২১ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
২১ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

মাথায় আঘাত, ঘটনাস্থলে নেই স্কুটি— সরকারি গাড়িচালকের মৃত্যুতে রহস্য

কোচবিহার: জেলাশাসক দপ্তরের এক গাড়িচালকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। মৃতের নাম তাপস সরকার (৩৬)। তাঁর বাড়ি খাপাইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের তলিতলা এলাকায়। মঙ্গলবার গভীর রাতে কোচবিহার-২ ব্লকের চকচকা গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়গিলা এলাকায় রাস্তার উপর থেকে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে তাপসকে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেওয়া হয় পুন্ডিবাড়ি থানায়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাস্থলে তাপসের জুতো দু’টি দু’দিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এদিকে, যে স্কুটি নিয়ে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, সেটিও ঘটনাস্থলে মেলেনি। পরে জানা যায়, স্কুটিটি এক বন্ধুর বাড়িতে রয়েছে। ফলে কীভাবে এবং কার সঙ্গে তাপস বড়গিলায় পৌঁছেছিলেন, তা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, তাপসকে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে পুলিশ।
সর্বাধিক পাঠিত

ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে টিকিট কেটেও বিনা চিকিৎসায় বাড়ি ফিরলেন রোগীরা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাথায় আঘাত, ঘটনাস্থলে নেই স্কুটি— সরকারি গাড়িচালকের মৃত্যুতে রহস্য

আপডেট : ২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
কোচবিহার: জেলাশাসক দপ্তরের এক গাড়িচালকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। মৃতের নাম তাপস সরকার (৩৬)। তাঁর বাড়ি খাপাইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের তলিতলা এলাকায়। মঙ্গলবার গভীর রাতে কোচবিহার-২ ব্লকের চকচকা গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়গিলা এলাকায় রাস্তার উপর থেকে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে তাপসকে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেওয়া হয় পুন্ডিবাড়ি থানায়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাস্থলে তাপসের জুতো দু’টি দু’দিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এদিকে, যে স্কুটি নিয়ে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, সেটিও ঘটনাস্থলে মেলেনি। পরে জানা যায়, স্কুটিটি এক বন্ধুর বাড়িতে রয়েছে। ফলে কীভাবে এবং কার সঙ্গে তাপস বড়গিলায় পৌঁছেছিলেন, তা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, তাপসকে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে পুলিশ।