আনজুম মুনির, কলকাতা: কাকলি ঘোষ দোস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে আদালতে গেলেন। মমতা-সহ ৫ জনকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন তিনি। ছাব্বিশের নির্বাচনে বারাসত বিধানসভা আসনে বৈদ্যনাথের জন্য কাকলি টিকিট চেয়েছিলেন বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূলের এই নেতা-নেত্রীরা। ছেলেকে টিকিট না দেওয়াতেই কাকলি রাজনৈতিক অবস্থান বদলান বলে তাঁরা তোপ দাগেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আইনি নোটিস পাঠালেন কাকলি-পুত্র। বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার যে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন, সেখানে মমতা ছাড়া বাকি চারজনের মধ্যে তিনজন লোকসভার সাংসদ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এবং মহুয়া মৈত্র। এছাড়া আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে সোনালি গুহকে। নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মানহানি মামলার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে নোটিসে।
ওই নোটিসে বলা হয়েছে, বিদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বৈদ্যনাথ। মমতাকে আইনি নোটিস পাঠানো নিয়ে টিভি৯ বাংলাকে বৈদ্যনাথ বলেন, “আমাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো বার্তা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার দলের একজন সাংসদ বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন। এবং তিনি তৃণমূলের সংসদীয় দলকে ভাঙবার চেষ্টা করছেন। তারপরই তিনি বলেন, সেই সাংসদের প্রতি আমার একমাত্র অপরাধ হয়েছে যে তাঁর ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন, আমি দিইনি।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা বলেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ওই সাংসদ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দাবি করেছেন। চাইলে দল ছেড়ে যেতে পারেন। ওই ভিডিয়ো বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কিংবা মায়ের নাম নেননি। কিন্তু, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান আমার মা। ফলে তিনি যে আমাদের কথা বলছেন সেটা স্পষ্ট। ভদ্রতার খাতিরে আমি এতদিন চুপ ছিলাম। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একশো শতাংশ মিথ্যে কথা বলছেন। তাই, আইনি নোটিস পাঠিয়েছি।”
নতুন গতি 





















