০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

আশা কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা সচেতনতা শিবির জলঙ্গীতে 

আশা কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা সচেতনতা শিবির জলঙ্গীতে
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, জলঙ্গী : যে ভাবে দেশ তথা রাজ্যে করোনা প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। সেই সাথে একটা আতঙ্কের কারন হয়ে দাড়াচ্ছে,  এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গীতে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় আশা কর্মীরা প্রতিদিন করোনা বিষয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়িয়ে চলেছে। আশার রাজ্য সেক্রেটারি তথা আশা কর্মী সাবিনা ইয়াসমিন জানায়, জলঙ্গী থানার পুলিশ ও সিভিকদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন জলঙ্গীর বিভিন্ন জায়গায়, সে সাথে জলঙ্গী বাজারে সচেতনতা শিবির করে সাধারণ মানুষের মনে করোনা বিষয়ে সচেতন বাড়িয়ে চলেছি। তিনি আরও জানায় যে, কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলে তাকে ব্যবহার করতে বলা, প্রতিটা দোকানদারদের দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতাদের ক্রয় সামগ্রী প্রদান করা। তাঁর দাবি। এমন ভাবে সচেতন করেই মানুষ সজাগ হয়েছে বলেই আজ জলঙ্গীতে করোনা পজিটিভ ১৯৬ থেকে শূন্য তে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। তবে জলঙ্গী পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা খুবই ভালো। এক চা দোকানদার রবিন হালদার বলেন,  এখানকার সিভিক পুলিশের ভূমিকা খুব ভালো সেই সাথে আশা কর্মীরা প্রতিদিন বাজারে মানুষকে ও দোকানদার কে সজাগ করে চলেছে যা প্রশংসার যোগ্য। সরিফুল মণ্ডল, গিয়াস মণ্ডল, কালু সেখরা বলে এই সচেতনতায় করোনায় ভয় নয় সজাগ করে তুলেছে আমাদের।

“প্রে ফর নেপাল” চুঁচুড়ায় মানবতার বার্তা নারী শক্তি’র

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আশা কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা সচেতনতা শিবির জলঙ্গীতে 

আপডেট : ৯ জুন ২০২১, বুধবার

আশা কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা সচেতনতা শিবির জলঙ্গীতে
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, জলঙ্গী : যে ভাবে দেশ তথা রাজ্যে করোনা প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। সেই সাথে একটা আতঙ্কের কারন হয়ে দাড়াচ্ছে,  এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গীতে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় আশা কর্মীরা প্রতিদিন করোনা বিষয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়িয়ে চলেছে। আশার রাজ্য সেক্রেটারি তথা আশা কর্মী সাবিনা ইয়াসমিন জানায়, জলঙ্গী থানার পুলিশ ও সিভিকদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন জলঙ্গীর বিভিন্ন জায়গায়, সে সাথে জলঙ্গী বাজারে সচেতনতা শিবির করে সাধারণ মানুষের মনে করোনা বিষয়ে সচেতন বাড়িয়ে চলেছি। তিনি আরও জানায় যে, কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলে তাকে ব্যবহার করতে বলা, প্রতিটা দোকানদারদের দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতাদের ক্রয় সামগ্রী প্রদান করা। তাঁর দাবি। এমন ভাবে সচেতন করেই মানুষ সজাগ হয়েছে বলেই আজ জলঙ্গীতে করোনা পজিটিভ ১৯৬ থেকে শূন্য তে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। তবে জলঙ্গী পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা খুবই ভালো। এক চা দোকানদার রবিন হালদার বলেন,  এখানকার সিভিক পুলিশের ভূমিকা খুব ভালো সেই সাথে আশা কর্মীরা প্রতিদিন বাজারে মানুষকে ও দোকানদার কে সজাগ করে চলেছে যা প্রশংসার যোগ্য। সরিফুল মণ্ডল, গিয়াস মণ্ডল, কালু সেখরা বলে এই সচেতনতায় করোনায় ভয় নয় সজাগ করে তুলেছে আমাদের।