২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

কাঁকরতলা এলাকায় বালিঘাটের দখল নিয়ে বোমাবাজিতে উড়ল ১ ব্যক্তির পা

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

খয়রাশোলের কাঁকরতলা এলাকার জামালপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বোমাবাজিতে উড়ল একজনের পা।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এক সভা থেকে বীরভূমের প্রতি একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন। বীরভূম জেলায় সবচেয়ে বেশি অবৈধ বালিঘাট চলছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন কড়া নজরদারি এবং অভিযান চালাতে থাকে। মঙ্গলবার সকালে খয়রাশোল ব্লকের পারশুন্ডী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জামালপুরে বালিঘাটের দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি হয় । বোমার আঘাতে সেখ সাত্তার আলি(৪৫) নামে এক তৃণমূলকমীর একটা পা উড়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে । তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে এদিন অজয় নদী ঘাট এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় । মুড়ি মুড়কির মতো ফাটে বোমা। জামালপুর গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে বালির বখরা নিয়ে মূলতঃ ঝামেলা বলে সূত্রের খবর। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে চলা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের মতো এখানেও গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব চরম আকার নেয় । যার ফলে দীর্ঘ কয়েক বছর পর খয়রাশোল এলাকা ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে খবর সোমবার থেকে বালির ট্রাকগুলো আটকে রাখে একপক্ষ। এনিয়ে ঝামেলার আশঙ্কা থাকলেও স্থানীয় থানার পুলিশ হস্তক্ষেপ না করার জন্য এইরূপ ঘটনা ঘটে বলে এলাকার মানুষের বক্তব্য। দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, “বিধানসভায় অবৈধ বালি বন্ধের জন্য বলা হলেও প্রশাসন কোনোভাবে কর্নপাত করে নি। কেষ্ট বনাম কাজল গোষ্ঠীর মধ্যে বালির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা ঘটল।
এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ প্রশাসনের উচিত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তি দেওয়া, পাশাপাশি অবৈধ বালি চালান বন্ধ করা ।
তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন জেলায় কোনভাবে অবৈধ বালিঘাট চলবে না। কোনরকম অনিয়ম হলেই পুলিশ অ্যারেস্ট করবে।
জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন বীরভূম জেলায় পুলিশ প্রশাসন খুবই সক্রিয় আছে। জেলায় কোন এরিয়াতে কোন অন্যায় অবিচার হবে না, হতে দেবো না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন কোন রকম ভাবে অবৈধ বালিঘাট, ওভারলোডিং, দুনম্বরী কয়লা চলবে না।

 

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কাঁকরতলা এলাকায় বালিঘাটের দখল নিয়ে বোমাবাজিতে উড়ল ১ ব্যক্তির পা

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, বুধবার

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

খয়রাশোলের কাঁকরতলা এলাকার জামালপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বোমাবাজিতে উড়ল একজনের পা।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এক সভা থেকে বীরভূমের প্রতি একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন। বীরভূম জেলায় সবচেয়ে বেশি অবৈধ বালিঘাট চলছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন কড়া নজরদারি এবং অভিযান চালাতে থাকে। মঙ্গলবার সকালে খয়রাশোল ব্লকের পারশুন্ডী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জামালপুরে বালিঘাটের দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি হয় । বোমার আঘাতে সেখ সাত্তার আলি(৪৫) নামে এক তৃণমূলকমীর একটা পা উড়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে । তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে এদিন অজয় নদী ঘাট এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় । মুড়ি মুড়কির মতো ফাটে বোমা। জামালপুর গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে বালির বখরা নিয়ে মূলতঃ ঝামেলা বলে সূত্রের খবর। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে চলা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের মতো এখানেও গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব চরম আকার নেয় । যার ফলে দীর্ঘ কয়েক বছর পর খয়রাশোল এলাকা ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে খবর সোমবার থেকে বালির ট্রাকগুলো আটকে রাখে একপক্ষ। এনিয়ে ঝামেলার আশঙ্কা থাকলেও স্থানীয় থানার পুলিশ হস্তক্ষেপ না করার জন্য এইরূপ ঘটনা ঘটে বলে এলাকার মানুষের বক্তব্য। দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, “বিধানসভায় অবৈধ বালি বন্ধের জন্য বলা হলেও প্রশাসন কোনোভাবে কর্নপাত করে নি। কেষ্ট বনাম কাজল গোষ্ঠীর মধ্যে বালির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা ঘটল।
এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ প্রশাসনের উচিত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তি দেওয়া, পাশাপাশি অবৈধ বালি চালান বন্ধ করা ।
তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন জেলায় কোনভাবে অবৈধ বালিঘাট চলবে না। কোনরকম অনিয়ম হলেই পুলিশ অ্যারেস্ট করবে।
জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন বীরভূম জেলায় পুলিশ প্রশাসন খুবই সক্রিয় আছে। জেলায় কোন এরিয়াতে কোন অন্যায় অবিচার হবে না, হতে দেবো না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন কোন রকম ভাবে অবৈধ বালিঘাট, ওভারলোডিং, দুনম্বরী কয়লা চলবে না।