২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজ্য ভাগ্নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান স্পষ্ট করুন বললেন বিরোধী হলো নেতা আব্দুল মান্নান

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিমল গুরুং বিজেপির থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে তৃণমূলের দিকে ঝোঁকার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে জোরদার চর্চা চলছে। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দার্জিলিং, তরাই এবং ডুয়ার্সের ভোট ব্যাংকের উপর বিমল গুরুংয়ের একটা সরাসরি প্রভাব রয়েছে। তার সমর্থন বদলের ফলে উত্তরবঙ্গের ভোট চিত্রের পরিবর্তন হতে পারে একথা সকলেই জানে। আর তাই এই পট পরিবর্তন নিয়ে এবার সরব হল বিরোধী দল কংগ্রেস। আগেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বিমল গুরুং নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। এদিন মুখ খুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তাঁর দাবি, দার্জিলিং পাহাড় নিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করুক।

এদিন তিনি বলেন, জনরোষ থেকে বাঁচতে উভয় দলই দার্জিলিংকে নিয়ে ঘৃণ্য রাজনীতি শুরু করেছে। তারা বিক্ষুব্ধ রাজ্যবাসীর দৃষ্টিকে অন্যদিকে ঘোরাতে চাইছে।

এই অবস্থা তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার গোর্খাল্যান্ড এবং দার্জিলিং পাহাড় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করুক। বাংলার মানুষ জানতে চায় রাজ্য ভাগের রাজনীতিতে অদৌ সায় আছে কিনা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্য ভাগ্নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান স্পষ্ট করুন বললেন বিরোধী হলো নেতা আব্দুল মান্নান

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২০, শনিবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিমল গুরুং বিজেপির থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে তৃণমূলের দিকে ঝোঁকার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে জোরদার চর্চা চলছে। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দার্জিলিং, তরাই এবং ডুয়ার্সের ভোট ব্যাংকের উপর বিমল গুরুংয়ের একটা সরাসরি প্রভাব রয়েছে। তার সমর্থন বদলের ফলে উত্তরবঙ্গের ভোট চিত্রের পরিবর্তন হতে পারে একথা সকলেই জানে। আর তাই এই পট পরিবর্তন নিয়ে এবার সরব হল বিরোধী দল কংগ্রেস। আগেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বিমল গুরুং নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। এদিন মুখ খুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তাঁর দাবি, দার্জিলিং পাহাড় নিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করুক।

এদিন তিনি বলেন, জনরোষ থেকে বাঁচতে উভয় দলই দার্জিলিংকে নিয়ে ঘৃণ্য রাজনীতি শুরু করেছে। তারা বিক্ষুব্ধ রাজ্যবাসীর দৃষ্টিকে অন্যদিকে ঘোরাতে চাইছে।

এই অবস্থা তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার গোর্খাল্যান্ড এবং দার্জিলিং পাহাড় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করুক। বাংলার মানুষ জানতে চায় রাজ্য ভাগের রাজনীতিতে অদৌ সায় আছে কিনা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর।