২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জনসংযোগ যাত্রায় আজ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জলপাইগুড়িতে এসে পৌছতেই জনতার ঢল নেমে যায়

নিজস্ব সংবাদদাতা :জনসংযোগ যাত্রায় আজ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জলপাইগুড়িতে এসে পৌছতেই জনতার ঢল নেমে যায়। উৎসাহী জনতার মধ্যে সবাই কমবয়োসী হলেও মাঝবয়োসীদের ভীড়ও কম ছিল না।কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারের পরে আজ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জলপাইগুড়ি পৌছতেই ছোট এবং বড় সকলেই ঝাপিয়ে পড়েন। জলপাইগুড়ির কদমতলাতে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সাথে ফটো তুলতে চলে আসেন প্রায় একহাজার মানুষ।এর মধ্যে একেবারে বাচ্চাও আছে। যুব তৃণমূল নেতাকে দেখতে ছুটে আসতে বাদ যান নি একেবারে বয়ষ্করাও। অভিষেক তাদের প্রত্যেককে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করেন। এরপরে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জানান এই দুমাস তিনি একেবারে সাধারন মানুষের মতন বসবাস করবেন। মানুষের সমস্যা শুনে তার বিচার করবেন। এদিন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জানান বিজেপী মানুষের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করতে চাইছে।আর হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে আর দেশের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে চাইছে। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস তা হতে দেবো না। বিজেপী বাংলায় আসবার কোন সম্ভাবনাই নেই। এদিন অভিষেকের সাথে ছিলেন জলপাইগুড়ির যুব তৃণমূল নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায় এবং যুব মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা।এদিন সাধারন মানুষ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এসেছেন জেনে রাস্তায় হুমড়ি খেয়ে পড়েন।অভিষেককে দেখা যায় সবার সাথে দাড়িয়ে কথা বলতে। এদিন অভিষেক সিপিএম এবং বিজেপীকে একহাত নিয়ে জানান এই দুটি দলের নীতিই এক।তাই এই দুটি দলের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করে যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের গলায় পা দিয়ে চলছে আর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী একাই লড়াই করে যাচ্ছেন।তাই আমাদের সবাইকে বিজেপী এবং সিপিএম এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে মানুষের জন্য লড়াই করতে হবে। আজকের দিনটা আপনারা মনে রাখবেন বলে জানান অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তিনি আরো জানান আগামী লোকসভা নির্বাচনের পরে জনগন বিজেপীর নাম ভুলে যাবে কারন বিজেপী আর ক্ষমতায় আসছে না।তাই আমরা এখন থেকেই একসঙ্গে লড়াই করব বিজেপী এবং সিপিএমের বিরুদ্ধে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জনসংযোগ যাত্রায় আজ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জলপাইগুড়িতে এসে পৌছতেই জনতার ঢল নেমে যায়

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৩, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :জনসংযোগ যাত্রায় আজ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জলপাইগুড়িতে এসে পৌছতেই জনতার ঢল নেমে যায়। উৎসাহী জনতার মধ্যে সবাই কমবয়োসী হলেও মাঝবয়োসীদের ভীড়ও কম ছিল না।কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারের পরে আজ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জলপাইগুড়ি পৌছতেই ছোট এবং বড় সকলেই ঝাপিয়ে পড়েন। জলপাইগুড়ির কদমতলাতে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সাথে ফটো তুলতে চলে আসেন প্রায় একহাজার মানুষ।এর মধ্যে একেবারে বাচ্চাও আছে। যুব তৃণমূল নেতাকে দেখতে ছুটে আসতে বাদ যান নি একেবারে বয়ষ্করাও। অভিষেক তাদের প্রত্যেককে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করেন। এরপরে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জানান এই দুমাস তিনি একেবারে সাধারন মানুষের মতন বসবাস করবেন। মানুষের সমস্যা শুনে তার বিচার করবেন। এদিন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জানান বিজেপী মানুষের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করতে চাইছে।আর হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে আর দেশের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে চাইছে। আমরা তৃণমূল কংগ্রেস তা হতে দেবো না। বিজেপী বাংলায় আসবার কোন সম্ভাবনাই নেই। এদিন অভিষেকের সাথে ছিলেন জলপাইগুড়ির যুব তৃণমূল নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায় এবং যুব মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা।এদিন সাধারন মানুষ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এসেছেন জেনে রাস্তায় হুমড়ি খেয়ে পড়েন।অভিষেককে দেখা যায় সবার সাথে দাড়িয়ে কথা বলতে। এদিন অভিষেক সিপিএম এবং বিজেপীকে একহাত নিয়ে জানান এই দুটি দলের নীতিই এক।তাই এই দুটি দলের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করে যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের গলায় পা দিয়ে চলছে আর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী একাই লড়াই করে যাচ্ছেন।তাই আমাদের সবাইকে বিজেপী এবং সিপিএম এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে মানুষের জন্য লড়াই করতে হবে। আজকের দিনটা আপনারা মনে রাখবেন বলে জানান অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তিনি আরো জানান আগামী লোকসভা নির্বাচনের পরে জনগন বিজেপীর নাম ভুলে যাবে কারন বিজেপী আর ক্ষমতায় আসছে না।তাই আমরা এখন থেকেই একসঙ্গে লড়াই করব বিজেপী এবং সিপিএমের বিরুদ্ধে।