০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

স্বাধীনতা সংগ্রামী তোজাম্মল হোসেন স্মরণ ও স্মারক সংরক্ষণ কক্ষের দ্বারোদ্ঘাটন

রোদ্দুর ইসলাম:মেমারি : ১১ ফেব্রুয়ারি,পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষ থানার উখরিদ অঞ্চলের খাঁটিকার গ্ৰামের নীহার স্মৃতি ভবনের গৃহকর্তা কাজী ফজলে বারি স্বপনের উদ্যোগে আজ রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হল এক মহতী সংগ্ৰহশালা কক্ষের উদ্বোধন এবং সাহিত্য সভা। কাজী ফজলে বারি স্বপন রাজার পিতামহ মরহুম কাজী তোজাম্মল হোসেন সাহেব ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী।যিনি দক্ষিণ দামোদর অঞ্চলের প্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু প্রমুখ স্বাধীনতা সংগ্রামী সহ আরো অনেক বিপ্লবীর মতো দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কিন্তু তিনি সেইভাবে এতদিন পরিচিত হতে পারেন নি। কিছু তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁর তৃতীয় প্রজন্ম তথা পৌত্র কাজী ফজলে বারি স্বপন রাজা আজ বহু গুণীজনের সান্নিধ্যে প্রায় বিস্মৃত স্বাধীনতা সংগ্রামী কাজী তোজাম্মল হোসেনের স্মৃতি চারণা সহযোগে তাঁর নামাঙ্কিত কক্ষের উদ্বোধন করেন । এই কক্ষের দ্বারোদ্ঘাটন করেন বিপ্লবী কাজী তোজাম্মল হোসেন সাহেবের একমাত্র জীবিত সন্তান সৈয়দা আজিমা খাতুন। তাঁকে এই কর্মযজ্ঞে সহায়তা করেন স্বাধীনতা সংগ্রামীর পৌত্র কাজী ফজলে বারি এবং নাতি সৈয়দ নুরুল হাফিজ। এই সংগ্ৰহশালায় তোজাম্মল হোসেন সাহেবের ব্যবহৃত দ্রব্যদি সহ বেশকিছু বর্তমানে অব্যবহৃত এবং দুষ্প্রাপ দ্রব্যাদি দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। উপস্থিত প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তি এই মহতী প্রয়াসের উচ্ছসিত প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডঃ সেখ জাহির আব্বাস। এছাড়া অতিথি হিসাবে মঞ্চাসীন ব্যক্তিত্ব হলেন ডঃ রমজান আলি, তপন কুমার দে, সেখ আসাদ আলি, মোল্লা সফিকুল ইসলাম, কাজী নুরুল হামিম প্রমুখ। মঞ্চাসীন ব্যক্তিত্বগণ সহ বেশ কয়েক জন গুণী ব্যক্তিকে বিশেষ সন্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া উপস্থিত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বিশেষ স্মারক,প্যাড,কলম, তোজাম্মল হোসেন স্মারক পুস্তিকা সহ কভার ফাইল প্রদান করা হয়। কাজী ফজলে বারি, কাজী জুলফিকার আলি, সেখ মহম্মদ আমিন ও সেখ মাসুদ করিম এই চার তরুণের অক্লান্ত প্রয়াস আজ এই মহতী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সার্থকতা লাভ করে। সৈয়দ আতাউর রহমান, সেখ মহম্মদুল হক,সেখ সাবের আলি,সেখ হাসানুজ্জামান, সেখ ইমরান, সেখ নাসিবুল আলি, সেখ আকবর আলি, সেখ মালেক জান,লায়েক ইমদাদুল হক, সেখ ইবাদুল হক, মধুসূদন চন্দ্র, স্বপন কুমার মন্ডল, কাজী হাসিন শবনম, কাজী তৌসিন বারি, শাহিনা শবনম, আফরোজা ইয়াসমিন, শাহানাজ ইয়াসমিন, রেহানাজ ইয়াসমিন, সুলতানা ইয়াসমিন, আকসা ইয়াসমিন, রোজিনা সুলতানা, আফরিন ইয়াসমিন, র‌ওশন আরা বেগম ,কাজী মোসাব্বর হোসেন, উম্মে আম্মান, রিফাত শবনম, সাহানা শবনম, শাহনাজ সায়িদ, জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, ওয়াসিম আহমেদ, সুফি রামিজ উল ইসলাম ,উজ্জ্বল মুন্সী প্রমুখ প্রায় পঁচাত্তর জন উপস্থিত ছিলেন। সমগ্ৰ অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনায় ছিলেন সুফি রফিক উল ইসলাম ও সেখ মাসুদ করিম।

