০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি-এসএফআই সংঘর্ষ, আহত ৩

নতুন গতি প্রতিবেদন, উত্তর দিনাজপুর: এবিভিপি ও এসএফআইয়ের কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ঘটনায় দু’পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, দর্শন বিভাগের ক্লাস চলাকালীন জাহাঙ্গির আলম নামে এক ছাত্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে তাঁর মোবাইল কেড়ে হেনস্থা করেন এবিভিপির কয়েকজন সমর্থক। বিষয়টি জানাজানি হতেই এসএফআই সমর্থকরা জড়ো হন। জাহাঙ্গিরের খোঁজ না মেলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এরপরই দুই ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে হাতাহাতির রূপ নেয়। পরে অবশ্য জাহাঙ্গিরকে খুঁজে পাওয়া যায়। সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। জাহাঙ্গিরের দাদা মুস্তাফির আলমের অভিযোগ, ‘‘এবিভিপির সমর্থকেরা আমার ভাইকে মারধর করে আটকে রেখেছিল।’’ তিনি ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এবিভিপির রাজ্য সম্পাদক দীপ দত্তের দাবি, ‘‘এসএফআইয়ের পায়ের তলায় রাজনৈতিকভাবে মাটি নেই। আমাদের সংগঠনকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।’’ তাঁর পাল্টা অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট ভেঙে তাঁদের দুই কার্যকর্তার উপর হামলা চালানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এসএফআই শহর কমিটির সদস্য বিবেক বর্মন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি-এসএফআই সংঘর্ষ, আহত ৩

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, উত্তর দিনাজপুর: এবিভিপি ও এসএফআইয়ের কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ঘটনায় দু’পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, দর্শন বিভাগের ক্লাস চলাকালীন জাহাঙ্গির আলম নামে এক ছাত্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে তাঁর মোবাইল কেড়ে হেনস্থা করেন এবিভিপির কয়েকজন সমর্থক। বিষয়টি জানাজানি হতেই এসএফআই সমর্থকরা জড়ো হন। জাহাঙ্গিরের খোঁজ না মেলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এরপরই দুই ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে হাতাহাতির রূপ নেয়। পরে অবশ্য জাহাঙ্গিরকে খুঁজে পাওয়া যায়। সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। জাহাঙ্গিরের দাদা মুস্তাফির আলমের অভিযোগ, ‘‘এবিভিপির সমর্থকেরা আমার ভাইকে মারধর করে আটকে রেখেছিল।’’ তিনি ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এবিভিপির রাজ্য সম্পাদক দীপ দত্তের দাবি, ‘‘এসএফআইয়ের পায়ের তলায় রাজনৈতিকভাবে মাটি নেই। আমাদের সংগঠনকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।’’ তাঁর পাল্টা অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট ভেঙে তাঁদের দুই কার্যকর্তার উপর হামলা চালানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এসএফআই শহর কমিটির সদস্য বিবেক বর্মন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।