৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

করণা আবাহ কাটিয়ে দীর্ঘ আট মাস পরে আবার ছন্দে ফিরছে সুন্দরবন

বাবলু হাসান লস্কর, কুলতলি : দীর্ঘ ১১ মাস লকডাউন চলার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফেরায় সুন্দরবন পিপাসু পর্যটকরা একে একে সুন্দরবনের বিভিন্ন ঘাটে তাদের দেখা মিলছে । দীর্ঘদিন গৃহবন্দি অবস্থায় থাকার পর প্রকৃতির টানে সুন্দরবনের হাতছানিতে পর্যটকদের আশা যাওয়া এই নদীবক্ষে। আগ্রহ জাগায় নদীতে কুমির জঙ্গলে বাঘ দেখতে । তার উপরে নদী বক্ষের মানুষদের জীবন-জীবিকার সন্ধানে । মৎস্যজীবী তথা যাত্রী পারাপারের ব্যবসায় যারা প্রতিনিয়ত সুন্দরবনে সময় কাটায় তাদের জীবন জীবিকার সন্ধানে আজ আমাদের এই যাত্রা। দেখতে দেখতে বেলা তখন দুই প্রহর পৌছালাম তখন কুলতলির কৈখালি শ্রী রাম কৃষ্ণ আশ্রম সংলগ্ন জেটি ঘাট । আর এই দ্বীপের মধ্যে চাতকের মত বসে আছে কয়েকটি নৌকার মালিক-কর্মচারী । টেবিলে বসে থাকা এক বছর পঞ্চাশের – দেখে মনে হচ্ছে উনি এখানকার বোট নিয়ন্ত্রণ করেন । জানার ইচ্ছায় -হটাৎ চোখে পড়ল রেট চার্ট লেখা ছোট-বড় বিভিন্ন আকার ও মেশিন এর ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ।এক ঘন্টা সময়ে সর্বোচ্চ বারো জন যাত্রীকে দিতে হয় ছয় শত টাকা, তার উপরে পনেরো জন ও একটু বড় বোর্ড আট শত টাকা, হাজার টাকা বারো শত টাকা ও পনেরো শত টাকায় মেলে খুবই সুন্দর সাজানো গোছানো বোট । প্রাকৃতিক দৃশ্য, জঙ্গল নদীর মধ্যে সৌন্দর্য উপভোগ করলাম । এখান থেকে ঝড়খালি ব্যার্ঘ প্রকল্পে তিরিশ টাকার বিনিময়ে দেখা মেলিল কুমির এবং সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। নদী কিছু দূর যাবার পরে নদীর মাঝে একটু টলমলে নৌকা মাঝি কে জিজ্ঞাসা করলাম দাদা একটু সামলে- মাঝি বলল কোন অসুবিধা নেই । ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে আমরা ফিরলাম তখন সূর্যিমামা উঁকি ঝুঁকি মারছে । জেটিঘাট দিয়ে বহুত কষ্টে ফিরলাম কৈখালী রামকৃষ্ণ আশ্রম সংলগ্ন স্টান্ডে ।

পরিকে উদ্ধার করে মায়ের হাতে ফিরিয়ে দিল রাজনগর থানার পুলিশ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

করণা আবাহ কাটিয়ে দীর্ঘ আট মাস পরে আবার ছন্দে ফিরছে সুন্দরবন

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১, রবিবার

বাবলু হাসান লস্কর, কুলতলি : দীর্ঘ ১১ মাস লকডাউন চলার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফেরায় সুন্দরবন পিপাসু পর্যটকরা একে একে সুন্দরবনের বিভিন্ন ঘাটে তাদের দেখা মিলছে । দীর্ঘদিন গৃহবন্দি অবস্থায় থাকার পর প্রকৃতির টানে সুন্দরবনের হাতছানিতে পর্যটকদের আশা যাওয়া এই নদীবক্ষে। আগ্রহ জাগায় নদীতে কুমির জঙ্গলে বাঘ দেখতে । তার উপরে নদী বক্ষের মানুষদের জীবন-জীবিকার সন্ধানে । মৎস্যজীবী তথা যাত্রী পারাপারের ব্যবসায় যারা প্রতিনিয়ত সুন্দরবনে সময় কাটায় তাদের জীবন জীবিকার সন্ধানে আজ আমাদের এই যাত্রা। দেখতে দেখতে বেলা তখন দুই প্রহর পৌছালাম তখন কুলতলির কৈখালি শ্রী রাম কৃষ্ণ আশ্রম সংলগ্ন জেটি ঘাট । আর এই দ্বীপের মধ্যে চাতকের মত বসে আছে কয়েকটি নৌকার মালিক-কর্মচারী । টেবিলে বসে থাকা এক বছর পঞ্চাশের – দেখে মনে হচ্ছে উনি এখানকার বোট নিয়ন্ত্রণ করেন । জানার ইচ্ছায় -হটাৎ চোখে পড়ল রেট চার্ট লেখা ছোট-বড় বিভিন্ন আকার ও মেশিন এর ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ।এক ঘন্টা সময়ে সর্বোচ্চ বারো জন যাত্রীকে দিতে হয় ছয় শত টাকা, তার উপরে পনেরো জন ও একটু বড় বোর্ড আট শত টাকা, হাজার টাকা বারো শত টাকা ও পনেরো শত টাকায় মেলে খুবই সুন্দর সাজানো গোছানো বোট । প্রাকৃতিক দৃশ্য, জঙ্গল নদীর মধ্যে সৌন্দর্য উপভোগ করলাম । এখান থেকে ঝড়খালি ব্যার্ঘ প্রকল্পে তিরিশ টাকার বিনিময়ে দেখা মেলিল কুমির এবং সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। নদী কিছু দূর যাবার পরে নদীর মাঝে একটু টলমলে নৌকা মাঝি কে জিজ্ঞাসা করলাম দাদা একটু সামলে- মাঝি বলল কোন অসুবিধা নেই । ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে আমরা ফিরলাম তখন সূর্যিমামা উঁকি ঝুঁকি মারছে । জেটিঘাট দিয়ে বহুত কষ্টে ফিরলাম কৈখালী রামকৃষ্ণ আশ্রম সংলগ্ন স্টান্ডে ।