বামনহাট: বামনহাটের অদূরে পাথরসন এলাকায় শনিবার ভোরে রেললাইনের পাশ থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আহত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ বর্মন (প্রায় ৩০)। তিনি বামনহাট দক্ষিণ লাউচাপড়ার হরিটপাট এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম পয়াতু বর্মন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ পাথরসন এলাকায় রেললাইনের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় বিশ্বজিৎকে। প্রতিদিনের মতো এদিনও সকাল ৫টার দিকে বামনহাট থেকে শিলিগুড়িগামী একটি ডিএমইউ (DMU) প্যাসেঞ্জার ট্রেন রওনা দেয়। ট্রেনটি এলাকা অতিক্রম করার কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করেন।
ঘটনার পরপরই এলাকাবাসীর তৎপরতায় তাঁকে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে খাবার খাওয়ার পর বিশ্বজিৎ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি বাড়িতে ফিরেছিলেন কি না, সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত নন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তিনি কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি বা চিকিৎসাগত নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।
প্রাথমিকভাবে এলাকায় আত্মহত্যার চেষ্টার জল্পনা ছড়ালেও, এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণে ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনায় বিশ্বজিতের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।
নতুন গতি 



















