২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জয়নগরের নলিকাটা এলাকায় স্ত্রীকে নলি কেটে খুন করে পলাতক স্বামী

হাসান লস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গৃহবধূ মোবাইলে রিল বানানো তাতেই প্রাণ দিতে হলো গৃহবধূর। ঘটনাটি জয়নগর থানার হরিনারায়নপুর নলীকাটা এলাকায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিতো গৃহবধূ। এর জেরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকতো সদা সর্বদা। সন্দেহের বসে স্ত্রীর গলার নলি কেটে খুন করল স্বামী।

মৃতার নাম অপর্না বৈদ্য (২৮)। স্ত্রীকে মেরে ফেলার পর পলাতক স্বামী। ঘটনার কথা লোকমুখে জানাজানি হতেই সেখানে পৌঁছায় জয়নগর থানার পুলিশ। স্বামীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ১৭ বছর আগে মগরাহাট থানা এলাকার বাসিন্দা অপর্না বৈদ্য। তার সাথে বিয়ে হয় পরিমল বৈদ্যর। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। সোশাল মিডিয়ায় রিল বানাতেন অপর্না। তার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব ছিল। তার জেরেই অশান্তি লেগে থাকত। বেশ কিছুদিন স্বামীকে ছেড়ে পালিয়েও গিয়েছিলেন অর্পনা। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে আছে। ছেলেটি সপ্তম শ্রেনিতে পড়ে ও মেয়েটি নার্সারিতে পড়ে। অয়ন বৈদ্যের কথায় প্রায়ই বাবা ও মায়ের মধ্যে ঝামেলা হত। বাবা মাকে মেরে ফেলার হুমকি দিত৷ এদিন সে যখন টিউশান পড়তে যায় তখন এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়নগর থানার পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে,ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জয়নগরের নলিকাটা এলাকায় স্ত্রীকে নলি কেটে খুন করে পলাতক স্বামী

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৩, শুক্রবার

হাসান লস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গৃহবধূ মোবাইলে রিল বানানো তাতেই প্রাণ দিতে হলো গৃহবধূর। ঘটনাটি জয়নগর থানার হরিনারায়নপুর নলীকাটা এলাকায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিতো গৃহবধূ। এর জেরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকতো সদা সর্বদা। সন্দেহের বসে স্ত্রীর গলার নলি কেটে খুন করল স্বামী।

মৃতার নাম অপর্না বৈদ্য (২৮)। স্ত্রীকে মেরে ফেলার পর পলাতক স্বামী। ঘটনার কথা লোকমুখে জানাজানি হতেই সেখানে পৌঁছায় জয়নগর থানার পুলিশ। স্বামীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ১৭ বছর আগে মগরাহাট থানা এলাকার বাসিন্দা অপর্না বৈদ্য। তার সাথে বিয়ে হয় পরিমল বৈদ্যর। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। সোশাল মিডিয়ায় রিল বানাতেন অপর্না। তার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব ছিল। তার জেরেই অশান্তি লেগে থাকত। বেশ কিছুদিন স্বামীকে ছেড়ে পালিয়েও গিয়েছিলেন অর্পনা। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে আছে। ছেলেটি সপ্তম শ্রেনিতে পড়ে ও মেয়েটি নার্সারিতে পড়ে। অয়ন বৈদ্যের কথায় প্রায়ই বাবা ও মায়ের মধ্যে ঝামেলা হত। বাবা মাকে মেরে ফেলার হুমকি দিত৷ এদিন সে যখন টিউশান পড়তে যায় তখন এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়নগর থানার পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে,ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।