২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পুরুলিয়ায় বুলডোজার অভিযান, জবরদখল উচ্ছেদে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ

আনজুম মুনির, পুরুলিয়া: বুলডোজার দিয়ে সাফাই করা হলো জবরদখল। আদালত চত্বর থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। রবিবার সকাল থেকেই বুলডোজার নিয়ে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। গোটা এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের আগে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল দখলদারদের। নোটিস দেওয়া হয়, মাইকিং করা হয় এবং স্বেচ্ছায় জায়গা খালি করার জন্য সময়ও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করায় শেষ পর্যন্ত বুলডোজার নামাতে বাধ্য হয় প্রশাসন। এদিন সকাল থেকেই কোর্ট চত্বর থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এলাকায় শুরু হয় অভিযান। একের পর এক দোকান ও অবৈধ কাঠামো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

অভিযান ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। বহু মানুষ দাঁড়িয়ে এই অভিযান প্রত্যক্ষ করেন। স্থানীয় মহলের একাংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভও দেখা গিয়েছে। তবে প্রশাসনের স্পষ্ট বার্তা, সরকারি জমি বা রাস্তা দখল করে কোনওভাবেই ব্যবসা চালাতে দেওয়া হবে না।

ঈদের দিন যাদবপুরে ‘সাভারকর জয়ন্তী’ পালন করতে চলেছে এবিভিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুরুলিয়ায় বুলডোজার অভিযান, জবরদখল উচ্ছেদে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ

আপডেট : ২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির, পুরুলিয়া: বুলডোজার দিয়ে সাফাই করা হলো জবরদখল। আদালত চত্বর থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। রবিবার সকাল থেকেই বুলডোজার নিয়ে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। গোটা এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের আগে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল দখলদারদের। নোটিস দেওয়া হয়, মাইকিং করা হয় এবং স্বেচ্ছায় জায়গা খালি করার জন্য সময়ও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করায় শেষ পর্যন্ত বুলডোজার নামাতে বাধ্য হয় প্রশাসন। এদিন সকাল থেকেই কোর্ট চত্বর থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এলাকায় শুরু হয় অভিযান। একের পর এক দোকান ও অবৈধ কাঠামো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

অভিযান ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। বহু মানুষ দাঁড়িয়ে এই অভিযান প্রত্যক্ষ করেন। স্থানীয় মহলের একাংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভও দেখা গিয়েছে। তবে প্রশাসনের স্পষ্ট বার্তা, সরকারি জমি বা রাস্তা দখল করে কোনওভাবেই ব্যবসা চালাতে দেওয়া হবে না।