২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ইকতি নদী থেকে দেহ উদ্ধার মনোজ লোহারের

নিজস্ব সংবাদদাতা:  আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া চা বাগানের এক বাসিন্দা গত কয়েক দিন ধরেই নিখোঁজ ছিলেন। চার দিন পর বীরপাড়ার শিশুবাড়ির ইকতি নদী থেকে দেহ উদ্ধার হয় মনোজ লোহারের। ময়নাতদন্তের পর দেহ গ্রামে ফিরতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। রীতিমতো মিছিল করেন এলাকাবাসী। এমনকি উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদানে গ‍্যাসের সেল ফাটায়। এই ঘটনা ঘিরে থমথমে পরিবেশ ওই চা বাগান এলাকায়।মনোজের খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোজ তিন বন্ধুর সঙ্গে কয়লার ব্যবসা করতেন। তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বীরপাড়ার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বনধের ডাকও দিয়েছিল।

 

মৃতের বাবা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ বলেছিল আমার ছেলেকে খুঁজে বের করবে। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদেরই পুলিশ নিরাপত্তা দিয়েছে। আর ছেলেকে খোঁজার ব্যাপারে পুলিশের ভূমিকা নেই বলে মৃতের বাবার অভিযোগ।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদিবাসী সংগঠনের নেতৃত্বরা। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মনোজকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই ঘটনার পিছনে কয়লার অবৈধ ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় জড়িত রয়েছে বলে মৃতের পরিবারের অভিযোগ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইকতি নদী থেকে দেহ উদ্ধার মনোজ লোহারের

আপডেট : ২৮ অগাস্ট ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা:  আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া চা বাগানের এক বাসিন্দা গত কয়েক দিন ধরেই নিখোঁজ ছিলেন। চার দিন পর বীরপাড়ার শিশুবাড়ির ইকতি নদী থেকে দেহ উদ্ধার হয় মনোজ লোহারের। ময়নাতদন্তের পর দেহ গ্রামে ফিরতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। রীতিমতো মিছিল করেন এলাকাবাসী। এমনকি উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদানে গ‍্যাসের সেল ফাটায়। এই ঘটনা ঘিরে থমথমে পরিবেশ ওই চা বাগান এলাকায়।মনোজের খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোজ তিন বন্ধুর সঙ্গে কয়লার ব্যবসা করতেন। তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বীরপাড়ার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বনধের ডাকও দিয়েছিল।

 

মৃতের বাবা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ বলেছিল আমার ছেলেকে খুঁজে বের করবে। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদেরই পুলিশ নিরাপত্তা দিয়েছে। আর ছেলেকে খোঁজার ব্যাপারে পুলিশের ভূমিকা নেই বলে মৃতের বাবার অভিযোগ।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদিবাসী সংগঠনের নেতৃত্বরা। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মনোজকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই ঘটনার পিছনে কয়লার অবৈধ ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় জড়িত রয়েছে বলে মৃতের পরিবারের অভিযোগ।