২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ছয়  বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন! দুই আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনাল উত্তর ত্রিপুরা জেলার বিশেষ আদালত

নিজস্ব সংবাদদাতা :ছয়  বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনাল উত্তর ত্রিপুরা জেলার বিশেষ আদালত।

 

জেলা সদর ধর্মনগর পদ্মপুরে ২০১৯ সালের ১৭ জুন ঘটেছিল এই নারকীয় কাণ্ড। অন্যতম আসামী সৌরভ নাথের বাড়িতে ভাড়া থাকত নাবালিকা ও তাঁর মা। পরিচারিকার কাজ করত নাবালিকার মা। এই সুযোগে নাবালিকাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে নানা জায়গায় স্কুটারে করে ঘুরতে নিয়ে যেত সৌরভ। ঘটনার দিন নাবালিকাকে খুঁজে না পেয়ে ধর্মনগর মহিলা থানায় ডায়েরি করেন মা। পরের দিন হাফলংছড়া কার্গিলটিলার জঙ্গলে মেয়েটির দেহ পাওয়া যায়। তদন্তকারী অফিসার এসআই সঞ্চিতা নাথ তদন্ত করে সৌরভ ও তার বন্ধু দিবাকর দাসকে গ্রেপ্তার করেন। ওই বছরই ১৯ নভেম্বর চার্জশিট পেশ করা হয়। আসামী দু’‌জনের বয়স তখন ছিল যথাক্রমে ১৯ এবং ২০। বিচারক অংশুমান দেববর্মা এই চাঞ্চল্যকর মামলায় মোট ৪১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আসামীদের দোষী সাব্যস্ত করেন। মঙ্গলবার পকসো আইনে যাবজ্জীবন জেল ও জরিমানার সঙ্গে দু’‌জনকেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২–ডি ধারায় খুনের দায়ে ফাঁসির সাজা শোনান বিচারক।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ছয়  বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন! দুই আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনাল উত্তর ত্রিপুরা জেলার বিশেষ আদালত

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :ছয়  বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনাল উত্তর ত্রিপুরা জেলার বিশেষ আদালত।

 

জেলা সদর ধর্মনগর পদ্মপুরে ২০১৯ সালের ১৭ জুন ঘটেছিল এই নারকীয় কাণ্ড। অন্যতম আসামী সৌরভ নাথের বাড়িতে ভাড়া থাকত নাবালিকা ও তাঁর মা। পরিচারিকার কাজ করত নাবালিকার মা। এই সুযোগে নাবালিকাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে নানা জায়গায় স্কুটারে করে ঘুরতে নিয়ে যেত সৌরভ। ঘটনার দিন নাবালিকাকে খুঁজে না পেয়ে ধর্মনগর মহিলা থানায় ডায়েরি করেন মা। পরের দিন হাফলংছড়া কার্গিলটিলার জঙ্গলে মেয়েটির দেহ পাওয়া যায়। তদন্তকারী অফিসার এসআই সঞ্চিতা নাথ তদন্ত করে সৌরভ ও তার বন্ধু দিবাকর দাসকে গ্রেপ্তার করেন। ওই বছরই ১৯ নভেম্বর চার্জশিট পেশ করা হয়। আসামী দু’‌জনের বয়স তখন ছিল যথাক্রমে ১৯ এবং ২০। বিচারক অংশুমান দেববর্মা এই চাঞ্চল্যকর মামলায় মোট ৪১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আসামীদের দোষী সাব্যস্ত করেন। মঙ্গলবার পকসো আইনে যাবজ্জীবন জেল ও জরিমানার সঙ্গে দু’‌জনকেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২–ডি ধারায় খুনের দায়ে ফাঁসির সাজা শোনান বিচারক।