২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

কালা দিবসে শান্তি প্রার্থনা

সংবাদদাতা : ৬ডিসেম্বর,শুক্রবার হুগলির বৈদ্যবাটি চৌমাথা ভাই ভাই সংঘ ক্লাব প্রাঙ্গণে কালা দিবস পালিত করলো অলবেঙ্গল মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন এর উদ্যোগে ও শান্তিকামী মানুষ জনের সহযোগিতায়। অলবেঙ্গল মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি ও ফুরফুরা শরীফের ভুমি পুত্র আবু আফজাল জিন্না নাতিদীর্ঘ বক্তব্যে বলেন,1992 সালের 6 ই ডিসেম্বর প্রায় আজ থেকে তেত্রিশ বছর পূর্বে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা হয়েছিল।সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার জানামতে মসজিদ, মন্দির , গির্জা কখনো অবৈধ জায়গায় গড়ে ওঠেনা।কিন্তু বজরং দল আরো কিছু কট্টর পন্থি মানুষরাই এমন কান্ড ঘটিয়েছিল।লিবারহান কমিশনের রিপোর্ট কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেনতেন প্রকারনে সংবিধান কে উপেক্ষা করে বিচার হলো।এ দিন টা আমাদের কাছে দুংখের । মন্দির, মসজিদ, গির্জা ইত্যাদি প্রত্যেক ধর্মের মানুষের কাছে পবিত্র স্থান। সুতরাং মসজিদ, মন্দির, গির্জার উপর জারায় আক্রমণ করে তারা অন্ততঃ মানুষ্যজাতি বলে বিবেচিত নয়।,সেদিনে বহু মানুষ শহীদ হয়েছিল তাদের জন্য দোয়া করা হয়।একটা অংশ দেশের মধ্যে অশান্তি করতে চাইছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে। সমস্ত ধর্মের মানুষ মিলেমিশে সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে চলুক।এটাই আমরা কামনা করি। উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবি মহাম্মদ জুনজুন, মহাম্মদ সাজাহান, সেখ মহাম্মদ রাজ , আরো অনেকে। দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করে সমাপ্ত করা হয়।π।[√ খবরটা কভার দেওয়ার জন্য দিলাম।]√

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কালা দিবসে শান্তি প্রার্থনা

আপডেট : ৭ ডিসেম্বর ২০২৪, শনিবার

সংবাদদাতা : ৬ডিসেম্বর,শুক্রবার হুগলির বৈদ্যবাটি চৌমাথা ভাই ভাই সংঘ ক্লাব প্রাঙ্গণে কালা দিবস পালিত করলো অলবেঙ্গল মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন এর উদ্যোগে ও শান্তিকামী মানুষ জনের সহযোগিতায়। অলবেঙ্গল মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি ও ফুরফুরা শরীফের ভুমি পুত্র আবু আফজাল জিন্না নাতিদীর্ঘ বক্তব্যে বলেন,1992 সালের 6 ই ডিসেম্বর প্রায় আজ থেকে তেত্রিশ বছর পূর্বে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা হয়েছিল।সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার জানামতে মসজিদ, মন্দির , গির্জা কখনো অবৈধ জায়গায় গড়ে ওঠেনা।কিন্তু বজরং দল আরো কিছু কট্টর পন্থি মানুষরাই এমন কান্ড ঘটিয়েছিল।লিবারহান কমিশনের রিপোর্ট কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেনতেন প্রকারনে সংবিধান কে উপেক্ষা করে বিচার হলো।এ দিন টা আমাদের কাছে দুংখের । মন্দির, মসজিদ, গির্জা ইত্যাদি প্রত্যেক ধর্মের মানুষের কাছে পবিত্র স্থান। সুতরাং মসজিদ, মন্দির, গির্জার উপর জারায় আক্রমণ করে তারা অন্ততঃ মানুষ্যজাতি বলে বিবেচিত নয়।,সেদিনে বহু মানুষ শহীদ হয়েছিল তাদের জন্য দোয়া করা হয়।একটা অংশ দেশের মধ্যে অশান্তি করতে চাইছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে। সমস্ত ধর্মের মানুষ মিলেমিশে সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে চলুক।এটাই আমরা কামনা করি। উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবি মহাম্মদ জুনজুন, মহাম্মদ সাজাহান, সেখ মহাম্মদ রাজ , আরো অনেকে। দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করে সমাপ্ত করা হয়।π।[√ খবরটা কভার দেওয়ার জন্য দিলাম।]√