২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

চন্দ্রবণিকের পরিবারের সদস্যরা দুর্গাপুজো শুরু করেছিল

রাহুল রায়, পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২নং ব্লকের শ্রীবাটিগ্ৰাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীবাটিগ্ৰামে রয়েছে টেরাকোটা মন্দির। টেরাকোটা মন্দিরের পাশেই বসবাস করতেন চন্দ্রবণিকের পরিবার। শ্রীবাটিগ্ৰামে চন্দ্রবণিকের পরিবারের সদস্যরা দুর্গাপুজো শুরু করেছিল। চন্দ্রবণিকদের দুর্গাপুজো হল প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন। পুরোনো রীতি মেনেই দুর্গাপুজো হয়। রথের দিনে দেবীর গায়ে মাটি দিয়ে শুরু হয় দেবীর্নিমাণের পূর্ণযাত্রা। মহালয়ের পরেরদিন প্রতিপদের শুভলগ্নে দেবীর মন্দিরে ঘট প্রতিস্থাপনের মধ্য দিয়ে পুজোপর্ব শুরু হয়। নিষ্ঠা ও ভক্তিসহকারে পঞ্চমী পর্যন্ত ঘটে পুজোপর্ব চলে। ষষ্ঠীতে বোধন, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর দুর্গার নানা প্রথা ও ভক্তিসহকারে পুজো চলে। মহা অষ্টমীর সন্ধিপুজো এখানে বিশেষ আকর্ষণ। সন্ধিপুজোয় মায়ের দেবীরূপে এক অপূর্ব ভক্তির মায়েরআলোয় সমগ্ৰ পুজোবাড়িকে আলোকিত করে। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী চালকুমড়ো ও আখ বলি প্রচলিত। সানাই ও ঢাকের সুর সমগ্ৰ পুজোবাড়িকে মাতিয়ে তোলে। দশমীর যাত্রা নতুন পোশাকে সৌরভিত নীলকন্ঠ হাতে দেবীর বিদায়ের করুণ সুরধ্বনী চোখের জল আনে। সিন্দুর খেলা ও ঘট বিসর্জন পর্ব সমাপ্তির পর দেবীর নিরঞ্জন যাত্রা খুবি নিষ্ঠা সহকারে উদযাপিত হয়।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চন্দ্রবণিকের পরিবারের সদস্যরা দুর্গাপুজো শুরু করেছিল

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

রাহুল রায়, পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২নং ব্লকের শ্রীবাটিগ্ৰাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীবাটিগ্ৰামে রয়েছে টেরাকোটা মন্দির। টেরাকোটা মন্দিরের পাশেই বসবাস করতেন চন্দ্রবণিকের পরিবার। শ্রীবাটিগ্ৰামে চন্দ্রবণিকের পরিবারের সদস্যরা দুর্গাপুজো শুরু করেছিল। চন্দ্রবণিকদের দুর্গাপুজো হল প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন। পুরোনো রীতি মেনেই দুর্গাপুজো হয়। রথের দিনে দেবীর গায়ে মাটি দিয়ে শুরু হয় দেবীর্নিমাণের পূর্ণযাত্রা। মহালয়ের পরেরদিন প্রতিপদের শুভলগ্নে দেবীর মন্দিরে ঘট প্রতিস্থাপনের মধ্য দিয়ে পুজোপর্ব শুরু হয়। নিষ্ঠা ও ভক্তিসহকারে পঞ্চমী পর্যন্ত ঘটে পুজোপর্ব চলে। ষষ্ঠীতে বোধন, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর দুর্গার নানা প্রথা ও ভক্তিসহকারে পুজো চলে। মহা অষ্টমীর সন্ধিপুজো এখানে বিশেষ আকর্ষণ। সন্ধিপুজোয় মায়ের দেবীরূপে এক অপূর্ব ভক্তির মায়েরআলোয় সমগ্ৰ পুজোবাড়িকে আলোকিত করে। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী চালকুমড়ো ও আখ বলি প্রচলিত। সানাই ও ঢাকের সুর সমগ্ৰ পুজোবাড়িকে মাতিয়ে তোলে। দশমীর যাত্রা নতুন পোশাকে সৌরভিত নীলকন্ঠ হাতে দেবীর বিদায়ের করুণ সুরধ্বনী চোখের জল আনে। সিন্দুর খেলা ও ঘট বিসর্জন পর্ব সমাপ্তির পর দেবীর নিরঞ্জন যাত্রা খুবি নিষ্ঠা সহকারে উদযাপিত হয়।