। তড়িঘড়ি পালিয়ে যায়।”