২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

১০০ আদিবাসী মহিলাদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির ও চারা গাছ বিতরণ

রহমতুল্লাহ, সাগরদিঘী : রবিবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘীর চোরদিঘী কুমুড্ডা আদিবাসী গ্রামে প্রায় ১০০ জন মহিলাদের নিয়ে একটি স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক শিবির অনুষ্ঠান হয় সাগরদিঘী উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর সম্পাদক সঞ্জীব দাস এর উদ্যোগে। এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল এলাকার বিভিন্ন মহিলাদের ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’ এর ব্যবহার সম্পর্কে অবগত করা, পাশাপাশি তাদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা। ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন চোরদিঘির বিশিষ্ট ব্যক্তি সমর দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী মজির হোসেন। সচেতনতা মূলক বার্তার সাথে সাথে এলাকার মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’ ও একটি করে ‘চারাগাছ’। ট্রাস্টের সভাপতি রাধারানী দাস জানান যে তারা মূলত বিভিন্ন আদিবাসী গ্রামে এরকম ক্যাম্প প্রায়ই করে থাকেন কারণ এই সমস্ত বিষয়ে মানুষ এখনো অনেকটাই অসচেতন যার ফলে তাদের পড়তে হয় বিভিন্ন সমস্যার মুখে, সে কারণেই এরকম সচেতনতামূলক ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া। আবার ট্রাস্টের কোষাধ্যাক্ষ মির্জা জজবুল বলেন যে পরিবেশ রক্ষার তাগিদে গাছের যে কি প্রয়োজন সেই বার্তা সমস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ও মানুষকে পরিবেশ সম্পর্কে আরও সচেতন করে তোলার লক্ষ্য নিয়েই চারাগাছ বিতরন তারা কমবেশি সবসময় করে থাকেন।

“শুভেন্দু মেদিনীপুরের ছেলে ওর জন্য আমার গর্ব হয়”: মানস ভূঁইয়া

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

১০০ আদিবাসী মহিলাদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির ও চারা গাছ বিতরণ

আপডেট : ১৩ জুন ২০২২, সোমবার

রহমতুল্লাহ, সাগরদিঘী : রবিবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘীর চোরদিঘী কুমুড্ডা আদিবাসী গ্রামে প্রায় ১০০ জন মহিলাদের নিয়ে একটি স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক শিবির অনুষ্ঠান হয় সাগরদিঘী উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর সম্পাদক সঞ্জীব দাস এর উদ্যোগে। এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল এলাকার বিভিন্ন মহিলাদের ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’ এর ব্যবহার সম্পর্কে অবগত করা, পাশাপাশি তাদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা। ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন চোরদিঘির বিশিষ্ট ব্যক্তি সমর দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী মজির হোসেন। সচেতনতা মূলক বার্তার সাথে সাথে এলাকার মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’ ও একটি করে ‘চারাগাছ’। ট্রাস্টের সভাপতি রাধারানী দাস জানান যে তারা মূলত বিভিন্ন আদিবাসী গ্রামে এরকম ক্যাম্প প্রায়ই করে থাকেন কারণ এই সমস্ত বিষয়ে মানুষ এখনো অনেকটাই অসচেতন যার ফলে তাদের পড়তে হয় বিভিন্ন সমস্যার মুখে, সে কারণেই এরকম সচেতনতামূলক ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া। আবার ট্রাস্টের কোষাধ্যাক্ষ মির্জা জজবুল বলেন যে পরিবেশ রক্ষার তাগিদে গাছের যে কি প্রয়োজন সেই বার্তা সমস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ও মানুষকে পরিবেশ সম্পর্কে আরও সচেতন করে তোলার লক্ষ্য নিয়েই চারাগাছ বিতরন তারা কমবেশি সবসময় করে থাকেন।