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বাধীনতা সংগ্রামী তোজাম্মল হোসেন স্মরণ ও স্মারক সংরক্ষণ কক্ষের দ্বারোদ্ঘাটন

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, রবিবার

রোদ্দুর ইসলাম:মেমারি : ১১ ফেব্রুয়ারি,পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষ থানার উখরিদ অঞ্চলের খাঁটিকার গ্ৰামের নীহার স্মৃতি ভবনের গৃহকর্তা কাজী ফজলে বারি স্বপনের উদ্যোগে আজ রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হল এক মহতী সংগ্ৰহশালা কক্ষের উদ্বোধন এবং সাহিত্য সভা। কাজী ফজলে বারি স্বপন রাজার পিতামহ মরহুম কাজী তোজাম্মল হোসেন সাহেব ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী।যিনি দক্ষিণ দামোদর অঞ্চলের প্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু প্রমুখ স্বাধীনতা সংগ্রামী সহ আরো অনেক বিপ্লবীর মতো দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কিন্তু তিনি সেইভাবে এতদিন পরিচিত হতে পারেন নি। কিছু তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁর তৃতীয় প্রজন্ম তথা পৌত্র কাজী ফজলে বারি স্বপন রাজা আজ বহু গুণীজনের সান্নিধ্যে প্রায় বিস্মৃত স্বাধীনতা সংগ্রামী কাজী তোজাম্মল হোসেনের স্মৃতি চারণা সহযোগে তাঁর নামাঙ্কিত কক্ষের উদ্বোধন করেন । এই কক্ষের দ্বারোদ্ঘাটন করেন বিপ্লবী কাজী তোজাম্মল হোসেন সাহেবের একমাত্র জীবিত সন্তান সৈয়দা আজিমা খাতুন। তাঁকে এই কর্মযজ্ঞে সহায়তা করেন স্বাধীনতা সংগ্রামীর পৌত্র কাজী ফজলে বারি এবং নাতি সৈয়দ নুরুল হাফিজ। এই সংগ্ৰহশালায় তোজাম্মল হোসেন সাহেবের ব্যবহৃত দ্রব্যদি সহ বেশকিছু বর্তমানে অব্যবহৃত এবং দুষ্প্রাপ দ্রব্যাদি দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। উপস্থিত প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তি এই মহতী প্রয়াসের উচ্ছসিত প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডঃ সেখ জাহির আব্বাস। এছাড়া অতিথি হিসাবে মঞ্চাসীন ব্যক্তিত্ব হলেন ডঃ রমজান আলি, তপন কুমার দে, সেখ আসাদ আলি, মোল্লা সফিকুল ইসলাম, কাজী নুরুল হামিম প্রমুখ। মঞ্চাসীন ব্যক্তিত্বগণ সহ বেশ কয়েক জন গুণী ব্যক্তিকে বিশেষ সন্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া উপস্থিত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বিশেষ স্মারক,প্যাড,কলম, তোজাম্মল হোসেন স্মারক পুস্তিকা সহ কভার ফাইল প্রদান করা হয়। কাজী ফজলে বারি, কাজী জুলফিকার আলি, সেখ মহম্মদ আমিন ও সেখ মাসুদ করিম এই চার তরুণের অক্লান্ত প্রয়াস আজ এই মহতী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সার্থকতা লাভ করে। সৈয়দ আতাউর রহমান, সেখ মহম্মদুল হক,সেখ সাবের আলি,সেখ হাসানুজ্জামান, সেখ ইমরান, সেখ নাসিবুল আলি, সেখ আকবর আলি, সেখ মালেক জান,লায়েক ইমদাদুল হক, সেখ ইবাদুল হক, মধুসূদন চন্দ্র, স্বপন কুমার মন্ডল, কাজী হাসিন শবনম, কাজী তৌসিন বারি, শাহিনা শবনম, আফরোজা ইয়াসমিন, শাহানাজ ইয়াসমিন, রেহানাজ ইয়াসমিন, সুলতানা ইয়াসমিন, আকসা ইয়াসমিন, রোজিনা সুলতানা, আফরিন ইয়াসমিন, র‌ওশন আরা বেগম ,কাজী মোসাব্বর হোসেন, উম্মে আম্মান, রিফাত শবনম, সাহানা শবনম, শাহনাজ সায়িদ, জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, ওয়াসিম আহমেদ, সুফি রামিজ উল ইসলাম ,উজ্জ্বল মুন্সী প্রমুখ প্রায় পঁচাত্তর জন উপস্থিত ছিলেন। সমগ্ৰ অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনায় ছিলেন সুফি রফিক উল ইসলাম ও সেখ মাসুদ করিম।