৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“শিশুদের নো টিকাকরণ, নো অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা”: অগ্নিমিত্রা পাল

আনজুম মুনির, কলকাতা: শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গেছে অন্নপূর্ণা যোজনা ভাতার কাজ। ১২ পৃষ্ঠার ফর্ম ফিলাপ করেই এই ভাতা মিলবে। অনলাইন-অফলাইন দুই উপায়ে ফর্ম ফিল-আপ করা যাচ্ছে। যদিও এই ফর্মকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সর্বত্র। মোট ১২ পাতার ফর্ম। চাওয়া হয়েছে একাধিক তথ্য। যেমন, জন্ম তারিখ, আধারের মতো সাধারণ তথ্যের পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পরিবারের যাবতীয় তথ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও ফর্মে রয়েছে।

কিন্তু, ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে একাধিক প্রশ্নও উঠছে। যেমন, ফর্মের ৯ নম্বর পাতায় দেখা গিয়েছে পরিবারে শিশুদেরও তথ্য চাওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় ওই শিশুদের টিকাকরণ স্ট্যাটাস সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেখানেই প্রশ্ন উঠছে অন্নপূর্ণা যোজনার সঙ্গে বাচ্চাদের টিকাকরণ কেন যুক্ত করা হল। আর এই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

অগ্নিমিত্রা পালের স্পষ্ট ইঙ্গিত, নিয়ম মেনে শিশুদের টিকাকরণ না করানো হলে ভাতাও দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পল বলেন,”শিশুদের টিকা নিতে বলা হয়েছে। সরকারের দেওয়া ভ্যাকসিন আপনাদের সন্তানদের দিয়েছেন কি না আমাদের জানতে হবে। ভ্যাকসিন না নিলে বুঝতে হবে সরকারের কথা আপনার কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাহলে সরকারের থেকে আপনি ৩ হাজার টাকাটা, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারটাই বা নিচ্ছেন কেন?”

শিশুরা কোন স্কুলে পড়ে, সেই বিষয়েও তথ্য দিতে হবে। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, খারিজি মাদ্রাসায় সন্তান পড়লে টাকা পাবেন না। কারণ খারিজি মাদ্রাসা সরকার অনুমোদন করে না। অর্থাৎ অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকারি নির্দেশ না মানলে অন্নপূর্ণার ভাতা পাওয়া যাবে না। সব বিষয় খতিয়ে দেখেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া হবে।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“শিশুদের নো টিকাকরণ, নো অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা”: অগ্নিমিত্রা পাল

আপডেট : ৩১ মে ২০২৬, রবিবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গেছে অন্নপূর্ণা যোজনা ভাতার কাজ। ১২ পৃষ্ঠার ফর্ম ফিলাপ করেই এই ভাতা মিলবে। অনলাইন-অফলাইন দুই উপায়ে ফর্ম ফিল-আপ করা যাচ্ছে। যদিও এই ফর্মকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সর্বত্র। মোট ১২ পাতার ফর্ম। চাওয়া হয়েছে একাধিক তথ্য। যেমন, জন্ম তারিখ, আধারের মতো সাধারণ তথ্যের পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পরিবারের যাবতীয় তথ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও ফর্মে রয়েছে।

কিন্তু, ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে একাধিক প্রশ্নও উঠছে। যেমন, ফর্মের ৯ নম্বর পাতায় দেখা গিয়েছে পরিবারে শিশুদেরও তথ্য চাওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় ওই শিশুদের টিকাকরণ স্ট্যাটাস সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেখানেই প্রশ্ন উঠছে অন্নপূর্ণা যোজনার সঙ্গে বাচ্চাদের টিকাকরণ কেন যুক্ত করা হল। আর এই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

অগ্নিমিত্রা পালের স্পষ্ট ইঙ্গিত, নিয়ম মেনে শিশুদের টিকাকরণ না করানো হলে ভাতাও দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পল বলেন,”শিশুদের টিকা নিতে বলা হয়েছে। সরকারের দেওয়া ভ্যাকসিন আপনাদের সন্তানদের দিয়েছেন কি না আমাদের জানতে হবে। ভ্যাকসিন না নিলে বুঝতে হবে সরকারের কথা আপনার কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাহলে সরকারের থেকে আপনি ৩ হাজার টাকাটা, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারটাই বা নিচ্ছেন কেন?”

শিশুরা কোন স্কুলে পড়ে, সেই বিষয়েও তথ্য দিতে হবে। এই বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, খারিজি মাদ্রাসায় সন্তান পড়লে টাকা পাবেন না। কারণ খারিজি মাদ্রাসা সরকার অনুমোদন করে না। অর্থাৎ অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকারি নির্দেশ না মানলে অন্নপূর্ণার ভাতা পাওয়া যাবে না। সব বিষয় খতিয়ে দেখেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া হবে।