২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ভুয়ো পুলিশ লেখা গাড়ি উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিলো গলসি থানা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, বৃহস্পতিবার
  • 10

আজিজুর রহমান, গলসি : ভুয়ো পুলিশের স্টিকার লাগোনো একটি চারচাকা স্করপিও গাড়ি উদ্ধার করে, গাড়ির আসল মালিককে ফিরিয়ে গলসি থানা। দুবছর পর নিজের গাড়ি ফেরত পেয়ে খুশি হয়েছেন বীরভূম জেলার কাঁকরতলা থানার, বনসায়ের গ্রামের বাসিন্দা শান্তিময় মন্ডল। তিনি জানান, দুইবছর পূর্বে তিনি তার নতুন কালো স্করপিও গাড়িটি গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের তার বন্ধু জহরলাল মল্লিককে কয়েকদিনের জন্য চাপতে দিয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি তার গাড়ি আর ফেরত পাচ্ছিলেন না। বিভিন্ন ভাবে খোঁজ চালিয়েও গাড়ির হদিশ না মেলায় কয়েকমাস পূর্বে তিনি আইনের দারস্ত হন।

সেই মামলার তদন্তের ভার আসে গলসি থানায়। গলসি ওসি অরুন সোম একটি টিম তৈরী করে তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গাড়িটি পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে কোলকাতা, রাজার হাট সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন জহরের লোকজন। খোঁজ পেতে একাধিক জায়গায় পৌছে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। গোপনে হানাও দেয় বেশ কয়েকটি জায়গায়। স্বাভাবিকভাবেই সেই খবর জহরলালের লোকেদের কাছে পৌছায়। বিপদ বুঝতে পেরে জহরের লোকেরা ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে গাড়িটি গলসির বন্দুটিয়া এলাকায় ছেড়ে পালিয়ে যায়। রাতেই গাড়িটিকে উদ্ধার করে থানায় আনে পুলিশ। এরপরই আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২৫ শে সেপ্টেম্বর গাড়ির মালিকের হাতে গাড়িটি তুলে দেয় পুলিশ। পুলিশের এমন কাজের প্রসংশা করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি গাড়ি ফিরে পেয়ে বড়সড় অঘটন থেকে নিস্তার পেয়েছেন গাড়ি মালিক শান্তিময় মন্ডল। এমন কাজে তিনিও গলসি পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভুয়ো পুলিশ লেখা গাড়ি উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিলো গলসি থানা

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, বৃহস্পতিবার

আজিজুর রহমান, গলসি : ভুয়ো পুলিশের স্টিকার লাগোনো একটি চারচাকা স্করপিও গাড়ি উদ্ধার করে, গাড়ির আসল মালিককে ফিরিয়ে গলসি থানা। দুবছর পর নিজের গাড়ি ফেরত পেয়ে খুশি হয়েছেন বীরভূম জেলার কাঁকরতলা থানার, বনসায়ের গ্রামের বাসিন্দা শান্তিময় মন্ডল। তিনি জানান, দুইবছর পূর্বে তিনি তার নতুন কালো স্করপিও গাড়িটি গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের তার বন্ধু জহরলাল মল্লিককে কয়েকদিনের জন্য চাপতে দিয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি তার গাড়ি আর ফেরত পাচ্ছিলেন না। বিভিন্ন ভাবে খোঁজ চালিয়েও গাড়ির হদিশ না মেলায় কয়েকমাস পূর্বে তিনি আইনের দারস্ত হন।

সেই মামলার তদন্তের ভার আসে গলসি থানায়। গলসি ওসি অরুন সোম একটি টিম তৈরী করে তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গাড়িটি পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে কোলকাতা, রাজার হাট সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন জহরের লোকজন। খোঁজ পেতে একাধিক জায়গায় পৌছে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। গোপনে হানাও দেয় বেশ কয়েকটি জায়গায়। স্বাভাবিকভাবেই সেই খবর জহরলালের লোকেদের কাছে পৌছায়। বিপদ বুঝতে পেরে জহরের লোকেরা ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে গাড়িটি গলসির বন্দুটিয়া এলাকায় ছেড়ে পালিয়ে যায়। রাতেই গাড়িটিকে উদ্ধার করে থানায় আনে পুলিশ। এরপরই আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২৫ শে সেপ্টেম্বর গাড়ির মালিকের হাতে গাড়িটি তুলে দেয় পুলিশ। পুলিশের এমন কাজের প্রসংশা করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি গাড়ি ফিরে পেয়ে বড়সড় অঘটন থেকে নিস্তার পেয়েছেন গাড়ি মালিক শান্তিময় মন্ডল। এমন কাজে তিনিও গলসি পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।