২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

রানাঘাট লোক সভাকেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বুথওয়ারী কর্মী সম্মেলনে অনুব্রত মন্ডল

শরিফুল ইসলাম,রানাঘাট:পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বাড়বাড়ন্তে কার্যত অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নদীয়ার দুটি আসন দেখভালের দায়িত্বে বীরভূমের অনুব্রত মন্ডলকে নিয়ে আসেন। দিদির একনিষ্ঠ, অনুগত অনুব্রত প্রথম থেকেই কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট দুটি আসন কে পাখির চোখ করে শক্ত হাতে বুথওয়ারী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-নেতৃত্বকে নিয়ে বসেন। এবং বিভিন্ন অঞ্চলে দলের ফাঁক ফোঁকর গুলো শক্ত হাতে মেরামত করা শুরু করে দেন।আজ, বৃহস্পতিবার, রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন ছিল হবিবপুর ছাতিম তলার মাঠে।

তৃণমূলের নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক অনুব্রত বাবুর এদিনের বিশেষ নজর ছিল শান্তিপুরের দিকে।শান্তিপুরের বিধায়ক সুবক্তা অরিন্দম ভট্টাচার্য বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকারের দেশ বিরোধী চক্রান্ত নিয়ে বিজেপিকে তুলধনা করেন পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্প ও আগামী দিনে তাঁর নেতৃত্বে বিজেপিকে দিল্লি থেকে উৎখাতের অঙ্গীকার করে সম্মেলনে আগত তৃণমূল কর্মীরাদের মেজাজ নিয়ে যান সপ্তমে। অরিন্দমের ভাষণে ঘনঘন হাততালির পর পরই অনুব্রতর লক্ষ্যে আসেন শান্তিপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরিন্দম মৈত্র। সংগঠনের হাল হকিকত জানতে চান। নদিয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গৌরী শংকর দত্তজেলার নগরোন্নয়নের মুখ হিসাবে অজয় দে কে সামনে আনলেও ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনে রানাঘাট কেন্দ্রের তৃনমুল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক তথা প্রবীণ জনপ্রিয় বিধায়ক শংকর সিংহ শান্তিপুর সম্পর্কে আগেই সতর্কতা জারি করে দিয়েছেন।
মাইক্রোফোন হাতে অরবিন্দ বিগত নির্বাচনে ভোটের ফলাফল ব্যাখ্যা করতে যাওয়ার সঙ্গেই ডাক পরে যায় চার বারের বিধায়ক ও ছয় বারের চেয়ারম্যান অজয় দে’র। অনুব্রতর দাবি, এত উন্নয়ন। তারপরও যদি ভোটের ফলাফল অন্যরকম হয় তাহলে তো ভাবতে হবে।

প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক অজয় দে প্রকাশ্যে সবটা ভাঙতে চান নি। তিনি বলেন, কিছু কিছু সমস্যা তো রয়েছে। পরিবেশ এবং পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে তিনি খোলসা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা না বাড়িয়ে কার্যত চেপে যান। উল্টে পরামর্শের সুরে অনুব্রত বাবুকে বোঝান, জেলা গত ভাবে তাঁরা রানাঘাটের দায়িত্ব শংকর সিংহ কে দিয়েছেন। ওঁর নেতৃত্বে এবং দল যে দায়িত্ব তাঁকে দেবে তিনি তা পালন করবেন। তিনি এও বলেন, তাঁর রাজনৈতিক জীবন প্রায় চল্লিশ বছরের। ঠিক হয় , দলের জেলা নেতৃত্ব পর্যবেক্ষক এবং তিনি খুব শীঘ্রই আলোচনা করবেন।উনচল্লিশের তরতাজা উদ্যমী বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য্য তখন মঞ্চের প্রথম সারিতে বসে অগ্রজ অজয় দের কথা একমনে শুনে চলেছেন।তৃণমূল কংগ্রেসের বুথওয়ারী কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বুথ কর্মী থেকে শুরু করে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, দলীয় বিধায়ক এবং মন্ত্রী ও জেলা পরিষদের ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সদস্য প্রায় সকলেই।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রানাঘাট লোক সভাকেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বুথওয়ারী কর্মী সম্মেলনে অনুব্রত মন্ডল

