২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সমাজ সেবায় ৭৫ বছরে পা রাখলো CASA

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার প্রাকালে অধুনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উদ্বাস্তুদের যে শোচনীয় পরিণতি হয়েছিল তা দেখে তদানীত্নন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিশপগণ দিল্লিতে একটি রিলিফ কমিটির সূচনা করেন। এই কমিটির সদস্যদের বিপর্যয় সম্প্রদায়ের মধ্যে কাজ করার আহ্বান জানান। সেই থেকেই “কাসা” মানকল্যাণে বিশেষ করে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজের মধ্য দিয়ে নিরন্তর এই পঁচাত্তর বছর কাজ করে চলেছে।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ আশির দশক পর্যন্ত প্রাধান্য পায় যার ফল স্বরূপ এই সংস্থা ১৯৭২ সালের অন্ধ্র সাইক্লোন, ১৯৭৮ সালে পশ্চিমবাংলার বন্যা, ১৯৮৮ সালের কলাহান্ডি, ধরা, ১৯৯৩ লাতুর ভূমিকম্প, ১৯৯৭ সালে হরিয়ানার প্লাবন, ১৯৯৯ সালের ওড়িশা সুপার সাইক্লোন, ২০০১ সালের গুজরাট ভূমিকম্প, ২০০৪ সালের সুনামী, ২০০৫ সালের কাশ্মীর ও ২০১০ লাদাখ ভূমিকম্প ২০১৩ সালের উত্তরাখণ্ড বন্যা ও ভূমিকম্প ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত কোভিড ১৮ মোকাবিলা সফলতার সঙ্গে করে এসেছে।

“কাসা” শুধুমাত্র ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ নিয়েই ব্যাস্ত ছিলো না। আশির দশক থেকেই সে তার কর্ম পদ্ধতির কিছু পরিবর্তন আনে যার ফলে বিভিন্ন সামাজিক বিকাশের কাজ শুরু হয়।

একবিংশ শতাব্দীতে পদার্পণ করে এই সংস্কার কাজ নতুন পথের সন্ধান পায়। তখন থেকে সংস্থার মাধ্যমে দরিদ্র মানুষেরা বিভিন্ন সরকারী সুযোগ সুবিধাগুলো আরো অধিক পরিমাণে উপলব্ধি করতে পারছে কারণ সংস্থার বর্তমান কাজ হল লোককে সঠিক তথ্যের যোগান দিয়ে তাদের নামা পাওনা আদায় করতে সহায়তা করা। তাদের জীবিকার উন্নতি করে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহন করতে সাহায্য করা।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকার উন্নতি সাধন ও পরিবেশ উন্নতি করে মানুষকে সচেতন করাই হল সংস্থার বর্তমান উদ্দেশ্য। এই পঁচাত্তর বৎসরের যাত্রা পথে কাসা নিরপেক্ষ থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে কাজ করে চলেছে। সংস্থার মাধ্যমে আরও অধিক মানুষের উন্নতি হোক এই কামনা করি।

এদিনে উপস্থিত ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ খান, প্যানেলের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, দেবাশীষ কুমার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিধায়ক, অলোকানন্দ রায়, ক্লাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী এবং সমাজ সংস্কারক, মোস্ট রেভারেন্ড বাজেল মুর্মু, CASA ইস্ট জোনের চেয়ারপারসন অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস, সেক্রেটারি, হ্যাম রেডিও, পশ্চিমবঙ্গ রেডিও ক্লাব CASA-এর প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী হল ভারতের অমৃত মহোৎসবকে উৎসর্গ করা একটি উদযাপন। ডঃ ইয়াকব মার ইরেনায়োস, ডিরেক্টর ড. সুশান্ত আগরওয়াল, CASA-এর চিফ জোনাল অফিসার, সত্যজিৎ দাস তৃণমূল সংগঠন এবং সুশীল সমাজ সংস্থার ১৫০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এবং বন্ধু সংগঠন We Are the Common People আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সমাজ সেবায় ৭৫ বছরে পা রাখলো CASA

