২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের জেরে অসহায় অবস্থা ‘দিন আনি দিন খাই’ মানুষদের

দেবজিৎ মুখার্জি: “টান পড়েছে পেটে, কোনরকমে চালাচ্ছে সংসার” এমনই অসহায় অবস্থা ‘দিন আনি দিন খাই’ মানুষদের কেন্দ্রের সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের জন্য। ভয়াবহ চিত্র উঠে এলো সেন্ট্রাল ভিস্তা চত্বরে।

এক পপকর্ন বিক্রেতার বক্তব্য “যেদিন থেকে বিজেপি এসেছে, সেদিন থেকে আমাদের হাল খারাপ হতে শুরু করেছে। চিপস বিক্রি করে পাঁচ ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়েছি। এখন ওদের বলে দিয়েছি, আমি আর সংসারে কিছু পাঠাতে পারছি না। তোমরা নিজেদের ব্যবস্থা করে নাও।”

এক সানগ্লাস বিক্রেতার বক্তব্য “আগে কম করে হলেও হাজার তিনেক বিভিন্ন বিক্রেতা ছিল। এখন খুব বেশি হলে শ’ পাঁচেক। তাও ব্যবসা নেই। ইদের মরশুম বলে তাও কিছু লোক দেখতে পাচ্ছেন। অন্য সময় আসবেন, বুঝবেন কী অবস্থা।”

এক কোল্ড ড্রিংক বিক্রেতার বক্তব্য “আগে রোজ পাঁচ-সাতশো টাকা রোজগার করতাম, এখন অনেকদিন তো বউনিও হয় না।”

এক ভেলপুরী বিক্রেতাও নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। তিনি জানান “ছবি তুলবেন না প্লিজ। আগে ওই ভিতরে বসে বিক্রি করতাম। এখন ফুটপাথে বসে একটু—আধটু কাজ করছি। তাও রোজ পুলিশের ডান্ডা খেতে হয়। হপ্তা নিলেও মাঝেমধ্যেই এসে তুলে দেয়। কত লোকের কত মাল নষ্ট হয়। এসব ছবি ইন্টারনেটে দিয়ে দিলে না খেতে পেয়ে মরব।”

দিল্লিতে চালু হয়ে গেলো ব্যাগ বইবার সঙ্গী

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের জেরে অসহায় অবস্থা ‘দিন আনি দিন খাই’ মানুষদের

আপডেট : ৭ মে ২০২২, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি: “টান পড়েছে পেটে, কোনরকমে চালাচ্ছে সংসার” এমনই অসহায় অবস্থা ‘দিন আনি দিন খাই’ মানুষদের কেন্দ্রের সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের জন্য। ভয়াবহ চিত্র উঠে এলো সেন্ট্রাল ভিস্তা চত্বরে।

এক পপকর্ন বিক্রেতার বক্তব্য “যেদিন থেকে বিজেপি এসেছে, সেদিন থেকে আমাদের হাল খারাপ হতে শুরু করেছে। চিপস বিক্রি করে পাঁচ ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়েছি। এখন ওদের বলে দিয়েছি, আমি আর সংসারে কিছু পাঠাতে পারছি না। তোমরা নিজেদের ব্যবস্থা করে নাও।”

এক সানগ্লাস বিক্রেতার বক্তব্য “আগে কম করে হলেও হাজার তিনেক বিভিন্ন বিক্রেতা ছিল। এখন খুব বেশি হলে শ’ পাঁচেক। তাও ব্যবসা নেই। ইদের মরশুম বলে তাও কিছু লোক দেখতে পাচ্ছেন। অন্য সময় আসবেন, বুঝবেন কী অবস্থা।”

এক কোল্ড ড্রিংক বিক্রেতার বক্তব্য “আগে রোজ পাঁচ-সাতশো টাকা রোজগার করতাম, এখন অনেকদিন তো বউনিও হয় না।”

এক ভেলপুরী বিক্রেতাও নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। তিনি জানান “ছবি তুলবেন না প্লিজ। আগে ওই ভিতরে বসে বিক্রি করতাম। এখন ফুটপাথে বসে একটু—আধটু কাজ করছি। তাও রোজ পুলিশের ডান্ডা খেতে হয়। হপ্তা নিলেও মাঝেমধ্যেই এসে তুলে দেয়। কত লোকের কত মাল নষ্ট হয়। এসব ছবি ইন্টারনেটে দিয়ে দিলে না খেতে পেয়ে মরব।”