১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গুয়াহাটিতে জনতার বিধায়ক আনোয়ার হোসেনকে দেখতে জনতার ভিড়। রাজ্য বাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন বিধায়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি, নতুন গতি : এক প্রকার মরণাপন্ন অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে গুয়াহাটিতে ফিরতেই ভক্তমহলে খুঁশির হাওয়া ,প্রিয় নেতাকে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করছেন না বিধায়ক অনুগামীদের মধ্যে অনেকেই। বুধবার রাত্রি বেলায় বিধায়ক আনোয়ার হোসেন লস্কর গুয়াহাটিতে আসার পর একের পর এক হাই প্রোফাইল নেতা- কর্মী থেকে আরম্ভ করে ধর্মীয় পণ্ডিত সহ সাধারণ জনতা বিধায়কের আস্তানায় গিয়ে বিধায়ককে স্বচক্ষে দেখছেন এবং অনুগামীদের মধ্যে অনেকেই আবার আবেগে কাঁদছেন এবং বিধায়ক ও সবার সঙ্গে স্বল্প হলেও কথা বলছেন । এখনও কিছুটা সমস্যা থাকলেও আগের মতো দেখা যাচ্ছে, কথার ভঙ্গি সেই আগের ষ্টাইলে । যা দেখে বুঝার উপায় নেই তিনি প্রায় কোমা থেকে উঠে এসেছেন। সর্বক্ষেত্রে বলা যায় লক্ষ লক্ষ জনতার দোয়া-আশীর্বাদ কাজে লেগেছে। এমনকি বার কয়েক বিধায়কের মৃত্যুর গুজব সোশ্যাল মিডিয়ায় ও ভাইরাল হয়েছিল , এমন উড়োল খবরে রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম জনতার চোঁঁখে অশ্রু ঝরেছিল। গত রমজান মাসের শেষ লগ্নে গুয়াহাটিতে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে রাজ্যের বেশি সংখ্যক মসজিদে তাহাজ্জুদের নামাজের শেষে, তারাবিহ,জুম্মা এমনকি ঘোষণা করে ঈদুর ফিতর নামাজের শেষে ঈদগাহে বিধায়কের আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত হয়েছিল উল্লেখ্য, আসামের মুখ্যমন্ত্রী , স্পিকার,ডেপুটি স্পিকার নিজ দলীয় বিধায়ক সহ অন্যান্য দলের বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ,রাজ্যসভার সাংসদ আহমদ হাসান ইমরান ,কর্ণাটকের প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমান বিধায়ক জমির আহমদ খান সহ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইউটুব চ্যানেল গ্রীণ বাংলার প্রধান বিলাল আহমদ মুরাদ সহ দেশের অনেক নামদারী ব্যক্তিত্ব এবং বিধায়কের বক্তব্যে শুনে অনুপ্রাণিত হওয়া আমজনতা প্রতিনিয়ত ফোনযোগে বিধায়কের খোঁজ নিয়েছিলেন, এমনকি গুজব প্রতিরোধে বাধ্য হয়ে রেজা মজুমদার ,মস্তু লস্কর ,ইয়াহ ইয়া আহমদ বড়ভূইয়া,নেনা হাজি ,আপ্পু বড়ভূইয়া,জহর লস্কর,সাবির আহমদ লস্কর,মিন্টু লস্কর,রিপন লস্কর,এবং বিধায়ক ভ্রাতা ডি লস্করের ফোন নম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিধায়কের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খবর জানার জন্য দেওয়া হয়েছিল এবং উল্লেখিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বারে যোগাযোগ করে প্রতিদিন অগণিত মানুষ বিধায়কের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছিলেন । এদিকে গুয়াহাটিতে অবস্থানরত হোজাই, নগাও ,ধুবড়ি, লক্ষিমপুর,বরপেটা, কামরূপ, শিলচর ,হাইলাকান্দি, করিমগঞ্জ সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের অগণিত মানুষ ভিড় করছেন বিধায়ককে দেখতে। এআইইউডিএফ সুপ্রিমো সাংসদ মওলানা বদর উদ্দিন আজমল আগের মতো বিধায়কের প্রতিদিন খবর রাখছেন এবং বিধায়কের অনুগামীদের মধ্যে অনেকেই বিধায়ককে স্বচক্ষে দেখতে গুয়াহাটিতে পাড়ি দিচ্ছেন বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এর আভাস ও পাওয়া যাচ্ছে।
