২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩

রাহুলকে ভয়! কংগ্রেসের কর্মসূচি পণ্ড করতে আসরে এবিভিপি-পুলিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা: তবে কি সত্যি রাহুল গান্ধীকে ভয় পাচ্ছে মোদি সরকার? লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী পড়ুয়াদের অভাব অভিযোগের কথা শুনবেন বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে। সেই কর্মসূচি পণ্ড করতে উঠে পড়ে লাগল বিজেপির মদতপুষ্ট এবিভিপির ছাত্র সংগঠন। এবিভিপির সমর্থকরা চড়াও হলে কংগ্রেস কর্মীদের উপর। উভয় পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। তারপর পুলিশ গিয়ে বেছে বেছে আটক করল কংগ্রেস কর্মীদের। রাহুলের কর্মসূচি বন্ধ করতে পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
সম্প্রতি ‘ছাত্র কি গুঞ্জ’ নামে একটি নতুন কর্মসূচি শুরু করেছে কংগ্রেস। এই কর্মসূচিতে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পড়ুয়াদের মনের কথা শুনছেন রাহুল গান্ধী। পুনের সিওইপি টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে সেই কর্মসূচিরই প্রস্তুতি চলছিল। শুক্রবার রাতে সেখানে চড়াও হয় এবিভিপি। হোস্টেলের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস কর্মী ও এবিভিপি সদস্যরা। শনিবার সকালে অ্যাকশন শুরু করে পুলিশ। ৫০ থেকে ৬০ জন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায় পুনে পুলিশ।
পড়ুয়াদের অভাব-অভিযোগ শুনতে, যেকোনও প্রশ্নের মুখোমুখি হতে শনিবার সন্ধ্যায় পুনের কলেজে আসার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। আগের রাতেই হোস্টেলের ক্যাম্পাসে ঘটে গেল সংঘর্ষের ঘটনা। অনুষ্ঠানের ব্যানার-পোস্টার লাগাচ্ছিলেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা। সেই সময়ে এবিভিপি সদস্যরা তাঁদের উপরে হামলা করেন বলে অভিযোগ। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হোস্টেল চত্বর। অভিযোগ, লোহার রড, লাঠি নিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের উপরে হামলা চালান এবিভিপি সদস্যরা। এবিভিপি-র পাল্টা দাবি, কংগ্রেস কর্মীরা পুনের কলেজ ছাত্রীদের জোর করে ওই অনুষ্ঠানে নাম নথিভুক্ত করানোর চেষ্টা করছিল। তাঁরা বাধা দিতেই কংগ্রেস কর্মীরা তাঁদের উপর চড়াও হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শনিবার সকালে যুব কংগ্রেসের ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মীকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে পুলিশ। পুলিশ জানার চেষ্টা চালাচ্ছে, সংঘর্ষের ঘটনায় কারা প্রথম হামলা চালিয়েছিল, কী কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠল। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ল দু’দলের কর্মীরা। হস্টেলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এদিকে রাহুল গান্ধীর কর্মসূচির আগে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এমন ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি যাতে নতুন করে উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য হোস্টেল চত্বরে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এলাকা। রাহুলের সভার আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দু’পক্ষের সদস্যদের উপর নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশ চাইছে না এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনীতি হোক। রাহুলের কর্মসূচি নির্বিঘ্নে শেষ করাই এখন পুনে পুলিশের লক্ষ্য।

ইথানল উৎপাদনের জ্বালায় বাজারে চিনির দাম অগ্নিমূল্য 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাহুলকে ভয়! কংগ্রেসের কর্মসূচি পণ্ড করতে আসরে এবিভিপি-পুলিশ

আপডেট : ২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার
নিজস্ব সংবাদদাতা: তবে কি সত্যি রাহুল গান্ধীকে ভয় পাচ্ছে মোদি সরকার? লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী পড়ুয়াদের অভাব অভিযোগের কথা শুনবেন বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে। সেই কর্মসূচি পণ্ড করতে উঠে পড়ে লাগল বিজেপির মদতপুষ্ট এবিভিপির ছাত্র সংগঠন। এবিভিপির সমর্থকরা চড়াও হলে কংগ্রেস কর্মীদের উপর। উভয় পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। তারপর পুলিশ গিয়ে বেছে বেছে আটক করল কংগ্রেস কর্মীদের। রাহুলের কর্মসূচি বন্ধ করতে পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
সম্প্রতি ‘ছাত্র কি গুঞ্জ’ নামে একটি নতুন কর্মসূচি শুরু করেছে কংগ্রেস। এই কর্মসূচিতে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পড়ুয়াদের মনের কথা শুনছেন রাহুল গান্ধী। পুনের সিওইপি টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে সেই কর্মসূচিরই প্রস্তুতি চলছিল। শুক্রবার রাতে সেখানে চড়াও হয় এবিভিপি। হোস্টেলের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস কর্মী ও এবিভিপি সদস্যরা। শনিবার সকালে অ্যাকশন শুরু করে পুলিশ। ৫০ থেকে ৬০ জন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায় পুনে পুলিশ।
পড়ুয়াদের অভাব-অভিযোগ শুনতে, যেকোনও প্রশ্নের মুখোমুখি হতে শনিবার সন্ধ্যায় পুনের কলেজে আসার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। আগের রাতেই হোস্টেলের ক্যাম্পাসে ঘটে গেল সংঘর্ষের ঘটনা। অনুষ্ঠানের ব্যানার-পোস্টার লাগাচ্ছিলেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা। সেই সময়ে এবিভিপি সদস্যরা তাঁদের উপরে হামলা করেন বলে অভিযোগ। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হোস্টেল চত্বর। অভিযোগ, লোহার রড, লাঠি নিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের উপরে হামলা চালান এবিভিপি সদস্যরা। এবিভিপি-র পাল্টা দাবি, কংগ্রেস কর্মীরা পুনের কলেজ ছাত্রীদের জোর করে ওই অনুষ্ঠানে নাম নথিভুক্ত করানোর চেষ্টা করছিল। তাঁরা বাধা দিতেই কংগ্রেস কর্মীরা তাঁদের উপর চড়াও হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শনিবার সকালে যুব কংগ্রেসের ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মীকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে পুলিশ। পুলিশ জানার চেষ্টা চালাচ্ছে, সংঘর্ষের ঘটনায় কারা প্রথম হামলা চালিয়েছিল, কী কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠল। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ল দু’দলের কর্মীরা। হস্টেলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এদিকে রাহুল গান্ধীর কর্মসূচির আগে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এমন ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি যাতে নতুন করে উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য হোস্টেল চত্বরে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এলাকা। রাহুলের সভার আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দু’পক্ষের সদস্যদের উপর নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশ চাইছে না এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনীতি হোক। রাহুলের কর্মসূচি নির্বিঘ্নে শেষ করাই এখন পুনে পুলিশের লক্ষ্য।