২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

টালিনালায় একটি উঁচু ব্যারেজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে কলকাতা পুরনিগম

‌ নিজস্ব সংবাদদাতা : বানের জলে প্রতি বছর ভাসে কালীঘাটের বিভিন্ন রাস্তা। আর যাতে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সেজন্য স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটতে চলেছে কলকাতা পুরনিগম। টালিনালায় একটি উঁচু ব্যারেজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি বুস্টার পাম্পিং স্টেশনও তৈরি করা হবে। এই দুইয়ের কাজ শেষ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের বর্ষার সময় ভোগান্তি অনেকটাই মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগম সূত্রে খবর, টালিনালা ও গঙ্গার সংযোগস্থলে দইঘাটের।কলকাতা পুরনিগম সূত্রে খবর, টালিনালা ও গঙ্গার সংযোগস্থলে দইঘাটের কাছে ব্যারেজ তৈরি করা হবে। সেইসঙ্গে বুস্টার পাম্পিং স্টেশনও তৈরি করা হবে। সেজন্য কলকাতা বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় জমি দেখা হবে। কোটালের গঙ্গার জলস্তর এমনতেই বাড়ে, সেইসঙ্গে বৃষ্টি হলে গঙ্গার জলস্তর আরও বেড়ে যায়। বর্ষার জল যাতে টালিনালা ছাপিয়ে আশেপাশের এলাকায় ঢুকে না পড়ে, সেজন্য পুরনিগমের তরফে উঁচু বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাঁধ দিয়ে জল আটকানো হবে। বানের সময় বাঁধের গেট বন্ধ রাখা হলে আর জল ঢুকতে পারবে না। ভাটার সময়ে ব্যারেজের গেট ফের খুলে দেওয়া হবে।পুরনিগমের এক আধিকারিক জানান, ‘‌কালীঘাট বাজার, বড় গলি, চক্রবর্তী পাড়া, নেপাল ভট্টাচার্য স্ট্রিট সহ কালীঘাটের আশেপাশের এলাকায় বানের জল ঢুকে যায়। ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত গঙ্গার জলস্তর বেড়ে যায়। এটাকে রুখতে এই বাঁধ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’‌ ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‌এই কাজ হয়ে গেলে এখানকার মানুষরা খুবই উপকৃত হবেন। বর্ষাকালে আর তাঁদের জলযন্ত্রণায় ভুগতে হবে না।’‌

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

টালিনালায় একটি উঁচু ব্যারেজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে কলকাতা পুরনিগম

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

‌ নিজস্ব সংবাদদাতা : বানের জলে প্রতি বছর ভাসে কালীঘাটের বিভিন্ন রাস্তা। আর যাতে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সেজন্য স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটতে চলেছে কলকাতা পুরনিগম। টালিনালায় একটি উঁচু ব্যারেজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি বুস্টার পাম্পিং স্টেশনও তৈরি করা হবে। এই দুইয়ের কাজ শেষ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের বর্ষার সময় ভোগান্তি অনেকটাই মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগম সূত্রে খবর, টালিনালা ও গঙ্গার সংযোগস্থলে দইঘাটের।কলকাতা পুরনিগম সূত্রে খবর, টালিনালা ও গঙ্গার সংযোগস্থলে দইঘাটের কাছে ব্যারেজ তৈরি করা হবে। সেইসঙ্গে বুস্টার পাম্পিং স্টেশনও তৈরি করা হবে। সেজন্য কলকাতা বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় জমি দেখা হবে। কোটালের গঙ্গার জলস্তর এমনতেই বাড়ে, সেইসঙ্গে বৃষ্টি হলে গঙ্গার জলস্তর আরও বেড়ে যায়। বর্ষার জল যাতে টালিনালা ছাপিয়ে আশেপাশের এলাকায় ঢুকে না পড়ে, সেজন্য পুরনিগমের তরফে উঁচু বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাঁধ দিয়ে জল আটকানো হবে। বানের সময় বাঁধের গেট বন্ধ রাখা হলে আর জল ঢুকতে পারবে না। ভাটার সময়ে ব্যারেজের গেট ফের খুলে দেওয়া হবে।পুরনিগমের এক আধিকারিক জানান, ‘‌কালীঘাট বাজার, বড় গলি, চক্রবর্তী পাড়া, নেপাল ভট্টাচার্য স্ট্রিট সহ কালীঘাটের আশেপাশের এলাকায় বানের জল ঢুকে যায়। ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত গঙ্গার জলস্তর বেড়ে যায়। এটাকে রুখতে এই বাঁধ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’‌ ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‌এই কাজ হয়ে গেলে এখানকার মানুষরা খুবই উপকৃত হবেন। বর্ষাকালে আর তাঁদের জলযন্ত্রণায় ভুগতে হবে না।’‌