উল্লেখ্য ,গুয়াহাটিতে কতদিন থাকবেন এবং নিজ হাইলাকান্দি জেলায় কবে আসবেন তা এখন ও সিদ্ধান্ত হয়নি।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গুয়াহাটিতে জনতার বিধায়ক আনোয়ার হোসেনকে দেখতে জনতার ভিড়। রাজ্য বাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন বিধায়ক

আপডেট : ৩ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি, নতুন গতি : এক প্রকার মরণাপন্ন অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে গুয়াহাটিতে ফিরতেই ভক্তমহলে খুঁশির হাওয়া ,প্রিয় নেতাকে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করছেন না বিধায়ক অনুগামীদের মধ্যে অনেকেই। বুধবার রাত্রি বেলায় বিধায়ক আনোয়ার হোসেন লস্কর গুয়াহাটিতে আসার পর একের পর এক হাই প্রোফাইল নেতা- কর্মী থেকে আরম্ভ করে ধর্মীয় পণ্ডিত সহ সাধারণ জনতা বিধায়কের আস্তানায় গিয়ে বিধায়ককে স্বচক্ষে দেখছেন এবং অনুগামীদের মধ্যে অনেকেই আবার আবেগে কাঁদছেন এবং বিধায়ক ও সবার সঙ্গে স্বল্প হলেও কথা বলছেন । এখনও কিছুটা সমস্যা থাকলেও আগের মতো দেখা যাচ্ছে, কথার ভঙ্গি সেই আগের ষ্টাইলে । যা দেখে বুঝার উপায় নেই তিনি প্রায় কোমা থেকে উঠে এসেছেন। সর্বক্ষেত্রে বলা যায় লক্ষ লক্ষ জনতার দোয়া-আশীর্বাদ কাজে লেগেছে। এমনকি বার কয়েক বিধায়কের মৃত্যুর গুজব সোশ্যাল মিডিয়ায় ও ভাইরাল হয়েছিল , এমন উড়োল খবরে রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম জনতার চোঁঁখে অশ্রু ঝরেছিল। গত রমজান মাসের শেষ লগ্নে গুয়াহাটিতে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে রাজ্যের বেশি সংখ্যক মসজিদে তাহাজ্জুদের নামাজের শেষে, তারাবিহ,জুম্মা এমনকি ঘোষণা করে ঈদুর ফিতর নামাজের শেষে ঈদগাহে বিধায়কের আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত হয়েছিল উল্লেখ্য, আসামের মুখ্যমন্ত্রী , স্পিকার,ডেপুটি স্পিকার নিজ দলীয় বিধায়ক সহ অন্যান্য দলের বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ,রাজ্যসভার সাংসদ আহমদ হাসান ইমরান ,কর্ণাটকের প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমান বিধায়ক জমির আহমদ খান সহ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইউটুব চ্যানেল গ্রীণ বাংলার প্রধান বিলাল আহমদ মুরাদ সহ দেশের অনেক নামদারী ব্যক্তিত্ব এবং বিধায়কের বক্তব্যে শুনে অনুপ্রাণিত হওয়া আমজনতা প্রতিনিয়ত ফোনযোগে বিধায়কের খোঁজ নিয়েছিলেন, এমনকি গুজব প্রতিরোধে বাধ্য হয়ে রেজা মজুমদার ,মস্তু লস্কর ,ইয়াহ ইয়া আহমদ বড়ভূইয়া,নেনা হাজি ,আপ্পু বড়ভূইয়া,জহর লস্কর,সাবির আহমদ লস্কর,মিন্টু লস্কর,রিপন লস্কর,এবং বিধায়ক ভ্রাতা ডি লস্করের ফোন নম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিধায়কের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খবর জানার জন্য দেওয়া হয়েছিল এবং উল্লেখিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বারে যোগাযোগ করে প্রতিদিন অগণিত মানুষ বিধায়কের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছিলেন । এদিকে গুয়াহাটিতে অবস্থানরত হোজাই, নগাও ,ধুবড়ি, লক্ষিমপুর,বরপেটা, কামরূপ, শিলচর ,হাইলাকান্দি, করিমগঞ্জ সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের অগণিত মানুষ ভিড় করছেন বিধায়ককে দেখতে। এআইইউডিএফ সুপ্রিমো সাংসদ মওলানা বদর উদ্দিন আজমল আগের মতো বিধায়কের প্রতিদিন খবর রাখছেন এবং বিধায়কের অনুগামীদের মধ্যে অনেকেই বিধায়ককে স্বচক্ষে দেখতে গুয়াহাটিতে পাড়ি দিচ্ছেন বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এর আভাস ও পাওয়া যাচ্ছে।
উল্লেখ্য ,গুয়াহাটিতে কতদিন থাকবেন এবং নিজ হাইলাকান্দি জেলায় কবে আসবেন তা এখন ও সিদ্ধান্ত হয়নি।