২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ওসির প্রচেষ্টায় শেষমেষ বাড়িতে ফিরলো মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক

আজিজুর রহমান,গলসি : চারবছর পরে বাড়িতে ফিরলো গলসিতে থাকা এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক। তার নাম রাজা রায়, তিনি আসাম এর গোলাঘাট জেলার দেড়গাঁও থানার নেকরেটিংটেকলার বাসিন্দা। আর তাকে বাড়ি ফেরানোর কাজে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন গলসি ওসি অরুন কুমার সোম। ওই কাজের পর থেকেই এলাকার বিভিন্ন হোয়াটস আপ গ্রুপে প্রসংশিত হচ্ছেন ওসি। সিআই শৈলেন্দ্রনাথ উপাধ্যায় জানান, সপ্তাহখানেক আগে গলসি নাগরিক সমাজ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আসামের বাসিন্দা রাজা রায়ের একটি ছবি ও নাম দিয়ে ওসির কাছে বাড়ি ফেরানোর আবেদন রাখা হয়। সেই পোস্ট দেখে ওসি অরুন বাবু ছেলেটিকে থানায় আনেন। তার খাওয়া ও চিকিৎসা করান। তারপরেই বিভিন্ন ভাবে তার কাছ থেকে নাম পরিচয় সহ তথ্য সংগ্রহ করেন। এর পরই ওসি আসামের দেড়গাঁও থানার থানায় যোগাযোগ করেন। দেড়গাঁও পুলিশের মাধ্যমে খবর পৌঁছে যায় রাজার বাড়িতে। রাজার বাবা মদন রায়কে ফোন করে ঠিকানা জানিয়ে বর্ধমান আসতে বলেন ওসি। বুধবার সন্ধায় তারা গলসি থানায় এলে পুলিশ রাজাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই কাজের পর থেকেই গলসি জুড়ে চর্চিত হচ্ছেন ওসি অরুণ কুমার সোম। স্থানীয় শিক্ষক সেখ ফিরোজ আলি বলেন, চার বছর ধরে চৌমাথার সবাই ছেলেটিকে খাবার দিত। রাজার দেওয়া ঠিকানাতে চিঠিও পাঠিয়েছিলাম আমি। তার পরেও কোন সদুত্তর পাইনি। তখন থেকেই রাজাকে আমারা এলাকার ছেলে মনে করেই আগলে রাখতাম। রাজা আজ বাড়ি ফিরে পেয়েছে। এর জন্য খুব খুশি হয়েছি। এমন কাজের জন্য গলসি ওসি অরুন বাবুর কাছে আমরা ঋণী হয়ে থাকলাম। রাজার বাবা মদন রায় বলেন, লকডাউনের সময় চুল কাটতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। বহু চেষ্টা করে হাল না মেলায় ছেড়ে দিয়েছিলাম। তবে ভগবানের ইচ্ছায় ও পুলিশের সহযোগিতায় আজ ফিরে পেলাম। এই থানাকে আমি সারাজীবন মনে রাখবো।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ওসির প্রচেষ্টায় শেষমেষ বাড়িতে ফিরলো মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক

আপডেট : ৩ অক্টোবর ২০২৪, বৃহস্পতিবার

আজিজুর রহমান,গলসি : চারবছর পরে বাড়িতে ফিরলো গলসিতে থাকা এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক। তার নাম রাজা রায়, তিনি আসাম এর গোলাঘাট জেলার দেড়গাঁও থানার নেকরেটিংটেকলার বাসিন্দা। আর তাকে বাড়ি ফেরানোর কাজে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন গলসি ওসি অরুন কুমার সোম। ওই কাজের পর থেকেই এলাকার বিভিন্ন হোয়াটস আপ গ্রুপে প্রসংশিত হচ্ছেন ওসি। সিআই শৈলেন্দ্রনাথ উপাধ্যায় জানান, সপ্তাহখানেক আগে গলসি নাগরিক সমাজ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আসামের বাসিন্দা রাজা রায়ের একটি ছবি ও নাম দিয়ে ওসির কাছে বাড়ি ফেরানোর আবেদন রাখা হয়। সেই পোস্ট দেখে ওসি অরুন বাবু ছেলেটিকে থানায় আনেন। তার খাওয়া ও চিকিৎসা করান। তারপরেই বিভিন্ন ভাবে তার কাছ থেকে নাম পরিচয় সহ তথ্য সংগ্রহ করেন। এর পরই ওসি আসামের দেড়গাঁও থানার থানায় যোগাযোগ করেন। দেড়গাঁও পুলিশের মাধ্যমে খবর পৌঁছে যায় রাজার বাড়িতে। রাজার বাবা মদন রায়কে ফোন করে ঠিকানা জানিয়ে বর্ধমান আসতে বলেন ওসি। বুধবার সন্ধায় তারা গলসি থানায় এলে পুলিশ রাজাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই কাজের পর থেকেই গলসি জুড়ে চর্চিত হচ্ছেন ওসি অরুণ কুমার সোম। স্থানীয় শিক্ষক সেখ ফিরোজ আলি বলেন, চার বছর ধরে চৌমাথার সবাই ছেলেটিকে খাবার দিত। রাজার দেওয়া ঠিকানাতে চিঠিও পাঠিয়েছিলাম আমি। তার পরেও কোন সদুত্তর পাইনি। তখন থেকেই রাজাকে আমারা এলাকার ছেলে মনে করেই আগলে রাখতাম। রাজা আজ বাড়ি ফিরে পেয়েছে। এর জন্য খুব খুশি হয়েছি। এমন কাজের জন্য গলসি ওসি অরুন বাবুর কাছে আমরা ঋণী হয়ে থাকলাম। রাজার বাবা মদন রায় বলেন, লকডাউনের সময় চুল কাটতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। বহু চেষ্টা করে হাল না মেলায় ছেড়ে দিয়েছিলাম। তবে ভগবানের ইচ্ছায় ও পুলিশের সহযোগিতায় আজ ফিরে পেলাম। এই থানাকে আমি সারাজীবন মনে রাখবো।