২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বভারতী: উপাচার্যকে রক্ষা করতে গিয়ে বাঁধার মুখে শিক্ষকেরা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘেরাও মুক্ত করতে গিয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বাধার মুখে পড়লেন শিক্ষকেরা।

বিশ্বভারতী সূত্রের খবর, উপাচার্যের নির্দেশেই তাঁর বাসভবন ঘেরাও মুক্ত করতে সোমবার বিকেল ৫টা নাগাদ গিয়েছিলেন শিক্ষকদের একাংশ। কিন্তু আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা মানব বন্ধন তৈরি করে শিক্ষকদের বাধা দেন। ফলে তাঁরা ফিরে যেতে বাধ্য হন।

বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন পরিচালন সমিতির সদস্য মঞ্জুমোহন মুখোপাধ্যায় এবং বিপ্লব লৌহ চৌধুরী। মঞ্জু জানান, প্রায় ৩০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘বিকেলে আন্দোলনরত পড়ুয়ারাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা ভুল বুঝছে।’’

মঞ্জু এবং বিপ্লবের কাছে জানতে চাওয়া হয়,পড়ুয়াদের কি আগে থেকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হয়েছিল? প্রশ্নের উত্তর দেননি তাঁরা।

অন্যদিকে, তিন ছাত্রের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের অভিযোগ, কখনই বিশ্বভারতীর শিক্ষক এবং আধিকারিকেরা তাঁদের কোনও সমস্যার কথা শুনতে চান না। এমনকী, লিখিত ডেপুটেশন জমা দিতে তা-ও গ্রহণ করতে রাজি হন না। আন্দোলনকারী ‘ছাত্র ঐক্যের’ তরফে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি ভাঙারও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বভারতী: উপাচার্যকে রক্ষা করতে গিয়ে বাঁধার মুখে শিক্ষকেরা

আপডেট : ৩০ অগাস্ট ২০২১, সোমবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘেরাও মুক্ত করতে গিয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বাধার মুখে পড়লেন শিক্ষকেরা।

বিশ্বভারতী সূত্রের খবর, উপাচার্যের নির্দেশেই তাঁর বাসভবন ঘেরাও মুক্ত করতে সোমবার বিকেল ৫টা নাগাদ গিয়েছিলেন শিক্ষকদের একাংশ। কিন্তু আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা মানব বন্ধন তৈরি করে শিক্ষকদের বাধা দেন। ফলে তাঁরা ফিরে যেতে বাধ্য হন।

বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন পরিচালন সমিতির সদস্য মঞ্জুমোহন মুখোপাধ্যায় এবং বিপ্লব লৌহ চৌধুরী। মঞ্জু জানান, প্রায় ৩০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘বিকেলে আন্দোলনরত পড়ুয়ারাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা ভুল বুঝছে।’’

মঞ্জু এবং বিপ্লবের কাছে জানতে চাওয়া হয়,পড়ুয়াদের কি আগে থেকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হয়েছিল? প্রশ্নের উত্তর দেননি তাঁরা।

অন্যদিকে, তিন ছাত্রের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের অভিযোগ, কখনই বিশ্বভারতীর শিক্ষক এবং আধিকারিকেরা তাঁদের কোনও সমস্যার কথা শুনতে চান না। এমনকী, লিখিত ডেপুটেশন জমা দিতে তা-ও গ্রহণ করতে রাজি হন না। আন্দোলনকারী ‘ছাত্র ঐক্যের’ তরফে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি ভাঙারও অভিযোগ তোলা হয়েছে।