২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

পয়লা বৈশাখ দিনটিতে ‘বাংলা দিবস’ পালন

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার
  • 8

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ৯৯ শতাংশ জনমতই পয়লা বৈশাখ দিনটিতে ‘বাংলা দিবস’ পালনের পক্ষে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বক্তব্য রাখার পরই প্রস্তাব পাশ বলে ঘোষণা করলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

তিনি বলেন, ”১৯৪৭ সালের ২০ জুন বাংলায় রাজ্যই প্রতিষ্ঠা হয়নি। কোনও মর্যাদাকর ঘটনা ঘটেনি। অনেক পুরনো রাজ্য বাংলা। ব্রিটিশরা যাওয়ার আগে দুটো ভাগে ভেঙে দিয়ে যায়। লক্ষ বাঙালি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। মূল পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয় ১৫ আগস্ট। পরে আরও অংশ জুড়েছে। আমাদের কাছে অনেক পরামর্শ এসেছিল। ইমাম, রাজবংশী, তপশিলি, হিন্দি, উর্দুভাষী, মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ক্লাব এসেছিল। অনেক পরামর্শ এসেছে। রাখির দিনের কথা বলেছেন কেউ কেউ। হিন্দু মহাসভাও এসেছিল। ৯৯% লোক বলেছে, পয়লা বৈশাখ দিনটিই পালিত হোক।”

 

তিনি আরো বলেন, ”বাংলার ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন ১ বৈশাখ। বাঙালি শুভ কাজের সূচনা করে এই দিন। সেই দিনটা আমরা বাংলা রাজ্যের প্রতিষ্ঠার দিবস করতে চাই। আর ‘বাংলার মাটি বাংলা জল’কে ‘রাজ্য সংগীত’ করতে চাই। একটা রাজনৈতিক দল আছে, তাঁরা আগেই বলে গেলেন যে তাঁরা রাজভবন যাবেন। যাতে সই না করেন। না করতে পারেন। কিন্তু জোর করে চাপিয়ে দেবেন না। কে সমর্থন করল, না করল কিছু যায় আসে না। আমাদের নির্দেশ থাকবে, ১ বৈশাখ আমরা রাজ্য দিবস পালন করব। আর ওই গানটিকে আমরা রাজ্য গান করব। বাংলার জয়গান গাও। মাটির জয়গান গাও।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পয়লা বৈশাখ দিনটিতে ‘বাংলা দিবস’ পালন

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ৯৯ শতাংশ জনমতই পয়লা বৈশাখ দিনটিতে ‘বাংলা দিবস’ পালনের পক্ষে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বক্তব্য রাখার পরই প্রস্তাব পাশ বলে ঘোষণা করলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

তিনি বলেন, ”১৯৪৭ সালের ২০ জুন বাংলায় রাজ্যই প্রতিষ্ঠা হয়নি। কোনও মর্যাদাকর ঘটনা ঘটেনি। অনেক পুরনো রাজ্য বাংলা। ব্রিটিশরা যাওয়ার আগে দুটো ভাগে ভেঙে দিয়ে যায়। লক্ষ বাঙালি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। মূল পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয় ১৫ আগস্ট। পরে আরও অংশ জুড়েছে। আমাদের কাছে অনেক পরামর্শ এসেছিল। ইমাম, রাজবংশী, তপশিলি, হিন্দি, উর্দুভাষী, মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ক্লাব এসেছিল। অনেক পরামর্শ এসেছে। রাখির দিনের কথা বলেছেন কেউ কেউ। হিন্দু মহাসভাও এসেছিল। ৯৯% লোক বলেছে, পয়লা বৈশাখ দিনটিই পালিত হোক।”

 

তিনি আরো বলেন, ”বাংলার ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন ১ বৈশাখ। বাঙালি শুভ কাজের সূচনা করে এই দিন। সেই দিনটা আমরা বাংলা রাজ্যের প্রতিষ্ঠার দিবস করতে চাই। আর ‘বাংলার মাটি বাংলা জল’কে ‘রাজ্য সংগীত’ করতে চাই। একটা রাজনৈতিক দল আছে, তাঁরা আগেই বলে গেলেন যে তাঁরা রাজভবন যাবেন। যাতে সই না করেন। না করতে পারেন। কিন্তু জোর করে চাপিয়ে দেবেন না। কে সমর্থন করল, না করল কিছু যায় আসে না। আমাদের নির্দেশ থাকবে, ১ বৈশাখ আমরা রাজ্য দিবস পালন করব। আর ওই গানটিকে আমরা রাজ্য গান করব। বাংলার জয়গান গাও। মাটির জয়গান গাও।”