১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজস্থান থেকে অজন্তা-ইলোরা, মণ্ডপে শিল্পের চমক ‘কারুকল্প’

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 15
নদিয়া: রাজস্থান থেকে অজন্তা-ইলোরা—ভারতীয় শিল্প ও স্থাপত্যের বৈচিত্র্য এবার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে। নবদ্বীপের মণিপুরে ‘কারুকল্প’ থিমে সাজছে এবারের পুজোমণ্ডপ। কারুশিল্প ও কল্পনার মেলবন্ধনে দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলাকে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
মণ্ডপসজ্জায় থাকছে বিভিন্ন অঞ্চলের মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, ঐতিহ্যবাহী নকশা, চিত্রশিল্প ও সূক্ষ্ম অলংকরণের ছোঁয়া। রাজস্থানের স্থাপত্যের নান্দনিকতা থেকে অজন্তা-ইলোরার শিল্পঐতিহ্য—বিভিন্ন শিল্পধারার অনুপ্রেরণায় ফুটে উঠবে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য।
থিমের ভাবনা প্রসঙ্গে পৃতম দেবনাথ জানান, কারুশিল্প ও কল্পনার সমন্বয়েই ‘কারুকল্প’-এর পরিকল্পনা। শিল্পের সূক্ষ্মতা ও ঐতিহ্যের বৈশিষ্ট্য মণ্ডপসজ্জায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের দুর্গাপুজো শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। বর্তমানে মণ্ডপ নির্মাণ, রং, নকশা ও অলংকরণের কাজ চলছে জোরকদমে। প্রায় ৫০ জন শিল্পী ও কর্মী এই কাজে যুক্ত রয়েছেন। আলপনা ও বস্ত্রশিল্পের নকশার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, নবদ্বীপের মণিপুরে ‘কারুকল্প’ হয়ে উঠতে চলেছে ভারতীয় শিল্প ও স্থাপত্যের এক অভিনব উপস্থাপনা। পুজোর দিন এই মণ্ডপ দর্শনার্থীদের কতটা আকর্ষণ করে, এখন সেদিকেই নজর।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজস্থান থেকে অজন্তা-ইলোরা, মণ্ডপে শিল্পের চমক ‘কারুকল্প’

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
নদিয়া: রাজস্থান থেকে অজন্তা-ইলোরা—ভারতীয় শিল্প ও স্থাপত্যের বৈচিত্র্য এবার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে। নবদ্বীপের মণিপুরে ‘কারুকল্প’ থিমে সাজছে এবারের পুজোমণ্ডপ। কারুশিল্প ও কল্পনার মেলবন্ধনে দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলাকে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
মণ্ডপসজ্জায় থাকছে বিভিন্ন অঞ্চলের মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী, ঐতিহ্যবাহী নকশা, চিত্রশিল্প ও সূক্ষ্ম অলংকরণের ছোঁয়া। রাজস্থানের স্থাপত্যের নান্দনিকতা থেকে অজন্তা-ইলোরার শিল্পঐতিহ্য—বিভিন্ন শিল্পধারার অনুপ্রেরণায় ফুটে উঠবে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য।
থিমের ভাবনা প্রসঙ্গে পৃতম দেবনাথ জানান, কারুশিল্প ও কল্পনার সমন্বয়েই ‘কারুকল্প’-এর পরিকল্পনা। শিল্পের সূক্ষ্মতা ও ঐতিহ্যের বৈশিষ্ট্য মণ্ডপসজ্জায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের দুর্গাপুজো শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। বর্তমানে মণ্ডপ নির্মাণ, রং, নকশা ও অলংকরণের কাজ চলছে জোরকদমে। প্রায় ৫০ জন শিল্পী ও কর্মী এই কাজে যুক্ত রয়েছেন। আলপনা ও বস্ত্রশিল্পের নকশার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, নবদ্বীপের মণিপুরে ‘কারুকল্প’ হয়ে উঠতে চলেছে ভারতীয় শিল্প ও স্থাপত্যের এক অভিনব উপস্থাপনা। পুজোর দিন এই মণ্ডপ দর্শনার্থীদের কতটা আকর্ষণ করে, এখন সেদিকেই নজর।