২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

হাওড়া ও শিয়ালদহের উপর দূরপাল্লার ট্রেনের চাপ কমাতে বিকল্প স্টেশন হিসাবে ডানকুনির কথা ভাবা হচ্ছে

নিজস্ব সংবাদদাতা : হাওড়া স্টেশনের উপর চাপ কমাতে সাঁতরাগাছি বা শালিমার স্টেশনকে যে ভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, সে মতোই ডানকুনি স্টেশনকে গড়ে তোলার ভাবনা চলছে। শুধু হাওড়াই নয়, শিয়ালদহ স্টেশনের উপর চাপ কমানোর লক্ষ্য থেকেও বিকল্প স্টেশন স্টেশন হিসাবে ডানকুনির নাম উঠে এসেছে। এমনটাই জানালেন হাওড়ার ডিআরএম মণীশ জৈন।

সোমবার ব্যান্ডেলে রেলের সুরক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে আসেন মণীশ ও সুরক্ষা কমিশনার শুভময় মিত্র। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মণীশ জানান, হাওড়া ও শিয়ালদহের উপর দূরপাল্লার ট্রেনের চাপ কমাতে বিকল্প স্টেশন হিসাবে ডানকুনির কথা ভাবা হচ্ছে। দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে দূরের যাত্রীদেরও হাওড়া এসেই ট্রেনে উঠতে হয়। তাই, কিছু ট্রেন যাতে ডানকুনি থেকেই ছাড়তে পারে বা সেখানে দাঁড়ায়, সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তা ছাড়া ডানকুনির সঙ্গে সংযোগ থাকার দরুণ শিয়ালদহের উপরেও দূরপাল্লার ট্রেনের চাপ খানিক কমবে বলে মনে করছেন মণীশ।ব্যান্ডেলের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মণীশ বলেন, ‘‘ইআই সিস্টেম চালু হয়ে গিয়েছে। সিআরএস ইনস্পেকশনের পর ছাড়পত্র দিলেই থার্ড লাইন চালু হয়ে যাবে। ইআই চালু হলে ট্রেনের গতিও বাড়বে।’’

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাওড়া ও শিয়ালদহের উপর দূরপাল্লার ট্রেনের চাপ কমাতে বিকল্প স্টেশন হিসাবে ডানকুনির কথা ভাবা হচ্ছে

আপডেট : ৩১ মে ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : হাওড়া স্টেশনের উপর চাপ কমাতে সাঁতরাগাছি বা শালিমার স্টেশনকে যে ভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, সে মতোই ডানকুনি স্টেশনকে গড়ে তোলার ভাবনা চলছে। শুধু হাওড়াই নয়, শিয়ালদহ স্টেশনের উপর চাপ কমানোর লক্ষ্য থেকেও বিকল্প স্টেশন স্টেশন হিসাবে ডানকুনির নাম উঠে এসেছে। এমনটাই জানালেন হাওড়ার ডিআরএম মণীশ জৈন।

সোমবার ব্যান্ডেলে রেলের সুরক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে আসেন মণীশ ও সুরক্ষা কমিশনার শুভময় মিত্র। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মণীশ জানান, হাওড়া ও শিয়ালদহের উপর দূরপাল্লার ট্রেনের চাপ কমাতে বিকল্প স্টেশন হিসাবে ডানকুনির কথা ভাবা হচ্ছে। দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে দূরের যাত্রীদেরও হাওড়া এসেই ট্রেনে উঠতে হয়। তাই, কিছু ট্রেন যাতে ডানকুনি থেকেই ছাড়তে পারে বা সেখানে দাঁড়ায়, সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তা ছাড়া ডানকুনির সঙ্গে সংযোগ থাকার দরুণ শিয়ালদহের উপরেও দূরপাল্লার ট্রেনের চাপ খানিক কমবে বলে মনে করছেন মণীশ।ব্যান্ডেলের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মণীশ বলেন, ‘‘ইআই সিস্টেম চালু হয়ে গিয়েছে। সিআরএস ইনস্পেকশনের পর ছাড়পত্র দিলেই থার্ড লাইন চালু হয়ে যাবে। ইআই চালু হলে ট্রেনের গতিও বাড়বে।’’