০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

দিদির দূত হিসাবে জামালপুরে গ্রামে গ্রামে যান প্রতিনিধিরা

সেখ সামসুদ্দিন, ২৫ ফেব্রুয়ারিঃ দিদির দূত হিসাবে গ্রামে গ্রামে পোঁছে যাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা। দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দিদির দূত হিসাবে আজ জামালপুরে পারাতল ১ অঞ্চলে যান জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পঞ্চায়েত প্রধান উত্তম হাজারী, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, উপ প্রধান সৃজীব ঘোষ সহ অঞ্চলের নেতৃত্ব রা। প্রথমে বসন্তপুর গ্রামে মা সিংহ বাহিনীর পুজো দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে তাঁরা পৌঁছে যান পর্বতপুর হাই স্কুলে। সেখানে তাঁরা খোঁজ নেন সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প যেমন কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, বিভিন্ন স্কলারশিপ ছাত্র ছাত্রীরা পাচ্ছে কিনা। স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন। তারপর দুপুরের মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে জন পারাতল ১ পঞ্চায়েতে গিয়ে পঞ্চায়েত প্রধান, উপ প্রধান সহ সকল সদস্য ও পঞ্চায়েত কর্মীদের সাথে কথা বলেন। মানুষ সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কিনা তাঁর খোঁজ খবর নেন। পরে হিরণ্য গ্রামে গিয়ে খেলার মাঠে জনসংযোগ সারেন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প, সাধারণ মানুষের জন্য সরকার কি কি করেছেন সব সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেন। এরপর পার্টি অফিসে গিয়ে কর্মীদের নিয়ে কর্মী বৈঠক করেন।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দিদির দূত হিসাবে জামালপুরে গ্রামে গ্রামে যান প্রতিনিধিরা

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, শনিবার

সেখ সামসুদ্দিন, ২৫ ফেব্রুয়ারিঃ দিদির দূত হিসাবে গ্রামে গ্রামে পোঁছে যাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা। দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দিদির দূত হিসাবে আজ জামালপুরে পারাতল ১ অঞ্চলে যান জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পঞ্চায়েত প্রধান উত্তম হাজারী, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, উপ প্রধান সৃজীব ঘোষ সহ অঞ্চলের নেতৃত্ব রা। প্রথমে বসন্তপুর গ্রামে মা সিংহ বাহিনীর পুজো দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে তাঁরা পৌঁছে যান পর্বতপুর হাই স্কুলে। সেখানে তাঁরা খোঁজ নেন সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প যেমন কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, বিভিন্ন স্কলারশিপ ছাত্র ছাত্রীরা পাচ্ছে কিনা। স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন। তারপর দুপুরের মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে জন পারাতল ১ পঞ্চায়েতে গিয়ে পঞ্চায়েত প্রধান, উপ প্রধান সহ সকল সদস্য ও পঞ্চায়েত কর্মীদের সাথে কথা বলেন। মানুষ সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কিনা তাঁর খোঁজ খবর নেন। পরে হিরণ্য গ্রামে গিয়ে খেলার মাঠে জনসংযোগ সারেন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প, সাধারণ মানুষের জন্য সরকার কি কি করেছেন সব সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেন। এরপর পার্টি অফিসে গিয়ে কর্মীদের নিয়ে কর্মী বৈঠক করেন।