আনজুম মুনির, নদিয়া: তিনি সিপিএম প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। ভোটে হেরেও গেছেন। এবার তার নতুন লড়াই। কালীগঞ্জে উপনির্বাচনে জয়লাভের পর তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়েছিল ছোট্ট তামান্নার। ছাব্বিশের নির্বাচনে তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। কিন্তু তিনি তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদের কাছে হেরে যান। নির্বাচনে হারের পর নবনির্বাচিত শুভেন্দু সরকারের প্রতি আস্থা রাখলেন সাবিনা।
তিনি জানান, ‘এবার মেয়ের মৃত্যুর সুবিচার পাব। আমি আশাবাদী।’ যদিও এবিষয়ে মুখ খোলেননি স্থানীয় সিপিএম নেতারা। শনিবার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেন সাবিনা। তিনি জানান, নতুন এসপির সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। তিনি গুরুত্ব দিয়ে সবটা শুনলেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ায় তিনি আশাবাদী, মেয়ের জন্য সঠিক বিচার তিনি পাবেন। সাবিনার দাবি, মূল অভিযুক্ত-সহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোট ২৪ জনের নামে অভিযোগ রয়েছে। সকলের গ্রেপ্তারি ও শাস্তির দাবি জানান তিনি।
২০২৫ সালের ২৩ জুন, কালীগঞ্জ উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন দুপুরে বোমাবাজিতে মৃত্যু হয় মোলান্দি গ্রামের ৯ বছরের নাবালিকা তামান্না খাতুনের। তার পরিবার সিপিএম সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিল। ছোট্ট তামান্নার মৃত্যুর খবর চোখে জল এনেছিল গোটা রাজ্যের। এই ঘটনায় পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে। কিন্তু পুলিশের তদন্তে সন্তুষ্ট হতে পারেনি তামান্নার পরিবার। তৎকালীন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হন তামান্নার মা সাবিনা। তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই আবহে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে কালীগঞ্জ আসনে তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করে সিপিএম।
নতুন গতি 





















