২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পিয়া সেনগুপ্তকে ‘চোর’ স্লোগান শুনতে হলো ইমপাতে

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাজনীতির পালাবদলের পরেই আমূল পরিবর্তন হতে চলেছে টলিপাড়া ও ইমপাতে। ইমপার সভাপতি পদে আছেন পিয়া সেনগুপ্ত। সরকার বদলের পর একদিন ইমপাতে ঢুকে পড়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপার শুদ্ধিকরণ করে তাঁর প্রতি অনাস্থার কথা প্রকাশ্যে আনেন কিছু সদস্য। ২২মে ইমপাতে ভোটপর্বের কথা ঘোষণা করা হয়। সদস্যদের আসতে বলা হয় বিশেষ মিটিংয়ের জন্য। এদিন ইমপাতে প্রথম থেকেই অশান্তি শুরু হয়ে যায়। যাঁরা মেম্বার নন, এমন কিছুজন ঢুকে পড়েছিলেন ইমপাতে, তা নিয়ে অভিযোগ করেন সভাপতি। তিনি ইমপা-র সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে থানায় যাবেন, এমনটাই বলেন। তবে মত পরিবর্তন করে, আবার মিটিং করতে যান। এরপর শুরু হয় ভোটদান পর্ব। যদিও মৌখিকভাবে কে কোন পক্ষে, তা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে এদিন। সেখানে পিয়ার বিপক্ষে মত প্রকাশ করেন বেশিরভাগ উপস্থিত সদস্যরা।

শেষ অবধি পাস করা হল, নতুন আইন। ইমপার পুরোনো কমিটি ভেঙে দিলেন সদস্যরা। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদের জন্য নির্বাচন করা হয় রতন সাহার নাম। তবে এই কমিটির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবেন পিয়া সেনগুপ্ত, তেমনই দাবি। অন্যদিকে শতদীপ সাহা জানালেন, খুব শীঘ্রই নিয়ম মেনে নির্বাচন করবেন তাঁরা। সেখান থেকে স্বচ্ছভাবে ইমপা পরিচালিত হবে, এমন দাবি শতদীপের।

লক্ষণীয় ইমপাতে আজ ভোটদান এই পর্ব মেটার পরও ঝামেলা চলতে থাকে। দল বেঁধে প্রতিবাদ করতে থাকেন অনেকে। সূত্রের খবর, এদিন ঠিক করে মিনিটস অফ দ্য মিটিং লেখা হয়নি, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এক মহিলা এমনও চিত্‍কার করে ওঠেন যে, পিয়া সেনগুপ্ত কিছু ফাইল নিয়ে পালাচ্ছেন। পিয়া অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, ”ইমপা-র ফাইল এখানেই আছে। আমি ফাইল নিয়ে কোথায় যাব?” পিয়ার বিরোধী শতদীপ সাহাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ”ফাইলে কী আছে, আমিও জানতে চাই”।

ফলতায় তৃণমূলের শেষ পেরেক বলেই অনেকে মনে করছেন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পিয়া সেনগুপ্তকে ‘চোর’ স্লোগান শুনতে হলো ইমপাতে

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাজনীতির পালাবদলের পরেই আমূল পরিবর্তন হতে চলেছে টলিপাড়া ও ইমপাতে। ইমপার সভাপতি পদে আছেন পিয়া সেনগুপ্ত। সরকার বদলের পর একদিন ইমপাতে ঢুকে পড়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপার শুদ্ধিকরণ করে তাঁর প্রতি অনাস্থার কথা প্রকাশ্যে আনেন কিছু সদস্য। ২২মে ইমপাতে ভোটপর্বের কথা ঘোষণা করা হয়। সদস্যদের আসতে বলা হয় বিশেষ মিটিংয়ের জন্য। এদিন ইমপাতে প্রথম থেকেই অশান্তি শুরু হয়ে যায়। যাঁরা মেম্বার নন, এমন কিছুজন ঢুকে পড়েছিলেন ইমপাতে, তা নিয়ে অভিযোগ করেন সভাপতি। তিনি ইমপা-র সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে থানায় যাবেন, এমনটাই বলেন। তবে মত পরিবর্তন করে, আবার মিটিং করতে যান। এরপর শুরু হয় ভোটদান পর্ব। যদিও মৌখিকভাবে কে কোন পক্ষে, তা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে এদিন। সেখানে পিয়ার বিপক্ষে মত প্রকাশ করেন বেশিরভাগ উপস্থিত সদস্যরা।

শেষ অবধি পাস করা হল, নতুন আইন। ইমপার পুরোনো কমিটি ভেঙে দিলেন সদস্যরা। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদের জন্য নির্বাচন করা হয় রতন সাহার নাম। তবে এই কমিটির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবেন পিয়া সেনগুপ্ত, তেমনই দাবি। অন্যদিকে শতদীপ সাহা জানালেন, খুব শীঘ্রই নিয়ম মেনে নির্বাচন করবেন তাঁরা। সেখান থেকে স্বচ্ছভাবে ইমপা পরিচালিত হবে, এমন দাবি শতদীপের।

লক্ষণীয় ইমপাতে আজ ভোটদান এই পর্ব মেটার পরও ঝামেলা চলতে থাকে। দল বেঁধে প্রতিবাদ করতে থাকেন অনেকে। সূত্রের খবর, এদিন ঠিক করে মিনিটস অফ দ্য মিটিং লেখা হয়নি, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এক মহিলা এমনও চিত্‍কার করে ওঠেন যে, পিয়া সেনগুপ্ত কিছু ফাইল নিয়ে পালাচ্ছেন। পিয়া অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, ”ইমপা-র ফাইল এখানেই আছে। আমি ফাইল নিয়ে কোথায় যাব?” পিয়ার বিরোধী শতদীপ সাহাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ”ফাইলে কী আছে, আমিও জানতে চাই”।