১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খোলা বলে মন্তব্য করেন

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনে জোট করেও ভরাডুবি হয়েছে বাম – কংগ্রেসের। তার পরই রাজ্যে একদা প্রধান বাম বলে পরিচিত CPIM-এর অন্দর থেকে উঠে আসছে নানা স্বর। প্রথা ভেঙে প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন একাধিক শীর্ষ CPIM নেতা।  মঙ্গলবারই এই নিয়ে সরব হয়েছেন প্রবীণ সিপিআইএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে এবার তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খোলা বলেও মন্তব্য করলেন তিনি।

রাজ্যে বামেদের ভরাডুবির কারণ নেতৃত্বের বস্তুনিষ্ঠভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত বলে মঙ্গলবারই জানিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ রুখতে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। মমতা তা করতে পেরেছেন।

বুধবার আরেক কদম এগিয়ে তিনি বলেন, আমি কারও নাম করছি না। কিন্তু রাজ্যে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী শক্তিকে রুখতে সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির একজোট হওয়া প্রয়োজন। কৌশলগত কারণে অনেক সময় বৃহত্তর বিপদের সামনে ক্ষুদ্র সমস্যার সঙ্গে আপস করতে হয়। বিজেপিকে রুখতে আমরা বিহারে RJD-র সঙ্গে জোট করেছি। তামিলনাড়ুতে DMK-র সঙ্গে জোট করেছি। তাদের বিরুদ্ধেও তো একাধিক গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাহলে পশ্চিমবঙ্গে সেরকম জোট করতে সমস্যা কোথায়?

গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোলে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গে কোনও আসন পায়নি বাম কংগ্রেস। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা বাম ও কংগ্রেসশূন্য।

সর্বাধিক পাঠিত

মেমারীতে ছবির প্রিমিয়ার শোতে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খোলা বলে মন্তব্য করেন

আপডেট : ৬ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনে জোট করেও ভরাডুবি হয়েছে বাম – কংগ্রেসের। তার পরই রাজ্যে একদা প্রধান বাম বলে পরিচিত CPIM-এর অন্দর থেকে উঠে আসছে নানা স্বর। প্রথা ভেঙে প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন একাধিক শীর্ষ CPIM নেতা।  মঙ্গলবারই এই নিয়ে সরব হয়েছেন প্রবীণ সিপিআইএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে এবার তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খোলা বলেও মন্তব্য করলেন তিনি।

রাজ্যে বামেদের ভরাডুবির কারণ নেতৃত্বের বস্তুনিষ্ঠভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত বলে মঙ্গলবারই জানিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ রুখতে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। মমতা তা করতে পেরেছেন।

বুধবার আরেক কদম এগিয়ে তিনি বলেন, আমি কারও নাম করছি না। কিন্তু রাজ্যে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী শক্তিকে রুখতে সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির একজোট হওয়া প্রয়োজন। কৌশলগত কারণে অনেক সময় বৃহত্তর বিপদের সামনে ক্ষুদ্র সমস্যার সঙ্গে আপস করতে হয়। বিজেপিকে রুখতে আমরা বিহারে RJD-র সঙ্গে জোট করেছি। তামিলনাড়ুতে DMK-র সঙ্গে জোট করেছি। তাদের বিরুদ্ধেও তো একাধিক গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাহলে পশ্চিমবঙ্গে সেরকম জোট করতে সমস্যা কোথায়?

গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোলে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গে কোনও আসন পায়নি বাম কংগ্রেস। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা বাম ও কংগ্রেসশূন্য।