২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

এবার নার্সিং পড়ার খরচ দেবে রাজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি : সরকার পরিচালিত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নার্সের সংখ্যা পর্যাপ্ত করতে রাজ্য সরকার ৫৬.৫৮ কোটি টাকা ব্যয় করেছে।

এসএসকেএম হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, সুরি সদর হাসপাতালে নার্সিং ট্রেনিং স্কুল ও আলিপুরদুয়ার ডিস্ত্রিক্ট হাসপাতালে নার্সিং কলেজ তৈরীর কাজ চলছে।

রাজ্যে এখন ৮৯টি নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্কুল আছে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরও ২৭টি এরূপ স্কুল তৈরী করার। এর ফলে সারা রাজ্যের বিশেষ করে গ্রাম বাংলায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো অনেক জোরদার হবে।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ঝাড়গ্রাম, বসিরহাট জেলা হাসপাতাল, ঘাটাল, জঙ্গিপুর সাবডিভিশন হাসপাতাল অ্যান্ড কলেজ অফ মেডিসিন এবং সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঁচটি নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্কুল খোলা হয়। এর প্রতিটির আসন সংখ্যা ৬০।

রাজ্যে নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্কুলে মোট আসন সংখ্যা ২১৭৫ থেকে বেড়ে ৩০৬৫ হয়েছে।

এছাড়া, রাজ্য সরকার ইউনাইটেড কিংডামের সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নার্সিং ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরিকাঠামো সংস্কারে একটি দু বছরের কর্মসূচী নিয়েছে দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বাজেট পূর্বতন বাম সরকারের তুলনায় বেড়েছে বহুগুণ। ২০১১ সালে যেখানে বাংলায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ ছিল ৬৮২ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ৯৫৫২.৭ কোটি টাকা। এর মাধ্যমেই সহজেই বোঝা যায় মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে উন্নত করতে কতটা গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০১১ সালে রাজ্যে ডাক্তারের সংখ্যা ছিল ৪৫০০ এবং নার্সের সংখ্যা ছিল ৩৭৩৬৬ যা বর্তমানে বেড়ে হয়েছে যথাক্রমে ১০৯০০ এবং ৫২৮২০।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার নার্সিং পড়ার খরচ দেবে রাজ্য

আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সরকার পরিচালিত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নার্সের সংখ্যা পর্যাপ্ত করতে রাজ্য সরকার ৫৬.৫৮ কোটি টাকা ব্যয় করেছে।

এসএসকেএম হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, সুরি সদর হাসপাতালে নার্সিং ট্রেনিং স্কুল ও আলিপুরদুয়ার ডিস্ত্রিক্ট হাসপাতালে নার্সিং কলেজ তৈরীর কাজ চলছে।

রাজ্যে এখন ৮৯টি নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্কুল আছে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরও ২৭টি এরূপ স্কুল তৈরী করার। এর ফলে সারা রাজ্যের বিশেষ করে গ্রাম বাংলায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো অনেক জোরদার হবে।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ঝাড়গ্রাম, বসিরহাট জেলা হাসপাতাল, ঘাটাল, জঙ্গিপুর সাবডিভিশন হাসপাতাল অ্যান্ড কলেজ অফ মেডিসিন এবং সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঁচটি নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্কুল খোলা হয়। এর প্রতিটির আসন সংখ্যা ৬০।

রাজ্যে নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্কুলে মোট আসন সংখ্যা ২১৭৫ থেকে বেড়ে ৩০৬৫ হয়েছে।

এছাড়া, রাজ্য সরকার ইউনাইটেড কিংডামের সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নার্সিং ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরিকাঠামো সংস্কারে একটি দু বছরের কর্মসূচী নিয়েছে দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বাজেট পূর্বতন বাম সরকারের তুলনায় বেড়েছে বহুগুণ। ২০১১ সালে যেখানে বাংলায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ ছিল ৬৮২ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ৯৫৫২.৭ কোটি টাকা। এর মাধ্যমেই সহজেই বোঝা যায় মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে উন্নত করতে কতটা গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০১১ সালে রাজ্যে ডাক্তারের সংখ্যা ছিল ৪৫০০ এবং নার্সের সংখ্যা ছিল ৩৭৩৬৬ যা বর্তমানে বেড়ে হয়েছে যথাক্রমে ১০৯০০ এবং ৫২৮২০।