১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

মেমারি পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডে সোমেশপুরে পারিবারিক অশান্তিতে গলার নলি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে

সেখ শামসুদ্দিন আহমেদ : মেমারিতে ৬আগষ্ট, সন্দেহ থেকে অশান্তির জেরে স্ত্রীর গলার নলি কেটে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ‍্যায়। পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত সোমেশপুরে। প্রতিবেশীদের কাছে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে পারিবারিক অশান্তির সময় সাদ্দাম খান তার স্ত্রীর সেরিনা বিবি (পাখি)র গলার নলি কেটে দিয়ে নিজের গলায় ছুরি বা বটি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলেই সেরিনা বিবির মৃত্যু হয় বলে প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়। মৃত স্ত্রী সেরিনা বিবির বয়স আনুমানিক 25 বৎসর। খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানের পর দম্পতিকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার সেরিনা বিবিকে মৃত বলে ঘোষণা করে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাদ্দামকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আরও জানা যায় সাদ্দাম খান ও সেরিনা বিবির ১১ বছরের একটি মেয়ে ও ৫ বছরের একটি ছেলে আছে। পাশেই থাকা সেরিনা বিবির বাপের বাড়ি ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায় যে, দুজনে ভালবেসে বিয়ে করেছিল। অবাঙালি জামাই রেলে কাজ করতো। কলকাতায় সপ্তাহ শেষে বাড়ি ফিরে মদ্যপ অবস্থায় মেয়েকে সন্দেহ করতো এবং প্রায়ই ঝগড়া অশাম্তি হতো। এর পরণতি এমন মর্মান্তিক হবে তার কোন দিনই ভাবতে পারেনি। আকস্মিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

রবীন্দ্র –নজরুল উৎসব

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেমারি পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডে সোমেশপুরে পারিবারিক অশান্তিতে গলার নলি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২১, শুক্রবার

সেখ শামসুদ্দিন আহমেদ : মেমারিতে ৬আগষ্ট, সন্দেহ থেকে অশান্তির জেরে স্ত্রীর গলার নলি কেটে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ‍্যায়। পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত সোমেশপুরে। প্রতিবেশীদের কাছে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে পারিবারিক অশান্তির সময় সাদ্দাম খান তার স্ত্রীর সেরিনা বিবি (পাখি)র গলার নলি কেটে দিয়ে নিজের গলায় ছুরি বা বটি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলেই সেরিনা বিবির মৃত্যু হয় বলে প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়। মৃত স্ত্রী সেরিনা বিবির বয়স আনুমানিক 25 বৎসর। খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানের পর দম্পতিকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার সেরিনা বিবিকে মৃত বলে ঘোষণা করে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাদ্দামকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আরও জানা যায় সাদ্দাম খান ও সেরিনা বিবির ১১ বছরের একটি মেয়ে ও ৫ বছরের একটি ছেলে আছে। পাশেই থাকা সেরিনা বিবির বাপের বাড়ি ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায় যে, দুজনে ভালবেসে বিয়ে করেছিল। অবাঙালি জামাই রেলে কাজ করতো। কলকাতায় সপ্তাহ শেষে বাড়ি ফিরে মদ্যপ অবস্থায় মেয়েকে সন্দেহ করতো এবং প্রায়ই ঝগড়া অশাম্তি হতো। এর পরণতি এমন মর্মান্তিক হবে তার কোন দিনই ভাবতে পারেনি। আকস্মিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।