আপডেট : ৩ ডিসেম্বর ২০২২, শনিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার প্রাকালে অধুনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উদ্বাস্তুদের যে শোচনীয় পরিণতি হয়েছিল তা দেখে তদানীত্নন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিশপগণ দিল্লিতে একটি রিলিফ কমিটির সূচনা করেন। এই কমিটির সদস্যদের বিপর্যয় সম্প্রদায়ের মধ্যে কাজ করার আহ্বান জানান। সেই থেকেই “কাসা” মানকল্যাণে বিশেষ করে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজের মধ্য দিয়ে নিরন্তর এই পঁচাত্তর বছর কাজ করে চলেছে।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ আশির দশক পর্যন্ত প্রাধান্য পায় যার ফল স্বরূপ এই সংস্থা ১৯৭২ সালের অন্ধ্র সাইক্লোন, ১৯৭৮ সালে পশ্চিমবাংলার বন্যা, ১৯৮৮ সালের কলাহান্ডি, ধরা, ১৯৯৩ লাতুর ভূমিকম্প, ১৯৯৭ সালে হরিয়ানার প্লাবন, ১৯৯৯ সালের ওড়িশা সুপার সাইক্লোন, ২০০১ সালের গুজরাট ভূমিকম্প, ২০০৪ সালের সুনামী, ২০০৫ সালের কাশ্মীর ও ২০১০ লাদাখ ভূমিকম্প ২০১৩ সালের উত্তরাখণ্ড বন্যা ও ভূমিকম্প ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত কোভিড ১৮ মোকাবিলা সফলতার সঙ্গে করে এসেছে।

“কাসা” শুধুমাত্র ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ নিয়েই ব্যাস্ত ছিলো না। আশির দশক থেকেই সে তার কর্ম পদ্ধতির কিছু পরিবর্তন আনে যার ফলে বিভিন্ন সামাজিক বিকাশের কাজ শুরু হয়।

একবিংশ শতাব্দীতে পদার্পণ করে এই সংস্কার কাজ নতুন পথের সন্ধান পায়। তখন থেকে সংস্থার মাধ্যমে দরিদ্র মানুষেরা বিভিন্ন সরকারী সুযোগ সুবিধাগুলো আরো অধিক পরিমাণে উপলব্ধি করতে পারছে কারণ সংস্থার বর্তমান কাজ হল লোককে সঠিক তথ্যের যোগান দিয়ে তাদের নামা পাওনা আদায় করতে সহায়তা করা। তাদের জীবিকার উন্নতি করে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহন করতে সাহায্য করা।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকার উন্নতি সাধন ও পরিবেশ উন্নতি করে মানুষকে সচেতন করাই হল সংস্থার বর্তমান উদ্দেশ্য। এই পঁচাত্তর বৎসরের যাত্রা পথে কাসা নিরপেক্ষ থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে কাজ করে চলেছে। সংস্থার মাধ্যমে আরও অধিক মানুষের উন্নতি হোক এই কামনা করি।

এদিনে উপস্থিত ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ খান, প্যানেলের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, দেবাশীষ কুমার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিধায়ক, অলোকানন্দ রায়, ক্লাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী এবং সমাজ সংস্কারক, মোস্ট রেভারেন্ড বাজেল মুর্মু, CASA ইস্ট জোনের চেয়ারপারসন অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস, সেক্রেটারি, হ্যাম রেডিও, পশ্চিমবঙ্গ রেডিও ক্লাব CASA-এর প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী হল ভারতের অমৃত মহোৎসবকে উৎসর্গ করা একটি উদযাপন। ডঃ ইয়াকব মার ইরেনায়োস, ডিরেক্টর ড. সুশান্ত আগরওয়াল, CASA-এর চিফ জোনাল অফিসার, সত্যজিৎ দাস তৃণমূল সংগঠন এবং সুশীল সমাজ সংস্থার ১৫০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এবং বন্ধু সংগঠন We Are the Common People আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।