২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

দেউলটি স্টেশন কে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে করার দাবী উঠলো।

লুতুব আলি, ১৭ জানুয়ারি : কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবস ছিল ১৬ জানুয়ারি। শরৎচন্দ্রের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তাঁর বসত ভিটেয় শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করল হাওড়ার বাগনানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বজন। অমর কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করার পর স্বজনের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হলো দেউটি স্টেশন কে শরৎচন্দ্রের নামে করা হোক। স্বজনের কর্ণধার সম্পাদক, বাংলার সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা, বাগনান ১নং পঞ্চায়েত সমিতির বন ভূমি ও পর্যটন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ চন্দ্রনাথ বসু জানান, দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথা সাহিত্যক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে কোথাও রেলস্টেশন নাই। দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যাপারে আন্দোলন করে আসছি ডিউটি স্টেশন কে শরৎচন্দ্রের নামে করার জন্য। এ ব্যাপারে ডিউটি স্টেশন মাস্টার মশাইকে গণদেপুটেশন দেয়াও হয়। বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সাড়া মেলেনি। এরপরও যদি সাড়া না মেলে তাহলে বুঝবো বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা বিরোধী। এ ব্যাপারে রাস্তায় নেমে বৃহত্তর গণ-আন্দোলন সংগঠিত করার ডাক দেন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বই ও চারা গাছ দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আকাশবাণীর গীতিকার তপন মাইতি, পঞ্চায়েত সদস্য অমিত গুছাইত, বিশিষ্ট সমাজসেবী শেখ আহাম্মদ, রঞ্জিত মাইতি প্রমুখ।

সর্বাধিক পাঠিত

রাজধানীতে ‘জ্ঞানেশ হটাও’ মিছিলের ডাক

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দেউলটি স্টেশন কে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে করার দাবী উঠলো।

আপডেট : ১৭ জানুয়ারী ২০২৩, মঙ্গলবার

লুতুব আলি, ১৭ জানুয়ারি : কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবস ছিল ১৬ জানুয়ারি। শরৎচন্দ্রের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তাঁর বসত ভিটেয় শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করল হাওড়ার বাগনানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বজন। অমর কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করার পর স্বজনের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হলো দেউটি স্টেশন কে শরৎচন্দ্রের নামে করা হোক। স্বজনের কর্ণধার সম্পাদক, বাংলার সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা, বাগনান ১নং পঞ্চায়েত সমিতির বন ভূমি ও পর্যটন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ চন্দ্রনাথ বসু জানান, দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথা সাহিত্যক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে কোথাও রেলস্টেশন নাই। দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যাপারে আন্দোলন করে আসছি ডিউটি স্টেশন কে শরৎচন্দ্রের নামে করার জন্য। এ ব্যাপারে ডিউটি স্টেশন মাস্টার মশাইকে গণদেপুটেশন দেয়াও হয়। বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সাড়া মেলেনি। এরপরও যদি সাড়া না মেলে তাহলে বুঝবো বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা বিরোধী। এ ব্যাপারে রাস্তায় নেমে বৃহত্তর গণ-আন্দোলন সংগঠিত করার ডাক দেন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বই ও চারা গাছ দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আকাশবাণীর গীতিকার তপন মাইতি, পঞ্চায়েত সদস্য অমিত গুছাইত, বিশিষ্ট সমাজসেবী শেখ আহাম্মদ, রঞ্জিত মাইতি প্রমুখ।