আপডেট : ৭ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার

শরিফুল ইসলাম,রানাঘাট:পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বাড়বাড়ন্তে কার্যত অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নদীয়ার দুটি আসন দেখভালের দায়িত্বে বীরভূমের অনুব্রত মন্ডলকে নিয়ে আসেন। দিদির একনিষ্ঠ, অনুগত অনুব্রত প্রথম থেকেই কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট দুটি আসন কে পাখির চোখ করে শক্ত হাতে বুথওয়ারী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-নেতৃত্বকে নিয়ে বসেন। এবং বিভিন্ন অঞ্চলে দলের ফাঁক ফোঁকর গুলো শক্ত হাতে মেরামত করা শুরু করে দেন।আজ, বৃহস্পতিবার, রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন ছিল হবিবপুর ছাতিম তলার মাঠে।

তৃণমূলের নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক অনুব্রত বাবুর এদিনের বিশেষ নজর ছিল শান্তিপুরের দিকে।শান্তিপুরের বিধায়ক সুবক্তা অরিন্দম ভট্টাচার্য বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকারের দেশ বিরোধী চক্রান্ত নিয়ে বিজেপিকে তুলধনা করেন পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্প ও আগামী দিনে তাঁর নেতৃত্বে বিজেপিকে দিল্লি থেকে উৎখাতের অঙ্গীকার করে সম্মেলনে আগত তৃণমূল কর্মীরাদের মেজাজ নিয়ে যান সপ্তমে। অরিন্দমের ভাষণে ঘনঘন হাততালির পর পরই অনুব্রতর লক্ষ্যে আসেন শান্তিপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরিন্দম মৈত্র। সংগঠনের হাল হকিকত জানতে চান। নদিয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গৌরী শংকর দত্তজেলার নগরোন্নয়নের মুখ হিসাবে অজয় দে কে সামনে আনলেও ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনে রানাঘাট কেন্দ্রের তৃনমুল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক তথা প্রবীণ জনপ্রিয় বিধায়ক শংকর সিংহ শান্তিপুর সম্পর্কে আগেই সতর্কতা জারি করে দিয়েছেন।
মাইক্রোফোন হাতে অরবিন্দ বিগত নির্বাচনে ভোটের ফলাফল ব্যাখ্যা করতে যাওয়ার সঙ্গেই ডাক পরে যায় চার বারের বিধায়ক ও ছয় বারের চেয়ারম্যান অজয় দে’র। অনুব্রতর দাবি, এত উন্নয়ন। তারপরও যদি ভোটের ফলাফল অন্যরকম হয় তাহলে তো ভাবতে হবে।

প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক অজয় দে প্রকাশ্যে সবটা ভাঙতে চান নি। তিনি বলেন, কিছু কিছু সমস্যা তো রয়েছে। পরিবেশ এবং পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে তিনি খোলসা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা না বাড়িয়ে কার্যত চেপে যান। উল্টে পরামর্শের সুরে অনুব্রত বাবুকে বোঝান, জেলা গত ভাবে তাঁরা রানাঘাটের দায়িত্ব শংকর সিংহ কে দিয়েছেন। ওঁর নেতৃত্বে এবং দল যে দায়িত্ব তাঁকে দেবে তিনি তা পালন করবেন। তিনি এও বলেন, তাঁর রাজনৈতিক জীবন প্রায় চল্লিশ বছরের। ঠিক হয় , দলের জেলা নেতৃত্ব পর্যবেক্ষক এবং তিনি খুব শীঘ্রই আলোচনা করবেন।উনচল্লিশের তরতাজা উদ্যমী বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য্য তখন মঞ্চের প্রথম সারিতে বসে অগ্রজ অজয় দের কথা একমনে শুনে চলেছেন।তৃণমূল কংগ্রেসের বুথওয়ারী কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বুথ কর্মী থেকে শুরু করে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, দলীয় বিধায়ক এবং মন্ত্রী ও জেলা পরিষদের ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সদস্য প্রায় সকলেই।