২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে অ্য৷ডিনো ভাইরাস আক্রান্তর ঘরোয়া চিকিৎসা

নিজস্ব সংবাদদাতা :ঋতু পরিবর্তনের কারণে থেকে ৮ থেকে ৮০ সকল বয়সীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সর্দি কাশি জ্বর সহ একাধিক সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। এর মধ্যে মাথা চারা দিয়ে উঠেছে অ্য৷ডিনো ভাইরাস। শহর ও শহরতলীতে এই ভাইরাসে শিশুরা বেশি করে আক্রান্ত হচ্ছে। কলকাতার পরিস্থিতি বিশেষ উদ্যোগ জনক। কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড গুলিতে শিশুদের অসুস্থ হয়ে ভর্তির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। শনিবার দিন পরিস্থিতির উপর নজর রাখার বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তার একটি বৈঠক করেন। শিশু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন হঠাৎ কেন এই ভাইরাসের বাড়ন্ত,, আসলে ভাইরাসটির জিন গঠিত মিউটেশন হতে পারে সে কারণে ভাইরাসটি এতটা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসা

 

1 এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ওআরএস সহ তরল জাতীয় খাবার দিতে হবে।

 

2 মাঝে মাঝেই তাপমাত্রা মেপে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে ।

 

3 জ্বর বেড়ে গেলে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে প্যারেসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে।

 

 

4 শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, ঘরে অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা থাকলে সেক্ষেত্রে ঘরেই অক্সিজেন দিতে হবে।

 

4 দুই বছর বা দুই বছরের কম শিশু অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মাস্ক পড়া জরুরি, ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।

 

চিকিৎসকরা বারে বারে জানাচ্ছেন তিন দিনের বেশি শারীরিক অসুস্থতা হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে, সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা ঝুকি হতে পারে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে অ্য৷ডিনো ভাইরাস আক্রান্তর ঘরোয়া চিকিৎসা

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :ঋতু পরিবর্তনের কারণে থেকে ৮ থেকে ৮০ সকল বয়সীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সর্দি কাশি জ্বর সহ একাধিক সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। এর মধ্যে মাথা চারা দিয়ে উঠেছে অ্য৷ডিনো ভাইরাস। শহর ও শহরতলীতে এই ভাইরাসে শিশুরা বেশি করে আক্রান্ত হচ্ছে। কলকাতার পরিস্থিতি বিশেষ উদ্যোগ জনক। কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড গুলিতে শিশুদের অসুস্থ হয়ে ভর্তির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। শনিবার দিন পরিস্থিতির উপর নজর রাখার বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তার একটি বৈঠক করেন। শিশু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন হঠাৎ কেন এই ভাইরাসের বাড়ন্ত,, আসলে ভাইরাসটির জিন গঠিত মিউটেশন হতে পারে সে কারণে ভাইরাসটি এতটা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসা

 

1 এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ওআরএস সহ তরল জাতীয় খাবার দিতে হবে।

 

2 মাঝে মাঝেই তাপমাত্রা মেপে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে ।

 

3 জ্বর বেড়ে গেলে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে প্যারেসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে।

 

 

4 শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, ঘরে অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা থাকলে সেক্ষেত্রে ঘরেই অক্সিজেন দিতে হবে।

 

4 দুই বছর বা দুই বছরের কম শিশু অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মাস্ক পড়া জরুরি, ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।

 

চিকিৎসকরা বারে বারে জানাচ্ছেন তিন দিনের বেশি শারীরিক অসুস্থতা হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে, সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা ঝুকি হতে পারে।