৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দীর্ঘ ১০ বছর পর বিরাট আইনি জয় জনইয়ের দাস পরিবারের

সেখ আব্দুল আজিম, চন্ডীতলা: অবশেষে দীর্ঘ ১০ বছর পর ন্যায় বিচার পেল জনাইয়ের দাস পরিবার। ঘটনা সম্পর্কে জানা যায় ২০১৫ সালে জনাইয়ের একটি সরকারি ব্যাংকের সন্নিকটে একটি মিষ্টির দোকান রমা মাজী কে ভাড়া দিয়েছিল এই দাস পরিবার। পরবর্তীকালে দোকানের ন্যায্য ভাড়া দিতে অস্বীকার করে জবরদখলভাবে দোকান আত্মসাৎ করার চেষ্টা করে এমনই অভিযোগ এই ভাড়াটের বিরুদ্ধে। পরবর্তীকালে কেস গড়ায় শ্রীরামপুর আদালতে তারপর থেকে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চলতে থাকে। অবশেষে ৪নভেম্বরে শ্রীরামপুরের সিভিল ডিভিশন জুনিয়ার জর্জ কোর্ট রায় দেন ২৪ শে নভেম্বর বেলা বারোটার ভেতর দোকান খালি করে দেওয়ার জন্য এবং প্রকৃত মালিক অর্থাৎ অসীম কুমার দাস কে তার দোকান ফিরিয়ে দেবার জন্য। যথারীতি সকাল সাড়ে দশটার সময় কোর্ট নিযুক্ত অফিসাররা আসেন এবং তাদের দোকান খালি করার জন্য অনুরোধ করেন।পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান জনাই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রজতাভ রায় সহ এলাকার একাধিক জনপ্রতিনিধিরা। ঘড়ির কাটায় ঠিক বেলা বারোটার পর জেসিবি দিয়ে দোকান খালি করা হয় এবং প্রকৃত মালিকের হাতে দোকান হস্তান্তরিত করেন কোর্ট নিযুক্ত অফিসাররা। গোটা আইনি প্রক্রিয়ায় পরিবারের পাশে থাকেন আইনজীবী অভিজয় মিত্র।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দীর্ঘ ১০ বছর পর বিরাট আইনি জয় জনইয়ের দাস পরিবারের

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, বুধবার

সেখ আব্দুল আজিম, চন্ডীতলা: অবশেষে দীর্ঘ ১০ বছর পর ন্যায় বিচার পেল জনাইয়ের দাস পরিবার। ঘটনা সম্পর্কে জানা যায় ২০১৫ সালে জনাইয়ের একটি সরকারি ব্যাংকের সন্নিকটে একটি মিষ্টির দোকান রমা মাজী কে ভাড়া দিয়েছিল এই দাস পরিবার। পরবর্তীকালে দোকানের ন্যায্য ভাড়া দিতে অস্বীকার করে জবরদখলভাবে দোকান আত্মসাৎ করার চেষ্টা করে এমনই অভিযোগ এই ভাড়াটের বিরুদ্ধে। পরবর্তীকালে কেস গড়ায় শ্রীরামপুর আদালতে তারপর থেকে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চলতে থাকে। অবশেষে ৪নভেম্বরে শ্রীরামপুরের সিভিল ডিভিশন জুনিয়ার জর্জ কোর্ট রায় দেন ২৪ শে নভেম্বর বেলা বারোটার ভেতর দোকান খালি করে দেওয়ার জন্য এবং প্রকৃত মালিক অর্থাৎ অসীম কুমার দাস কে তার দোকান ফিরিয়ে দেবার জন্য। যথারীতি সকাল সাড়ে দশটার সময় কোর্ট নিযুক্ত অফিসাররা আসেন এবং তাদের দোকান খালি করার জন্য অনুরোধ করেন।পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান জনাই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রজতাভ রায় সহ এলাকার একাধিক জনপ্রতিনিধিরা। ঘড়ির কাটায় ঠিক বেলা বারোটার পর জেসিবি দিয়ে দোকান খালি করা হয় এবং প্রকৃত মালিকের হাতে দোকান হস্তান্তরিত করেন কোর্ট নিযুক্ত অফিসাররা। গোটা আইনি প্রক্রিয়ায় পরিবারের পাশে থাকেন আইনজীবী অভিজয় মিত্র।