২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

২০২৩ সাল থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছে রাকিবুল

আনজুম মুনির, মুর্শিদাবাদ: ভয়ঙ্কর দুর্নীতি। বলা যায়, সীমাহীন দুর্নীতি। লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে দুর্নীতির সীমা ছাড়িয়েছে। তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিয়ে পুরুষেরাও পাচ্ছে লক্ষ্মীর ভান্ডার।

রাকিবুলের বাড়ি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। সেখানে রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। শুধু তিনি নন, তাঁর স্ত্রীও তাঁর সঙ্গেই এতদিন পেয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা। দুজনেই আবার রয়েছে এসআইআরের বিচারাধীন তালিকায়। ফলে কেউই ভোট দিতে পারেননি। রাকিবুল পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী। যদিও এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা নেওয়ায় কোনও ‘ভুল’ দেখছেন না তিনি। তাঁর সাফ কথা, বিগত সরকার দুর্নীতির সরকার ছিল, তাই আমরা সুবিধা নিয়েছি।

২০২৩ সাল থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পাচ্ছিলেন রাকিবুল। বলছেন, “আমি নিজেও জানতাম না কীভাবে টাকা ঢুকছে। বিডিও অফিসেও গিয়েছিলাম। কেউ পাত্তা দেয়নি। তারপর যখন টাকা ঢুকতেই থাকে, তখন বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলি। পরামর্শ নিয়েছিলাম। ওরা বলল ঢুকছে যখন ঢুকক, অসুবিধা নেই তো!” কিন্তু জেনে বুঝেও কেন মুখ বন্ধ করে রাখলেন? উত্তরে অকপটেই রফিকুল আঙুল তুললেন তৃণমূল জমানার দিকে। সুর চড়ালেন তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়ে। তাঁর সাফ কথা, “আমার নাম হয়তো জড়িয়ে গিয়েছে, কিন্তু যাচাই করলে দেখা যাবে ওই সরকারের আমলে প্রত্যেকে দুর্নীতি করেছে।”

ঈদের দিন যাদবপুরে ‘সাভারকর জয়ন্তী’ পালন করতে চলেছে এবিভিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২০২৩ সাল থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছে রাকিবুল

আপডেট : ২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির, মুর্শিদাবাদ: ভয়ঙ্কর দুর্নীতি। বলা যায়, সীমাহীন দুর্নীতি। লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে দুর্নীতির সীমা ছাড়িয়েছে। তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিয়ে পুরুষেরাও পাচ্ছে লক্ষ্মীর ভান্ডার।

রাকিবুলের বাড়ি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। সেখানে রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। শুধু তিনি নন, তাঁর স্ত্রীও তাঁর সঙ্গেই এতদিন পেয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা। দুজনেই আবার রয়েছে এসআইআরের বিচারাধীন তালিকায়। ফলে কেউই ভোট দিতে পারেননি। রাকিবুল পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী। যদিও এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা নেওয়ায় কোনও ‘ভুল’ দেখছেন না তিনি। তাঁর সাফ কথা, বিগত সরকার দুর্নীতির সরকার ছিল, তাই আমরা সুবিধা নিয়েছি।

২০২৩ সাল থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পাচ্ছিলেন রাকিবুল। বলছেন, “আমি নিজেও জানতাম না কীভাবে টাকা ঢুকছে। বিডিও অফিসেও গিয়েছিলাম। কেউ পাত্তা দেয়নি। তারপর যখন টাকা ঢুকতেই থাকে, তখন বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলি। পরামর্শ নিয়েছিলাম। ওরা বলল ঢুকছে যখন ঢুকক, অসুবিধা নেই তো!” কিন্তু জেনে বুঝেও কেন মুখ বন্ধ করে রাখলেন? উত্তরে অকপটেই রফিকুল আঙুল তুললেন তৃণমূল জমানার দিকে। সুর চড়ালেন তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়ে। তাঁর সাফ কথা, “আমার নাম হয়তো জড়িয়ে গিয়েছে, কিন্তু যাচাই করলে দেখা যাবে ওই সরকারের আমলে প্রত্যেকে দুর্নীতি করেছে।”