১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

আষাঢ় মাসে আয়োজিত হিন্দু ধর্মাবলির প্রধান উৎসব রথযাত্রা

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :সাতাশে আষাড় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১২ ই জুলাই ২০২১। আষাঢ় মাসে আয়োজিত হিন্দু ধর্মের প্রধান উৎসব রথযাত্রা। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা ও উড়িষ্যা রাজ্যে পালিত হয় মহা ধুমধামের সহিত । কৃষ্ণের বৃন্দাবন প্রত্যাবর্তনের স্মরণে আয়োজিত হয় । জগন্নাথ দেব স্নান যাত্রায় স্নান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায়, অনসর কাল কাটান। ভক্তদের থেকে নিভৃতে এক পক্ষকাল চিকিৎসকের সেবায় সুস্থ হয়ে ওঠেন পরে তিনি মাসির বাড়িতে বেড়াতে যান আর এই মাসির বাড়ি বেড়ানোর সময় যাওয়ার সময় কে রথযাত্রা শুভসূচনা। হিন্দু ধর্মাবলি রথের দড়ি টান দেওয়া- পূর্ণ অর্জন করা রথযাত্রা লোকারণ্য মহা ধুমধাম ভক্তরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম রথ ভাবে আমি দেব পথ ভাবে আমি মূর্তি ভাবে আমি দেব হাসে অন্তর্যামী। আজকের রথ যাত্রার নামে দেবতার সান্নিধ্যে মানুষের হৃদয়কে আপ্লুত করে। কিন্তু বাস্তব মহামারীর প্রাক্কালে সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনটেন্স করে পুরুষানুক্রমে বছরের পর বছর ধরেই রথযাত্রা চলে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে মাহেশের রথে, যেখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হতো । বিশেষ করে পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সুপরিচিত নাম। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম যেখানে হতো, এই মুহূর্তে সেখানেই রথযাত্রা দেখা মেলা ভার। জাহাজের শিকল দিয়ে রথের রশি এবং প্রচুর মানুষ সেই রশিতে টান দিলেই তবে কিছুটা দূর যায় কিন্তু বর্তমানে করোনা বিধিকে মান্যতা দিতে সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখার নিমিত্তে তা অনেক জায়গায় বন্ধ হতে চলেছে। ছোটখাটো একটু ও হলে ও তেমন উৎসব উদ্দীপনা দেখা মেলা ভার। এই রথযাত্রা কে নিয়ে বিভিন্ন কবি সাহিত্যিকদের বিভিন্ন লেখনীর মাধ্যমে ফুটে উঠেছিল এই বাংলার ঐতিহ্য ।এবং বাংলার এই মুহূর্তে মহামারীর আকার ধারণ করেছে। যেখানে অধিক সংখ্যক সাধারন মানুষের একত্র হওয়ার আর অবস্থায় নেই।

ভাঙড় রত্ন সম্মাননা পেলেন শিক্ষক-সাহিত্যিক মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আষাঢ় মাসে আয়োজিত হিন্দু ধর্মাবলির প্রধান উৎসব রথযাত্রা

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, সোমবার

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :সাতাশে আষাড় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১২ ই জুলাই ২০২১। আষাঢ় মাসে আয়োজিত হিন্দু ধর্মের প্রধান উৎসব রথযাত্রা। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা ও উড়িষ্যা রাজ্যে পালিত হয় মহা ধুমধামের সহিত । কৃষ্ণের বৃন্দাবন প্রত্যাবর্তনের স্মরণে আয়োজিত হয় । জগন্নাথ দেব স্নান যাত্রায় স্নান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায়, অনসর কাল কাটান। ভক্তদের থেকে নিভৃতে এক পক্ষকাল চিকিৎসকের সেবায় সুস্থ হয়ে ওঠেন পরে তিনি মাসির বাড়িতে বেড়াতে যান আর এই মাসির বাড়ি বেড়ানোর সময় যাওয়ার সময় কে রথযাত্রা শুভসূচনা। হিন্দু ধর্মাবলি রথের দড়ি টান দেওয়া- পূর্ণ অর্জন করা রথযাত্রা লোকারণ্য মহা ধুমধাম ভক্তরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম রথ ভাবে আমি দেব পথ ভাবে আমি মূর্তি ভাবে আমি দেব হাসে অন্তর্যামী। আজকের রথ যাত্রার নামে দেবতার সান্নিধ্যে মানুষের হৃদয়কে আপ্লুত করে। কিন্তু বাস্তব মহামারীর প্রাক্কালে সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনটেন্স করে পুরুষানুক্রমে বছরের পর বছর ধরেই রথযাত্রা চলে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে মাহেশের রথে, যেখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হতো । বিশেষ করে পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সুপরিচিত নাম। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম যেখানে হতো, এই মুহূর্তে সেখানেই রথযাত্রা দেখা মেলা ভার। জাহাজের শিকল দিয়ে রথের রশি এবং প্রচুর মানুষ সেই রশিতে টান দিলেই তবে কিছুটা দূর যায় কিন্তু বর্তমানে করোনা বিধিকে মান্যতা দিতে সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখার নিমিত্তে তা অনেক জায়গায় বন্ধ হতে চলেছে। ছোটখাটো একটু ও হলে ও তেমন উৎসব উদ্দীপনা দেখা মেলা ভার। এই রথযাত্রা কে নিয়ে বিভিন্ন কবি সাহিত্যিকদের বিভিন্ন লেখনীর মাধ্যমে ফুটে উঠেছিল এই বাংলার ঐতিহ্য ।এবং বাংলার এই মুহূর্তে মহামারীর আকার ধারণ করেছে। যেখানে অধিক সংখ্যক সাধারন মানুষের একত্র হওয়ার আর অবস্থায় নেই।